অবহেলিত বাংলাদেশ ঔষধ রপ্তানিতে শীর্ষে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

অবহেলিত বাংলাদেশ ঔষধ রপ্তানিতে শীর্ষে

6 September 2016, 1:29:35

মো:কামরুল হাসান

স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের অবস্থা খুব নাজুক।চারদিকে রক্তের দাগ,কৃষিকেরা ক্ষেতে খামারে যেতে ভয় পাচ্ছে।বাচ্ছা,বুড়ো ও সাধারন মানুষ খাবারের অভাবে অসুস্থ হচ্ছে।প্রতিবেশি দেশসহ অন্যন্য দেশ থেকে ও খাবার এর ব্যবস্থা হচ্ছে,কিন্তু ঔষধ?কোথায় থেকে পাবে।ডাক্তার যে প্রেসক্রিপশন দিচ্ছে তা এই নব বাংলাদেশ ২০% মিটাতে পারছে,কিন্তু বাকী ঔষধ? কারন বেশির ভাগ ঔষধ কারখানা তো পশ্চিম পাকিস্থানে হয়েছে।ঔষধ চাইলে স্বাধীনতার ধিক্কার শুনতে হয়।ইউরোপ মহাদেশের দেশগুলো সহ অন্যন্য দেশ ও এই বাংলাদেশকে ঔষধ দিতে চাচ্ছে না।ঔষধ নিতে হলে তাদেরকে ডলার দিতে হবে কিন্তু এই নব বাংলাদেশে নেই কোন রিজার্ভ, এই ঔষধের জন্য প্রত্যকটি দেশের কাছে অবহেলিত হতে হয়েছে।
এই অবহেলার মাঝে পাশে এসে দাড়ঁায় হাঙ্গেরী,তা ও আবার বিনিময় এর মাধ্যমে, বাংলাদেশ থেকে পাট জাতীয় কাঁচা মাল যাবে আর তার বিনিময়ে তারা ঔষধ দিবে।
১৯৮২ সালের ঔষধ নিয়ন্ত্রন অধ্যাদেশ প্রণয়নের পর থেকে এই শিল্পের উন্নায়নের গতি লাভ করেছে।বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ বিশ্ববাজারে রপ্তানি হচ্ছে, যা অনুন্নত ৪৮টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান শীর্ষে। তাছাড়া প্রয়োজনীয় চাহিদার ৯৭ ভাগ সরবরাহ করছে।শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলা প্রতিযোগিতা বিশ্ববাজারের সাথে তাল মিলিয়ে চলছে।
দেশি ও বিদেশি মিলে দেশে ২৫২ সরকার অনুমোদিত ঔষধ কোম্পানি রয়েছে,যা দেশের চাহিদা মিটিয়ে মোট ১৬০টি দেশে রপ্তানি করে থাকে।বর্তমানে বাংলাদেশের ঔষধ কোম্পানিগুলোর মধ্যে ৭৫ ভাগ নিয়ন্ত্রন করে দেশীয় কোম্পানি। দেশিয় ও বহুজাতিক কোম্পানি মিলে বর্তমানে ১০৮১টি জেনেরিকের অধীনে আনুমানিক ১৯,৮৩০টি বিভিন্ন ব্রান্ডের ঔষধ তৈরি করছে। বর্তমানে দেশে ২০০০টি লাইসেন্সধারী পাইকারি ঔষধ বিক্রেতা ও আনুমানিক ৮০,০০০টি খুচরা বিক্রেতা রয়েছে, যারা ঔষধ প্রদান ও বণ্টনে নিয়োজিত।
অন্যদিকে ইউনানি, আর্য়ূবেদি, হোমিওপ্যাথি ও বায়োকেমিক ঔষধের উপর বাংলাদেশের গরীব মানুষগুলা নির্ভরশীল।
হিসাব মতে বর্তমানে ২৬৮ ইউনানি, ২০১ আর্য়ূবেদি, ৯টি হারবাল ও ৭৯টি হোমিওপ্যাথি ও বায়োকেমিক ঔষধ প্রস্ত্ততকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। বর্তমানে তারা আনুমানিক ২০০ কোটি টাকার মত ঔষধ বাংলাদেশে উৎপাদন করছে।
এইভাবে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্প অবহেলার প্রতিদান দিচ্ছে,বাংলাদেশি ঔষধ মিয়ানমারে সবচেয়ে বেশি রপ্তানি হচ্ছে।অনেক রাষ্ট্র রয়েছে যে বাংলাদেশের ঔষধ শিল্পের উপর নির্ভরশীল হয়ে আছে।বাংলাদেশে যে ২০টি শীর্ষস্থানীয় ঔষধ কোম্পানি রয়েছে তার মধ্যে ছয়টি বহুজাতিক কোম্পানি যা বিশ্ববাজারে বড় বড় দেশের ঔষধ কোম্পানির সাথে প্রতিযোগিতা করছে।
এখন বাংলাদেশী পণ্যাদির মধ্যে রপ্তনিতে শীর্ষে তৈরি পোষাক,কে জানে অদূর ভবিষ্যৎতে হয়তো সেই স্থানটা ঔষধ নিয়ে নিতে পারে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: