অবৈধভাবে নিজের মিটার থেকে অন্য কাউকে বিদ্যুত দিলে ১০ লাখ জরিমানা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

অবৈধভাবে নিজের মিটার থেকে অন্য কাউকে বিদ্যুত দিলে ১০ লাখ জরিমানা

13 October 2016, 8:06:44

আমাদের নাঙ্গলকোট ডেক্স-
অবৈধভাবে নিজের মিটার থেকে অন্য কাউকে বিদ্যুতের সংযোগ দেওয়া যাবে না। যদি কেউ দেয় তাহলে তাকে ২ বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত জরিমানা গুনতে হবে।

সচিবালয়ে মন্ত্রিসভার বৈঠকে জেল-জরিমানার এ বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করে বিদ্যুৎ আইন-২০১৬ খসড়ার নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম। তিনি জানান, এই আইনের আওতায় বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার কর্মকর্তার সমন্বয়ে বিদ্যুৎ গোয়েন্দা সেল গঠন করা হবে।

খসড়ায় বলা হয়েছে, ব্যক্তি পর্যায়ে বিদ্যুৎ চুরি বা অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়ে ব্যবহার করলে অনধিক তিন বছরের কারাদণ্ড বা চুরি করা বিদ্যুতের মূল্যের দ্বিগুণ জরিমানা বা ৫০ হাজার টাকা জরিমানা হবে। আর শিল্প বা বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই দণ্ড অনধিক ৫ বছর, চুরি করা মূল্যের দ্বিগুণ জরিমানা বা ১ লাখ টাকা জরিমানা। এ ছাড়া বিদ্যুতের তার, ট্রান্সফরমার, খুঁটি চুরি করলে কমপক্ষে ২ বছর, সর্বোচ্চ ৫ বছরের কারাদণ্ড অথবা সর্বনিম্ন জরিমানা ৫০ হাজার আর সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা হবে।

বিদ্যুৎকেন্দ্র বা উপকেন্দ্রের নাশকতা বা অনিষ্ট সাধন করলে সর্বোচ্চ ১০ বছর ও সর্বনিম্ন ৭ বছরের কারাদণ্ড হবে। একই সঙ্গে ১০ কোটি টাকা জরিমানাও দিতে হতে পারে।

এই আইনের আওতায় একটি স্বাধীন সিস্টেম অপারেটর (আইএসও) প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশের বিদ্যুৎ অপারেটরা এর আওতায় আসবে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম জানান, ১৯১০ সালে বিদ্যুতের মূল আইন প্রণয়ন করা হয়েছিল। হাইকোর্টের রায়ের আলোকে এটি ইংরেজি থেকে বাংলায় অনুবাদ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি আইনটি হালনাগাদ করায় এর কলেবর বেড়েছে। তিনি জানান, আইনে প্রধান বিদ্যুৎ পরিদর্শকের পদ সৃষ্টি করা হয়েছে। এ ছাড়া প্রশাসনিকভাবে যে পাওয়ার সেল গঠন করা হয়েছে সেটিকে এই আইনের আওতায় আনা হয়েছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: