অভিশপ্ত হয়ে রইল বুমরার সেই ‘নো-বল! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

অভিশপ্ত হয়ে রইল বুমরার সেই ‘নো-বল!

20 June 2017, 8:10:51

ভারতের বিপক্ষে শারজায় শেষ বলে ছক্কা মেরে পাকিস্তানকে ম্যাচ জিতিয়েছিলেন জাভেদ মিয়াদাদ। সেবার ভারতের হয়ে বল করেছিলেন চেতন শর্মা। শেষ বলে ছক্কা খাওয়া চেতন শর্মার জমে থাকা দুঃখ-যন্ত্রণা ভাগ করার জন্য এত দিন পর আরেকজনের আবির্ভাব ঘটল। তিনি হলেন যাশপ্রীত বুমরা।

চেতনের বলটা ছিল ফুলটস। পাকিস্তানের জিততে দরকার ছিল চার। কোমরের উচ্চতায় আসা বল উড়িয়ে দেন মিয়াঁদাদ। আর ওভালে বুমরা এবং ভারতের অভিশপ্ত ডেলিভারি হয়ে থাকল একটি ‘নো বল’। ১৯৮৬ সালের শারজায় সেই শেষ বলের ছক্কা নিয়ে আজও কথা শুনতে হয় চেতন শর্মাকে। ২০১৭ সালের এই ‘নো বল’ তাড়া করে বেড়াবে বুমরাকে।

ওভালে বুমরার বলে ধোনির হাতে খোঁচা দিয়ে ফিরে যাচ্ছেন ফাখার জামান। কিন্তু জায়ান্ট স্ক্রিন দেখাল বুমরা ‘নো বল’ করেছেন। জামান তখন ৭ বলে ৩ রান করেছেন। পাকিস্তা্নের স্কোর তখন ৩ ওভারে ৭ রান। এরপর সেই যে বাঁচলেন পাকিস্তানের এই বাঁ-হাতি ওপেনার, তারপর তিনি থামলেন ১০৬ বলে ১১৪ রানের দুর্ধর্ষ এক ইনিংস খেলে। এটি তার প্রথম আন্তর্জাতিক সেঞ্চুরি। আর সেটা এল কি না ফাইনালে ভারতের বিরুদ্ধে।

শোনা যাচ্ছে, ফাইনালের এই ‘নো বলের’ নাম পাল্টে নাকি রাখা হবে ‘বুমরা বল’। ক্যারিবিয়ান সাবেক অধিনায়ক ক্লাইভ লয়েড পর্যন্ত লাঞ্চের সময় বলেন, বুমরার ‘নো বল’টাই টার্নিং পয়েন্ট হয়ে থাকল। নিশ্চয়ই বুমরা একা ম্যাচ হারাননি। এমন মহাতারকা ব্যাটিংও তো ফাইনালে টেক-অফই করল না। এদিকে টস জিতে বিরাটের ফিল্ডিং নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। ২০০৩ দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ ফাইনালে টস জিতেও অস্ট্রেলিয়াকে ব্যাট করতে পাঠান সৌরভ গাঙ্গুলি। সেখানেই ম্যাচ শেষ হয়ে যায়। টসের হিসেব ওলটপালট করে দিল বিরাটের ভাগ্যও।

তবু টার্নিং পয়েন্ট হিসেবে থেকে যাবে বুমরার ‘নো বল’টাই। যেমন ছিল ওয়াংখেড়েতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। ওয়েস্ট ইন্ডিজের লেন্ডল সিমন্সকে সে দিন শুরুতেই আউট করেছিলেন অশ্বিন। সেবারও রিপ্লে দেখিয়েছিল, ‘নো বল’ হয়েছে। সেদিন সিমন্স ম্যাচ নিয়ে চলে যান। এ দিন নিয়ে গেলেন জামান।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: