অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়…… প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানি | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সম্পাদকীয় / বিস্তারিত

অমুক্তিযোদ্ধাদের মুক্তিযোদ্ধা পরিচয়…… প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানি

26 May 2014, 2:58:39

alauddin

 

 

 

 

 

 

 

 


মোঃ আলাউদ্দিন মজুমদার

একজন প্রকৃত বীর মুক্তিযোদ্ধা আমাদের কাছে এক একটি বাংলাদেশ। কারণ, তাদের কারণেই ১৯৭১ সালে দীর্ঘ নয় যুদ্ধের পর লাল সবুজ পতাকা আমাদের এই বাংলাদেশ স্বাধীনতা লাভ করে। যুদ্ধ করতে গিয়ে অনেক মুক্তিযোদ্ধা এদেশকে ভালোবাসে তাদের তাজা জীবন উৎসর্গ করেছেন। আবার অনেকেই বরণ করেছেন যন্ত্রনাদায়ক পঙ্গুত্ব। আর যারা বেঁচে আছে তারা বর্তমানে বিভিন্ন কারণে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিতে অসম্মানিত বোধ করছেন। কিন্তু কেন? মুক্তিযোদ্ধারা তো আমাদের গর্ব। আপনারা কেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিতে অসম্মানিত বোধ করেন? এ প্রশ্নটির উত্তর খুঁজে পেলাম একাত্তরের রণাঙ্গনের বীর মুক্তিযোদ্ধা ও নাঙ্গলকোট মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কমান্ডের সদস্য সচিব মোঃ আবুল হাসেমের কাছে। তিনি বলেন- বর্তমানে দেশে ব্যাপক হারে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর তারা যখন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দেয় তখন আমাদের যেতে ইচ্ছে হয়। কারণ, তাদেও অনেকেই গেন যুদ্ধকালীন সময়ে পাকিস্তানীদের তাবেদারী করেছে। আবার অনেকেই ভীরু কা-পুরুষের মতো পালিয়ে গিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছিল। তাহলে তারা যুদ্ধ না করেও কেন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে পরিচয় দিবে?
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের সূত্রমতে, গত ৫ বছরে সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ ১১হাজার ১৫০জন মুক্তিযোদ্ধা সনদ নিয়েছেন। আর অবসরের মেয়াদ বাড়ানোর পর ২১হাজার সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারি সনদ প্রত্যয়নের জন্য আবেদন করেছেন। এর মধ্যে প্রায় ৭হাজার সনদে গরমিল পাওয়া গেছে। তাছাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধার সšানদেও শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও ১হাজার ৬৬৮ জনের সনদে গরমিল পাওয়া গেছে। সম্প্রতি এরকম এক ঘটনায় আলোচনায় উঠে এসেছেন মাদারীপুর জেলার শিবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ,কে,এম মাসুদ খাঁন। এসএসসির সনদ অনুযায়ী তার জন্ম ১৯৭৮ সালে। অথচ তিনি পুলিশে চাকরি নিয়েছেন ১৯৭৭ সালে। অর্থাৎ জন্মের ১ বছর পূর্বে। এদিকে তিনি ২০১০ সালে মুক্তিযোদ্ধার সনদ নিয়ে চাকরির মেয়াদ আরও ১ বছর বাড়িয়েও নিয়েছেন। যা অত্যš লজ্জাজনক।
কিন্তু আসল কথা হচ্ছে তারা এ মুক্তিযোদ্ধা সনদগুলো পায় কোথায়? তাদেরকে এ কাজে কারা সহযোগিতা করে? নিশ্চয়ই সনদ বানিজ্য চলে। যারা একাজে সহযোগিতা করে থাকে তারা সবসময়ই থাকে ধরাছোয়ার বাইরে।
তাই অনতিবিলম্বে তদন্ত পূর্বক ভুয়া মুক্তিযোদ্ধা ও সনদ জালিয়াতির সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হোক। সবশেষে ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধে শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি রইল বিন¤্র শ্রদ্ধা ও আমার অজ¯্র সালাম।

 

লেখক- মোঃ আলাউদ্দিন মজুমদার
সাংবাদিক, লেখক ও সংগঠক
সাধারণ সম্পাদক- নাঙ্গলকোট লেখক ফোরাম।
দপ্তর সম্পাদক- নাঙ্গলকোট প্রেস কাব।
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।
বিএসসি (অনার্স), ১ম বর্ষ, রসায়ন বিভাগ,
চৌমুহনী সরকারি এস এ কলেজ।
চৌমুহনী, নোয়াখালী।
মোবাইল- ০১৯১১৫৩৮০৭৯

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: