‘আইএসের ভিডিওতে কণ্ঠ সাফির’ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

‘আইএসের ভিডিওতে কণ্ঠ সাফির’

4 October 2016, 10:16:53

গুলশানের হলি আর্টিজানে নিহত পাঁচ জঙ্গির ছবিসহ আইএসের (ইসলামিক স্টেট) নামে অনলাইনে ছাড়া ভিডিওতে কণ্ঠ ছিল তাহমিদ রহমান সাফির। গতকাল সোমবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের প্রধান মনিরুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ কথা বলেন।
গত ২৩ সেপ্টেম্বর অনলাইনে ছাড়া ওই ভিডিও সম্পর্কে মনিরুল ইসলাম বলেন, ভিডিওটি বাইরের কোনো এক দেশ থেকে ছাড়া হয়েছে। তবে কোন দেশ থেকে ছাড়া হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তিনি বলেন, ভিডিওটি সফটওয়্যারের মাধ্যমে বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, এটির যে ব্যাকগ্রাউন্ড তা পরে যুক্ত করা হয়েছে। আর এতে কণ্ঠ শোনা গেছে সিরিয়ায় পালিয়ে যাওয়া নব্য জেএমবির সদস্য তাহমিদ রহমান সাফির। সে সাবেক নির্বাচন কমিশনার শফিউর রহমানের ছেলে। সাফি বর্তমানে সিরিয়াতে আছে বলে বিভিন্ন সূত্রে পুলিশ জানতে পেরেছে। দেশে এলেই তাঁকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হবে।
হাসনাত জড়িত কি না, এখনো নিশ্চিত নয় পুলিশ: গুলশান হামলার ঘটনায় হাসনাত রেজা করিম জড়িত কি না বা কতটা জড়িত, সে বিষয়ে জানতে চাইলে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘হাসনাত করিম গুলশান হামলার ঘটনায় দায়ের হওয়া মামলার সন্দেহভাজন একজন আসামি। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। টিএফআই (টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন) সেলেও তাঁকে পাঠানো হয়েছিল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য। টিএফআই সেলের প্রাপ্ত তথ্য এখন পর্যন্ত আমরা পাইনি। সেটা পেলে এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা জিজ্ঞাসাবাদে যতটুকু জানতে পেরেছেন, দুটো মিলিয়ে আমরা একটা উপসংহারে পৌঁছাতে পারব।’
জামিনে মুক্তি পাওয়া তাহমিদ হাসিব খানের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘তাহমিদ গুলশান হামলার সঙ্গে জড়িত না মর্মেই আমাদের কাছে মনে হয়েছে। সেই হিসেবে তাকে এই মামলাতে গ্রেপ্তারও দেখানো হয়নি। সে মূলত পুলিশকে তথ্য না দিয়ে চেপে যায়। পুলিশকে অসহযোগিতার কারণে তাকে ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছিল। সেই ব্যাপারে বিজ্ঞ আদালতে প্রসিকিউশনও দাখিল করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘তদন্তে সাক্ষ্যপ্রমাণে যেটি উঠে এসেছে আমরা সেভাবেই কাজ করছি। আমরা পর্যালোচনা করে দেখেছি, পর্যালোচনা এখনো চলছে। যদি ভবিষ্যতেও তার সম্পৃক্ততা কোনো পর্যায়ে আসে, তাহলে তাকে আবার এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে।’
তাহমিদ কী তথ্য গোপন করেছিলেন, সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘সে যতটুকু তথ্য জানত, সেই তথ্য জানার পর তাকে প্রাথমিকভাবে ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে তাকে কয়েকবার নোটিশ করার পরও সে আর আসেনি। কারণ আরও কিছু প্রাপ্ত তথ্য যাচাই-বাছাই করার জন্য তাকে আমাদের দরকার হয়েছিল। কিন্তু সে সহযোগিতা না করায় তার বিরুদ্ধে বক্তব্য দাখিল করা হয়েছে আদালতে।’
নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাবেক শিক্ষক হাসনাত করিম ও কানাডার টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র তাহমিদকে গত ৪ আগস্ট পুলিশ ফৌজদারি কার্যবিধির ৫৪ ধারায় গ্রেপ্তার দেখায়। পরে হাসনাতকে গুলশান হামলা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। কিন্তু তাহমিদের সম্পৃক্ততা না পাওয়ায় পুলিশ আদালতে তাঁর অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করে। তাহমিদকে গত রোববার আদালত জামিন দেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: