সর্বশেষ সংবাদ
◈ নাঙ্গলকোটে প্রবাসীর স্ত্রীকে চায়ের সঙ্গে ঔষধ মিশেয়ে অচেতন ◈ প্রতিটি আত্মহত্যায় প্ররোচনা দিচ্ছি আপনি-আমিও ◈ হামলা না চালাতে পাকিস্তানকে অনুরোধ ভারতের! ◈ পুঁজিবাজার শক্তিশালী করতে হবে-অর্থমন্ত্রী ◈ সম্পাদক পরিষদের সভাপতি মাহফুজ আনাম, সাধারণ সম্পাদক নঈম নিজাম ◈ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট থেকে পদত্যাগ করেছেন ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শোভন ◈ নাঙ্গলকোটের কৃতি সন্তান তৈরি করেছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ‘এডুবট’ ◈ বিনা খরচে বাংলাদেশিদের জন্য জাপানে চাকরির সুযোগ ◈ কুমিল্লায় চতুর্থ শ্রেণির এক ছাত্রীকে (৯) ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে ◈ তিতাসের জুনাব আলী উচ্চ বিদ্যালয়ের বিদ্যোৎসাহী হলেন জালাল সরকার

আইনজীবীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা : খালেদা জিয়ার মামলা পরিচালনা ব্যাহত!

১৮ অক্টোবর ২০১৮, ৮:৪৩:৩২

এস এম নূর মোহাম্মদ :
বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কারাবন্দি হওয়ার পর মামলা পরিচালনায় তার আইনজীবীদের মধ্যে সমন্বয়হীনতা লক্ষ করা যাচ্ছে। সমন্বয়হীনতার কারণে মামলা পরিচালনাও কিছুটা ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে আইনজীবীদের একাংশ বলেছেন, সমন্বয়ে কোনো সমস্যা নেই।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় রায় ঘোষণার জন্য আগামী ২৯ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে স্থাপিত বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. আখতারুজ্জামান। গত ১৬ অক্টোবর মামলার শুনানি শেষে আদালত এ দিন ধার্য করেন ।  এর আগে খালেদা জিয়ার অনুপস্থিতিতে ওই মামলার বিচার চলার আদেশের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিভিশন আবেদন করেছিলেন তার আইনজীবীরা, যা গত ১৪ অক্টোবর খারিজ হয়। এরপর ওই রিভিশন আবেদন খারিজের বিরুদ্ধে ১৫ অক্টোবর আপিল করা হয়। আগামী রোববার চেম্বার বিচারপতির আদালতে এই আপিলের শুনানি হতে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল।

তবে দুদকের আইনজীবী খুরশিদ আলম খান জানান, তিনি আপিল দায়েরের বিষয়টি শুনেছেন। কিন্তু হাতে কোন কাগজ পাননি। এদিকে কায়সার কামাল ১৫ অক্টোবর আপিল দায়ের করলেও বিষয়টি জানেন না খালেদা জিয়ার অপর আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘বিষয়টি কায়সার কামালের জানার কথা।’

প্রসঙ্গত, বকশি বাজারের আলিয়া মাদ্রাসা থেকে পুরাতন কেন্দ্রীয় কারাগারে আদালত স্থানান্তরের পর সানাউল্লাহ মিয়া ও মাসুদ আহমেদ তালুকদারই কেবল খালেদা জিয়ার আইনজীবী হিসেবে সেখানে মামলা পরিচালনায় অংশগ্রহণ করেছেন। আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় রায়ের দিন ধার্যের সময়ও তারাই আদালত উপস্থিত ছিলেন।

নিয়ম অনুযায়ী, উচ্চ আদালতে বিচারাধীন কোন আবেদনের বিষয়ে নি¤œ আদালত সে বিষয়ে আদেশ দিতে পারেন না। তবে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করলে কায়সার কামাল বলেন, ‘আইন থাকলে পারে না। এখন কি দেশে আইন আছে?’

তবে গণমাধ্যমকে আপিল দায়েরের বিষয়টি আগে জানানো হয়নি কেন? এই প্রশ্নের জবাবে কায়সার কামাল বলেন, ‘সেটা আমার দায়িত্ব না। যারা জানায় তারা মিডিয়াতে নাম প্রচারের জন্য করে। অন্য আইনজীবীদেরও বিষয়টি না জানানো সমন্বয়হীনতা কিনা? এই প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, ‘এটা কোনোভাবেই সমন্বয়হীনতা নয়। আমরা প্রত্যেকে যে যার কাজ করে যাচ্ছি।’

এদিকে খন্দকার মাহবুব হোসেন বলেন, ‘কোর্টতো জানতো না, আমরা আপিল দায়ের করেছি। আর মামলার আসামি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে রয়েছেন। এ অবস্থায় রায় ঘোষণা করা যেতে পারে না।  আপিল হয়েছে, সেখানে কী হয় দেখা যাক। প্রয়োজনে আবারো রায়ের তারিখ পরিবর্তন হতে পারে।’

এর আগে কুমিল্লার হত্যা মামলায় হাইকোর্টে খালেদা জিয়ার জামিনের জন্য শুনানি শেষ করেছিলেন খন্দকার মাহবুব হোসেন। শুনানি শেষ হবার পর বিষয়টি আদেশের অপেক্ষায় ছিলো। তবে আদেশের পূর্ব মুহূর্তে অপর আইনজীবী এজে মোহাম্মদ আলী কুমিল্লার আদালতে যাবার কথা জানিয়ে বিষয়টি নট প্রেস রিজেক্ট করতে আবেদন করেন। পরে হাইকোর্ট বিষয়টি নট প্রেস রিজেক্ট করেন। এরপর কুমিল্লার আদালতে আবেদন করলেও ওই মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন মেলেনি এখনো।

সম্পাদনা : শাহীন চৌধুরী, সালেহ্ বিপ্লব

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: