আগে মেধার লড়াই, তারপর কোটা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সম্পাদকীয় / বিস্তারিত

আগে মেধার লড়াই, তারপর কোটা

11 September 2014, 8:51:03

 

মোঃ আলাউদ্দিন মজুমদার

এদেশে বর্তমান সময়ে একটা ভালো চাকরি মানে সোনার হরিণ। তবে যাদের মামা-খালু আছে, স্বভাবই তাদের চাকরি নিয়ে তেমন চিন্তা করতে হয় না। অন্যদিকে যারা কোনো না কোনো কোটার আওতাভুক্ত তারাও চাকরির ব্যাপারে অনেকটা নিশ্চিত। সামান্য একটু মেধা আর একটা কোটা, ব্যস হয়ে গেলো, চাকরি আর ঠেকায় কে? অথচ যারা সত্যিকারের খুব মেধাবী, তাদের যত চিন্তা। ভালো কোনো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভালো বিষয়ে পড়াশোনা করলেও ভালো কোনো চাকরি হবে কিনা তা নিয়ে সব সময় প্রকৃত মেধাবীদের চিন্তায় থাকতে হয়। মুক্তিযোদ্ধা কোটা- ৩০%, নারী কোটা- ১০%, জেলা কোটা- ৫%, প্রতিবন্ধী কোটা- ৫% এবং উপজাতি কোটা- ৫%। বাকি থাকলো মাত্র ৪৫%। এই ৪৫% হচ্ছে মেধাবীদের তথাকথিত ভরসা। তথাকথিত বলার কারন হচ্ছে- এখানে অলিখিত আরেকটি কোটা আছে। সেটা হলো- লবিং কোটা। মামা কিংবা খালুর সুবাদে যার লবিং জোর যত বেশি, সে চাকরি প্রাপ্তির যোগ্যতায় ততবেশি উপয্ক্তু। অনেক েেত্র আগেই ঠিক করা থাকে, কাকে কাকে চাকরি দেয়া হবে। শুধু লোক দেখানো মৌখিক পরীা হয় মাত্র। এমনিতেই চাকরির সংকট তার উপর আবার এতসব ঘটনা মেধাবীদের দুশ্চিন্তায় নতুন মাত্রা যোগ করছে। তাই এসবের মাঝে হারিয়ে যাওয়ার আতঙ্কে মেধাবীরা। তবে এটাও সত্যি কোটাভুক্তদের মধ্যে অনেকেই মেধাবী থাকতে পারে। কিন্তু সে সংখ্যা খুব বেশি হবে না বলে আমার বিশ্বাস। কোটা ভুক্তদের প্রয়োজনে আরও অনেক সুযোগ দেয়া যেতে পারে তবে সেটা অন্য কোনো উপায়ে। অবশ্যই কাউকে বঞ্চিত করে নয়। একজন মেধাবীকে  টপকিয়ে আরেকজন অপোকৃত কম মেধাবী (অধিকাংশ েেত্র) কেন এগিয়ে থাকবে? এ কেমন ব্যবস্থাপনা? কোটাভুক্তদের এমন কোনো সুযোগ দেয়া হোক যাতে সরাসরী অন্য কেউ বঞ্চিত না হয়। কোটাভুক্তদেরকে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট পরিমানের মাসিক ভাতা দেয়া যেতে পারে অথবা সবার সঙ্গে সমভাবে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে চাকরি প্রাপ্তির পর তাদের বেতন অন্যদের চেয়ে কিছু বা অনেক বেশি দেয়া যেতে পারে। তাহলে অতন্ত মেধার অবমূল্যায়ন হবে না। এছাড়া মেধাবীরাও আর কোটা আতঙ্কে থাকবে না।
আমরা যদি সমধিকারে বিশ্বাসী হই- তাহলে প্রশ্ন হলো- এই কোটা ব্যবস্থা কি সমধিকারের আওতায় পড়ে। তাই আমার মতে আগে মেধার লড়াই, তারপর কোটাভিত্তিক সুবিধা প্রদান করা হোক।


লেখকঃ- মোঃ আলাউদ্দিন মজুমদার
সাংবাদিক, লেখক ও সংগঠক
উদ্যোক্তা- ইয়ূথ জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন
সাধারণ সম্পাদক- নাঙ্গলকোট লেখক ফোরাম
নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।
মোবাইলঃ- ০১৯১১৫৩৮০৭৯

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: