ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ

8 June 2017, 6:52:48

স্টাফ রিপোর্টার, ঝিনাইদহঃ
ঝিনাইদহ সদর উপজেলার সাধুহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নাজির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির অভিযোগ উঠেছে। চাঁদার টাকা পরিশোধ না করায় শ্রমিকদের মারধোর করে পুকুর খনন কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী মৎস চাষী মহসীন হোসেন নিজের জীবনের নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বিচার চেয়ে ঝিনাইদহ পুলিশ সুপারের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ ও সদর থানায় একটি জিডি করেছেন (যার জিডি নং-৩৬,তাং-০১-০৬-১৭ইং)। তিনি বিষয়টি তদন্তপূর্বক প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

লিখিত অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, সম্প্রতি মৎস চাষী মহসীন হোসেন সাধুহাটি গ্রামের পাজাখোলা নামক মাঠে নিজ জমিতে পুকুর খনন করার জন্য শ্রমিক নিয়োগ করেন। সাধুহাটি ইউপি চেয়ারম্যান নাজির উদ্দিন তার দলবল সাথে নিয়ে পুকুর থেকে মাটি বহনকারী গাড়ীগুলো রাস্তা দিয়ে যাওয়া ও পুকুরের মাটি কাটা কাজ বন্ধ করে দেন এবং ৫০হাজার টাকা চাঁদা দাবী করেন। দরাদরির এক পর্যায়ে ২০হাজার টাকায় বিষয়টি মীমাংসা হয়ে যায়।

কিছুদিন যেতে না যেতেই ঐ পুকুর খনন করা দেখেই ফের চেয়ারম্যান নাজির নিজে উপস্থিত হয়ে লেবার হাসান, টিপু ,আরিফুল, রিপন ও মন্টুকে মারধোর করে আহত করে এবং আটকিয়ে রাখে। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় ডাকবাংলা পুলিশ ক্যাম্পের পুলিশ তাদেরকে উদ্ধার করে। ওই সময় লেবারদের স্থানীয় একটি ক্লিনিকে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে আপস মীমাংসার নামে চেয়ারম্যান তার ক্যাডার তাহাজদ্দী ও উজ্জলকে দিয়ে মহসীনের কাছে আবারো ১লাখ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা করেন। বর্তমানে এই টাকা না দেওয়ায় চেয়ারম্যান নাজির পুকুরের খনন কাজ বন্ধ করে রেখেছেন এবং ভুক্তভোগী মৎস চাষী মহাসিন চেয়ারম্যান নাজির ও তার ক্যাডার বাহীনির আতঙ্কে এলাকায় যেতে পারছেন না বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

এঘটনায় সাধুহাটি গ্রামের বাসিন্দা হাজি উমর আলীসহ বেশকিছুজন জানান, একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে চাঁদাবাজি করা তার ঠিক হচ্ছে না। এলাকাবাসীর সুবিধা অনুযায়ী যে যার ইচ্ছামত কাজ করতে পারে। এখানে চেয়ারম্যান তো এই ধরনের কাজ করতে পারে না। ঘটনাটি নিয়ে সাধুহাটি ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নাজির উদ্দিনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি চাঁদাবাজির ঘটনা অস্বীকার করে জানান, অপরিকল্পিতভাবে পুকুর খনন কাজ করা হচ্ছে। যার ফলে এলাকার কৃষি জমি ক্ষতির সম্মুখীন হবে। আমি এলাকাবাসীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুকুর খনন কাজ বন্ধ করে দিয়েছি।  বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও জানিয়েছি। তবে এব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, আমার কাছে এরকম কোন অভিযোগ আসেনি এবং পুকুর খনন কাজ বন্ধের জন্য কোন নির্দেশনাও দেওয়া হয়নি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: