ইলিশ যেন সোনার হরিণ, ধরা যায় না | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

ইলিশ যেন সোনার হরিণ, ধরা যায় না

12 April 2017, 12:20:53

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
পহেলা বৈশাখকে সামনে রেখে এক সপ্তাহের ব্যবধানে দেশের বিভিন্ন স্থানে কাঁচাবাজার গুলোতে ধীরে ধীরে বাড়ছে ইলিশ মাছের দাম। একাধিক কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়- অন্যান্য মাছের দাম অপরিবর্তিত থাকলেও দেখা গেলেও বাড়তি ছিল ইলিশের দাম। এছাড়া গত সপ্তাহের ব্যবধানে গরু ও খাসির মাংসের দাম কিছুটা কমলেও বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারগুলোয় ৬০০ গ্রাম ওজনের প্রতিটি ইলিশের দাম গত সপ্তাহের তুলনায় ২০০ থেকে ২৫০ টাকা বেড়েছে। রাজশাহী মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা মোঃ বাবলুর রহমান রাজশাহীর কণ্ঠ টোয়েন্টিফোর ডটকম আমাদের নাঙ্গলকোট কে জানান, গত সপ্তাহে ইলিশ (৬০০ গ্রাম) বিক্রি হয়েছে ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকায়। বর্তমানে এর মূল্য ৬০০ থেকে ৬৫০ টাকা।

তিনি বলেন, “(ইলিশ) মাছের যোগান এখন কমে গেছে, তাই দাম বাড়ছে। সামনে আরো কমবে। আগে এই সময়ে বাজারে প্রচুর জাটকা আসত। এখন অভিযান এর কারণে ওইটার সাপ্লাই ও কমে গেছে।”

সামনে পহেলা বৈশাখে দাম আরো বাড়তে পারে কি না জানতে চাইলে মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারের মাছ বিক্রেতা মো. গোলাম হোসেন বলেন, “পহেলা বৈশাখের ইলিশ বিক্রি শুরু হয় ১০ তারিখ (১০ এপ্রিল) থেইকা। এই বছর কেমন বেচা-বিক্রি হবে তা জানি না, তবে অন্যান্য বছরের তুলনায় পাবলিক গতবছর (পয়লা বৈশাখ উপলক্ষে) ইলিশ অনেক কম কিনেছে।”

অন্যান্য মাছের মধ্যে পাবদা ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা, রুই ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা, কাতল ২২০ থেকে ৩২০ টাকা, শিং (আকার ভেদে) ৪০০ থেকে ৬৫০, মাগুর ৫০০ টাকা, শোল ৫০০ টাকা, টেংরা ৪০০ টাকা থেকে ৫০০ টাকা, চিংড়ি (মাঝারি) ৪০০ টাকা এবং কাচকি ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।
তবে নববর্ষের প্রথম দিনে খাদ্য তালিকায় ইলিশের বিষয়ে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন রাজশাহী মাস্টারপাড়া কাঁচাবাজারে বাজার করতে আসা মোঃ বদিউজ্জামান বলেন “একে তো পহেলা বৈশাখে ইলিশ নিয়ে বাঙ্গালির আদিখ্যেতা আছে, তার ওপর এই নববর্ষকে ঘিরে মাছের বাজারগুলোর ব্যবসা দেখলে মেজাজ খারাপ হয়। মাছের বাজারে দেখলাম একটা সাধারণ সাইজের ইলিশের দাম এক হাজার ৫০ টাকা।”
তবে তিনি বলেন ইলিশের সাথে কিছুটা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম; ১৪০ টাকা থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬০ টাকায়।

এছাড়া সবজির মধ্যে ঝিঙা ৬০ টাকা, পটল ৫০ টাকা, চিচিঙা ৫০ টাকা, কচুর লতি ৬০ টাকা, করলা (ছোট) ৬০ টাকা, করলা (বড়) ৫০ টাকা এবং বেগুন ৫০ টাকায় বিক্রি হতে দেখা যায়।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: