ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে ক্রেতা সমাগম বাড়ছে ফকিরহাটের ঈদ বাজারে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

ঈদ-উল ফিতরকে সামনে রেখে ক্রেতা সমাগম বাড়ছে ফকিরহাটের ঈদ বাজারে

22 June 2017, 10:40:41

রামিম চৌধুরী, বাগেরহাট ঃ

ঈদুল ফিতরের বাকি আর খুব বেশি নেই। সব ঠিক থাকলে আর মাত্র ৩ দিন পরেই ঈদ উৎসব। পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ফকিরহাটের প্রায় সকল মানুষই কেনা-কাটায় ব্যাস্ত। সকাল থেকে শুরু করে গভির রাত পর্যন্ত ফকিরহাটের বিপনি-বিতান গুলোতে উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। পছন্দের পোষাকের খোজে ক্রেতারা ছুটছে এক মার্কেট থেকে আর এক মার্কেট। তাই তাদের চাহিদার ওপর ভিত্তি করে বিক্রেতারা নানান রং ও ডিজাইনের পোষাকের সমাগম করেছেন তাদের দোকানে। পোষাকের মান ও ডিজাইনে সন্তুষ্ট ক্রেতারা। ঈদ বাজারে তরুন-তরুনীদের কাছে এবার শীর্ষে আছে ভারতীয় পোষাক বাহুবলি ২, হুররাম সুলতান। তা ছাড়াও বাহুবলি-সুলতান থেকে পিছিয়ে নেই সারারা, লাসা। এছাড়াও লেহেঙ্গা, গাউন, ফ্লোর টাচ, থ্রি-পিচ ও শাড়ির ক্রেতার অভাব নাই ফকিরহাটের ঈদ বাজারে। বাজারে ছেলেদের পাঞ্জাবি, শার্ট, প্যান্ট এগুলোর চাহিদাও রয়েছে প্রচুর। তবে শুধু বিপনি-বিতানই নয় জুতা ও কসমেটিকসের দোকানেও চলছে দারুন বেচাকেনা। ক্রেতারা বলছেন-“পোষাকের নাম যাই হোক তা শুধুমাত্র তাদের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্যে। পোষাক আগের মতই, শুধু ডিজাইন এদিক-ওদিক করে আলাদা আলাদা নাম দেওয়া হয়েছে।” এবার ঈদে দেশী-বিদেশী  দুই ধরনের পণ্যেরই চাহিদা রয়েছে সমান ভাবে।  ক্রেতারা তাদের সামর্থ অনুযায়ী ঈদের পোষাক কিনছে। তবে বিক্রেতাদের মুখে শোনা যাচ্ছে অন্য কথা। তারা বলছেন-“ গত বছরের তুলনায় এবছর বেচা-কেনার হার খুব কম। ফকিরহাটের বেশির ভাগ মানুষের প্রধান আয়ের উৎস হল চিংড়ি চাষ ও বিভিন্ন দেশে তা রপ্তানি করা। কিন্তু এবছর অধিক বন্যা ও চিংড়ির মূল্য হ্রাসের কারনে ফকিরহাটের বেশির ভাগ মানুষের আর্থিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে।” ২০ রোজা পর্যন্ত ফকিরহাটের ঈদ বাজারে কোন বেচা-কেনা ছিল না কিন্তু তার পর থেকে বেচা-কেনার হার বেড়েছে বলে জনান বিক্রেতারা। সাধারন জনগনের অভিযোগ ঈদকে সামনে রেখে তৎপর হয়েছে  মলম পার্টি, চোর ও ছিনতাইকারীরা। ইতমধ্যে গতকাল রাতে ফকিরহাটের হোচলা গ্রামে সাধারন জনগন হাতেনাতে এক মোটরসাইকেল চোরকে ধরে গনপিচুনী দেয়। তাই ফকিরহাটের জনসাধারন ঈদ উপলক্ষে প্রশাসনের কছে বাড়তি নিরাপত্তার দাবি জানিয়েছেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: