এই সেঞ্চুরিও সেই কষ্টই হয়ে থাকল ইমরুলের | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

এই সেঞ্চুরিও সেই কষ্টই হয়ে থাকল ইমরুলের

8 October 2016, 9:03:04

ফতুল্লা আর মিরপুরের দূরত্ব নাকি ৩০ কিলোমিটারের একটু বেশি। কিন্তু ইমরুলের ব্যাটিং দেখে তো মনে হচ্ছে একই মাঠ! গত মঙ্গলবারই ইংল্যান্ডের বোলারদের পাড়ার মানে নামিয়ে এনেছিলেন ফতুল্লায়। দুদিন পরও দেখা দিলেন সেই ইমরুল, আবারও সেঞ্চুরি। ১১৯ বলে ১১২ রানের যে সেঞ্চুরিতে আশা ফিরে পেয়েছিল বাংলাদেশ। কিন্তু সতীর্থদের ব্যর্থতা ট্র্যাজেডির নায়কই বানিয়ে দিল তাঁকে।
সেঞ্চুরিটা বেশ অদ্ভুতভাবেই এসেছে ইমরুলের। ডেভিড উইলির বলটি সোজা তাঁর দিকেই খেলেছেন ইমরুল। কী বুঝে যে বলটি ইমরুলের দিকে ছুড়লেন উইলি, বোঝা গেল না। বলটি স্টাম্পে লেগে পেরিয়ে গেল বাউন্ডারি, চার! ব্যস, সেঞ্চুরি হয়ে গেল ইমরুলের। ১০৫ বলে ১০২ রান, ১১টি চার ও ২টি ছক্কা। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি ইমরুলের। ৪৯ ইনিংস ও সাড়ে ছয় বছর পর ওয়ানডে সেঞ্চুরি পেলেন তিনি।
তা-ও সেটা কোন ম্যাচে? সৌম্য সরকারের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন আজ। আফগানিস্তানের বিপক্ষে এক ম্যাচ খেলেই আর একাদশে সুযোগ পাননি। সেই দুঃখের কথা প্রস্তুতি ম্যাচের সেঞ্চুরির পরই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন, অসাধারণ কিছু করেই দলে থাকতে চান। এ ধরনের অনেক কথাই শোনা যায়। অনেকেই এ রকম আশা দেখান। সেটা কাগজে-কলমে দেখাতে পারেন কজন? ইমরুল কথা রাখলেন, করে দেখালেন।
ওয়ানডে ক্যারিয়ারে এটা ইমরুলের দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। প্রথম সেঞ্চুরিটা ২০১০ সালে ক্রাইস্টচার্চে, নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে। ওই ম্যাচটাতেও জেতার কিছুটা আশা জাগিয়েছিল বাংলাদেশ। তবে কাল দল না জেতার কষ্টটাই বেশি পোড়াবে তাঁকে।
এক প্রান্তে সতীর্থরা আসছেন-যাচ্ছেন। সাকিব আল হাসান (৫৫ বলে ৭৯ রান) উইকেটে আসার আগে কেউ ইমরুলকে বেশিক্ষণ সঙ্গই দিতে পারেননি। কিন্তু নিজের কাজটি নিজেই করে যাচ্ছিলেন। ১৮তম ওভারেই পেয়ে গেলেন ফিফটি, ৫৫ বলে। তাতে ৭টি চার ও ২টি ছক্কা। সেই ফিফটি সেঞ্চুরি হলো ৩৭তম ওভারে। এর মধ্যে অবশ্য আর কোনো ছক্কা মারেননি, চার মেরেছেন ৪টি। কিন্তু বল নষ্ট করেননি একটিও। ঠিক ৫০ বলেই ৫০ রান এই সময়ে।
অথচ ৮১ রানের সময়ই মাঠ থেকে উঠে আসতে পারতেন ইমরুল। কভারে বল ঠেলেই দৌড় দিয়েছিলেন, বেন স্টোকসের মিস ফিল্ডিংয়ের সুযোগে দুই রান নিতে গিয়েই ঝামেলা করলেন, পায়ের পেশিতে টান পড়ল। কিন্তু হাল ছাড়েননি, পরের ৩৪ বলে করলেন ৩১ রান। সাকিবের পরে অন্যরা যখন আবারও আসা-যাওয়ার দৌড়ে নামলেন, তখনো আশার আলো হয়ে ছিলেন তিনি। কিন্তু আদিল রশিদের বলে এগিয়ে এসে আর ফিরতে পারলেন না, পায়ের পেশি ফিরতে দিল না তাঁকে। জয় থেকে বাংলাদেশ তখনো ৩০ রান দূরে।
জয়টা অধরাই রইল বাংলাদেশের। পায়ের চোট নিয়েও যে দৃঢ়তা দেখালেন ইমরুল, সেটা যে সাকিব ছাড়া আর কেউই দেখাতে পারলেন না!

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: