ওয়ার্নার ঝড়েও লজ্জা এড়াতে পারল না অস্ট্রেলিয়া | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

ওয়ার্নার ঝড়েও লজ্জা এড়াতে পারল না অস্ট্রেলিয়া

13 October 2016, 12:40:26

স্পোর্টস ডেস্ক :আরও একবার বোলারদের উপর ছড়ি ঘোরালেন ডেভিড ওয়ার্নার। দক্ষিণ আফ্রিকার ছুড়ে দেওয়া কঠিন চ্যালেঞ্জে লড়লেন একা,  করলেন আরেকটি দারুণ শতক। কিন্তু দলকে হোয়াইটওয়াশড হওয়ার লজ্জা থেকে বাঁচাতে পারলেন না; ৩১ রানে হেরেছে  অস্ট্রেলিয়া।

এক পাশ আগলে রেখে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের বিধ্বংসী উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান রোমাঞ্চকর জয়ের আশা জাগিয়েছিলেন; কিন্তু শেষটায় আর পারেননি। টানা পঞ্চম হারে নিজেদের ক্রিকেট ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যবধানে সিরিজ হারের লজ্জায় ডুবেছে ওয়ানডে র্যাং কিংয়ের সেরা অস্ট্রেলিয়া।

বুধবার কেপটাউনের নিউল্যান্ডসে ৮ উইকেটে ৩২৭ রানের বিশাল স্কোর গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা। জবাবে ২৯৬ রানেই থেমে যায় অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস।

এই প্রথম পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজের সবকটিতে হারলো অস্ট্রেলিয়া। এর আগে সবশেষ তারা সিরিজের সবকটি ম্যাচে হেরেছিল ২০০৬-০৭ মৌসুমে; নিউ জিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচের সিরিজে।

বলার অপেক্ষা রাখে না, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে এবারই এল দক্ষিণ আফ্রিকার সবচেয়ে বড় ব্যবধানে সিরিজ জয়। ২০০৯ সালে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে ৪-১ এ জিতেছিল প্রোটিয়ারা।

একাই লড়া ওয়ার্নারের ব্যাট থেকে আসে অস্ট্রেলিয়ার মোট সংগ্রহের অর্ধেকেরও বেশি রান। এই সিরিজে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারে নবম ওয়ানডে শতক করার পথে ১৭৩ রান করেন তিনি। এক দিনের ক্রিকেটে এই নিয়ে তৃতীয়বার দেড়শ’ ছাড়ানো ইনিংস খেললেন।

হোয়াইটওয়াশ এড়াতে এই মাঠে রান তাড়ার রেকর্ড গড়তে হতো অতিথিদের। সে লক্ষ্যে শুরুটা খারাপ ছিল না, অ্যারন ফিঞ্চের সঙ্গে ৭২ রানের জুটি গড়েন ওয়ার্নার। যদিও এর প্রায় পুরোটাই তার একার অবদান। ইমরান তাহিরের বলে ফিঞ্চ (৪০ বলে ১৯) বোল্ড হলে ভাঙে ১৩.৪ ওভার স্থায়ী জুটি।

ইনিংসের বাকি সময়টাতেও এই একই চিত্র। এক প্রান্ত আগলে রেখে ব্যাট চালিয়ে গেলেন ওয়ার্নার, আর দেখলেন আরেক দিকে সতীর্থদের যাওয়া আসা। অবশেষে ৪৮তম ওভারের প্রথম বলে বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের রান আউটে অস্ট্রেলিয়ার শেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে যায়।

প্যাভিলিয়নে ফেরার আগে ১৩৬ বলের মারমুখী ইনিংসে ২৪টি চার মারেন ওয়ার্নার। অবশ্য ১১ রানে স্লিপে একবার জীবন পেয়েছিলেন তিনি। অতিথিদের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৫ রান করে করেছেন মিচেল মার্চ ও ট্র্যাভিস হেড।

দক্ষিণ আফ্রিকার ইমরান তাহির, কাগিসো রাবাদা ও কাইল অ্যাবট ২টি করে উইকেট নেন।

এর আগে টস জিতে ব্যাট করতে নামা স্বাগতিকরা ৫২ রানে তিন উইকেটে হারিয়ে কিছুটা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছিল। তবে চতুর্থ উইকেটে সিরিজ সেরা রাইলি রুশো ও জেপি দুমিনির ১৭৮ রানের জুটিতে বিশাল সংগ্রহ গড়ে দক্ষিণ আফ্রিকা।

সিরিজে দ্বিতীয় ও ক্যারিয়ারে তৃতীয় ওয়ানডে শতক করা রুশো ১২২ রান করেন। ১১৮ বলের ইনিংসে ১৪টি চার ও ২টি ছক্কা মারেন তিনি। আর ৭৫ বলে ৮টি চারের সাহায্যে ৭৩ রান করেন দুমিনি।

অস্ট্রেলিয়ার জো মেনি ও ক্রিস ট্রেম্যাইন ৩টি করে উইকেট নেন।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

দক্ষিণ আফ্রিকা: ৫০ ওভারে ৩২৭/৮ (ডি কক ১২, আমলা ২৫, দু প্লেসি ১১, রুশো ১২২, দুমিনি ৭৩, মিলার ৩৯, ফেহলুকওয়াহো ১১, রাবাদা ৯*, অ্যাবট ০, স্টেইন ৬*; মেনি ৩/৪৯, ট্রেম্যাইন ৩/৬৪, বোল্যান্ড ২/৬৮)

অস্ট্রেলিয়া: ৪৮.২ ওভারে ২৯৬ (ওয়ার্নার ১৭৩, ফিঞ্চ ১৯, স্মিথ ০, বেইলি ২, মার্শ ৩৫, হেড ৩৫, ওয়েড ৭, মেনি ০, ট্রেম্যাইন ০, জ্যামপা ৬*, বোল্যান্ড ৪; ইমরান ২/৪২, অ্যাবট ২/৪৮, রাবাদা ২/৮৪, ফেহলুকওয়াহো ১/৫১)

ফল: দক্ষিণ আফ্রিকা ৩১ রানে জয়ী

সিরিজ: ৫-০ ব্যবধানে দক্ষিণ আফ্রিকার

ম্যাচ সেরা: ডেভিড ওয়ার্নার (অস্ট্রেলিয়া)

সিরিজ সেরা: রাইলি রুশো (দক্ষিণ আফ্রিকা)

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: