কপোতক্ষের বুক দখল করে কাঠ কয়লা ব্যবসা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

কপোতক্ষের বুক দখল করে কাঠ কয়লা ব্যবসা

14 July 2017, 10:04:03

Normal
0

false
false
false

EN-US
X-NONE
X-NONE

MicrosoftInternetExplorer4

/* Style Definitions */
table.MsoNormalTable
{mso-style-name:”Table Normal”;
mso-tstyle-rowband-size:0;
mso-tstyle-colband-size:0;
mso-style-noshow:yes;
mso-style-priority:99;
mso-style-qformat:yes;
mso-style-parent:””;
mso-padding-alt:0in 5.4pt 0in 5.4pt;
mso-para-margin:0in;
mso-para-margin-bottom:.0001pt;
mso-pagination:widow-orphan;
font-size:11.0pt;
font-family:”Calibri”,”sans-serif”;
mso-ascii-font-family:Calibri;
mso-ascii-theme-font:minor-latin;
mso-fareast-font-family:”Times New Roman”;
mso-fareast-theme-font:minor-fareast;
mso-hansi-font-family:Calibri;
mso-hansi-theme-font:minor-latin;
mso-bidi-font-family:”Times New Roman”;
mso-bidi-theme-font:minor-bidi;}

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা ব্যুরো:

কপোতাক্ষের বুকে এখন দখলের রাজত্ব। দখল করে সেখানে কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ব্যবসা জমজমাট করছে একটি সংঘবদ্ধ দল। রাজনৈতিক ছত্রছায়া এবং প্রশাসনকে খুশি করে ধরণের কাজ করছে বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।
সরেজমিন দেখা গেছে, পাইকগাছা উপজেলার চাঁদখালী ইউনিয়নের (৬নং ওয়ার্ড) চককাওয়ালী কানোয়াডাঙ্গা এলাকায় অবাধে চলছে কাঠ কয়লার ব্যবসা। এখানে কপোতক্ষ নদের চর দখল করে চালাচ্ছে কয়লা চুল্লি। দূর থেকে গন্ধ এবং ওপরে কালো ধোঁয়ার আস্তরণ দেখলেই বোঝা যায় সেখানে কি রয়েছে। সেখানে যেতেই চোখে পড়বে কাঠের ঢিবি। নদীর বুকে যেন জ্বলছে আগুন। আবার নতুন করে চর দখল করে রেখেছে একাধিক প্রভাবশালী ব্যক্তি। সেখানে তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন চুল্লি। রয়েছে কয়লা ভরা বস্তার সারি। নিষিদ্ধ প্লাস্টিকের বস্তা। দিনে খুব বেশি বোঝা না গেলেও সন্ধ্যার বা রাতে চলে ফায়ারিং (নতুন করে চুল্লিতে আগুন দেওয়া) এর কাজ। তখন এলাকাজুড়ে ঢেকে যায় কালো ধোঁয়ার আস্তরণে। এখানে হালিম রেজা মিঠু ২টি, মোঃ মিনারুলের ৪টি, শাহাদাতের ৫টি, সাবেক ইউপি সদস্য আব্দুল হালিম খোকনের ৪টি, সামাদ আজাদ তার ভাই হাসিবের ৪টি চুল্লি রয়েছে। এলাকায় আরো নতুন নতুন চুল্লি তৈরির জন্য জায়গা বাছাই হচ্ছে। সেখানেও চলছে চুল্লি তৈরির কাজ।
চককাওয়ালী এলাকার শরিফুল ইসলাম (ছদ্ম নাম) জানান, এখানে কথা বলার মত কাউকে পাওয়া যাবে না। অনেক নেতা আর প্রশাসনকে তারা ম্যানেজ করে চলে। এখানে মসজিদ, মাদ্রাসা, জনবসতি, ফসলী জমি, রাস্তাসহ রয়েছে কোমলমতি শিশুদের প্রাথমিক বিদ্যালয়। এতো মানুষের সমস্যা তারপরও কেউ কথা বলে না তাদের বিরুদ্ধে। কারণ তারা সংঘবদ্ধ হয়ে কাজ করে। চুল্লির কোনও চিমনি না থাকায় ধোঁয়া সহজেই এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। এখনই ধরণের পরিবেশবিরোধী কাজ বন্ধ করা উচিত।
কানোয়াডাঙ্গা এলাকার মরিয়ম বেগম জানান, ‘কাগের কথা কবো। আমাগের এলাকার মানুষগে কাশি থামে না। সন্ধ্যের দিকে চোখ জ্বালাপোড়া হয়। ছেলেমেয়েরা পড়তি পারে না। সবার ঘরে ধোমা ধোমা (ধোঁয়া) হয়ে যায়।
ইউপি সদস্য (সংরক্ষিত , ৬নং ওয়ার্ড) মাহমুদা জামান বলেন, ওখানে ধরণের চুল্লি আছে সেটি সবাই জানে। এলাকাবাসী বিষয় নিয়ে আমার কাছে কোন ধরণের অভিযোগ করেনি। তবে এটিতে ক্ষতি হয় সেটি আমিও জানি।
কয়লা চুল্লির স্বত্বাধিকারী হালিম রেজা মিঠু জানান, কাজের পরিবেশ অধিদপ্তরের কোন ছাড়পত্র নেই। আমি ব্যবসা শুরু করেছি অল্প কিছুদিন। এলাকার অনেকে ব্যবসা করে। কারো সমস্যা হয় কিনা জানি না। প্রশাসনের কোন অনুমোদন আমাদের কারো নেই।
চাঁদখালী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযুদ্ধা জোয়াদুর রসুল বাবু বলেন, কয়লা তৈরি করে এটি আমি জানি কিন্তু কে কার কথা শোনে। রাজনৈতিকভাবে অনেকটা চাপের মুখে আমাদের থাকতে হচ্ছে। তারা দলীয় প্রভাব খাটিয়ে ধরণের কাজ করছে।
পাইকগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ ফকরুল হাসান জানান, ধরণের কাজ হচ্ছে উপজেলা প্রশাসনের জানা নেই। তাছাড়া ধরণের অবৈধ কাজের জন্য পাইকগাছা উপজেলা প্রশাসন শিগগিরই ব্যবস্থা নেবে। দেখতে হবে তাদের কোনও কাগজপত্র আছে কিনা

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: