কান্দাল পরিবারের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

কান্দাল পরিবারের বৃক্ষরোপন কর্মসূচী পালিত

7 August 2020, 9:26:32

 

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার দৌলখার ইউনিয়নের ৮ ও ৯ নং ওয়ার্ড বৃহত্তর কান্দাল গ্রামের তরুণ প্রজন্মের সমন্বয়ে গঠিত কান্দাল পরিবারের পক্ষে থেকে ১৬ টি মসজিদ ও মাদ্রাসা স্কুল সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় বৃক্ষ রোপন করা হয়। বৃক্ষরোপণ হোক সামাজিক আন্দোলন স্লোগানকে সামনে রেখে তাদের কর্মসূচি পালিত হয়।

একটি গাছ পঞ্চাশ বছরে যে উপাদান ও সেবা দিয়ে থাকে তার আর্থিকমূল্য প্রায় চল্লিশ লাখ টাকা। একটি গাছ এক বছরে দশটি এসি’র সমপরিমাণ শীতলতা দেয়, ৭৫০ গ্যালন বৃষ্টির পানি শোষণ করে, ৬০ পাউন্ড ক্ষতিকর গ্যাস বাতাস থেকে শুষে নেয়। এক হেক্টর সবুজ ভূমির উদ্ভিদ সালোকসংশ্লেষণ চলাকালে প্রতিদিন গড়ে নয়শ’ কেজি কার্বন ডাই অক্সাইড গ্রহণ করে এবং ৬৫০ কেজি অক্সিজেন প্রকৃতিতে ছেড়ে দেয়। এছাড়াও বৃক্ষরাজি ৮৯ থেকে ৯০ ভাগ শব্দ শোষণ করে দূষণ থেকে আমাদের রক্ষা করে। নিমগাছের শব্দ শোষণ ক্ষমতা সবচেয়ে বেশি। বৃক্ষরাজি আবহাওয়ার তাপমাত্রা হ্রাস করে, বাতাসে আর্দ্রতা বাড়ায় ও ভূমিক্ষয় রোধ করে। তাই পরিবেশ রক্ষায় গাছ লাগানোর কোনো বিকল্প নেই।

পরিবেশ রক্ষায় প্রয়োজনের তুলনায় আমাদের দেশে বৃক্ষরাজি অনেক কম। তাই সচেতনতা বাড়াতে আমাদের কান্দাল পরিবার বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি হাতে নিয়ে তা বাস্তবায়ন করেছে এবং প্রতি বছর এ ধারাবাহিকতা বজায় থাকবে বলে আমরা সকলেই প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। সামাজিক বনায়ন কর্মসূচি, বসতবাড়ি বনায়ন কর্মসূচি, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি, ফলদ-বনজ-ভেষজ বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম, ফলদ বৃক্ষমেলা প্রভৃতি আমাদের কর্মসূচির অংশ হিসেবে থাকবে।

একবিংশ শতাব্দীতে এসে সবুজ শ্যামল পৃথিবীর অস্তিত্ব আজ বিপন্ন।বিষাক্ত গ্যাসের কবলে পৃথিবীর বাতাস হয়ে উঠেছে ভারি এবং প্রাণীর জীবনকে করে তুলছে দুর্বিষহ। ঠিক এমনই বিশ্বের শ্রেষ্ঠ সন্তানেরা এ সুন্দর ভুবনকে রক্ষার জন্য প্রাণী জগতের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য একটি মাত্র পথ আবিষ্কার করলেন,আর তা হলো “বৃক্ষরোপণ”।

প্রতিটি সমাজ দেশ পরিবর্তন হয় তখনই, যখনই তরুণ প্রজন্ম একত্রিত হয়ে একটি উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখে। এ প্রজন্মকে নিয়ে আমরা হয়তো চিন্তাগ্রস্থ হয় তাদের সোশ্যাল একটিভিটি দেখে কিন্তু তাদের মননশীল কাজের স্বীকৃতি আমরা কখনো দেই না। আসুন এ প্রজন্মকে উৎসাহিত করে তাদের কাজকে আমরা সুদুরপ্রসারী পর্যন্ত নিয়ে যাই। একটি আদর্শ গ্রাম প্রতিষ্ঠা করতে হলে এমন কাজে সকলকে সংঘবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।
আজকের একতাবদ্ধ প্রমাণ করে সামনের সমাজ হবে সুন্দর সুশৃংখল এবং শিক্ষার আলোয় আলোকিত।

অনেক অনেক কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ: আকরাম হোসাইন, ইমাম হোসাইন, সাকিব হোসেন মজুমদার, খালেদ সাইফুল্লাহ সিফাত, জাকের, আইয়ুব আলী মজুমদার, শহীদ উল্লাহ সহ আরো অনেক অনেক প্রিয় মুখ। যাদের নাম না জানা। যে সকল প্রজন্মের সূর্যসারথিরা উপস্থিত হয়েছে সকলকে অনেক অনেক ধন্যবাদ।

যেই দেশে নাই তরু
সেই দেশ হয় মরু’

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: