কুন্তলা :- সাফিয়া খন্দকার রেখা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা

কুন্তলা :- সাফিয়া খন্দকার রেখা

7 April 2017, 8:18:16

 

বদলে গেছ খুব —
এতো বড় চুলগুলো কেটে এতো ছোট করে ফেললে?
যদিও ছোট চুলে তোমায় অতি আধুনিকা লাগছে
কিন্তু লাবন্যতা হারিয়েছে অনেকটা ।

আমার পুরুষের অতি আধুনিকা চাই
তোমার মতো কবিতার নেশায় বুধ হয়ে থাকেনা
আজ এদেশ তো কাল অন্যদেশ
আমি বড় চুলে বেমানান ছিলাম ।

ওহ!! তাহলে ঠিক আছে
কিন্তু মুখে এসব না মাখলেও পারতে
তুমি ন্যাচারাল বিউটি
একটি মাত্র টিপেই তোমাকে অপূর্ব লাগতো ।

তুমি দেখছি তেমনই আছো অনিন্দ্য,
একটুও বদলাওনি
আমার ছোট চুল, ভারি মেক-আপ দেয়া মুখে টিপ মানায় না গো গোঁসাই………..

কি বললে, “গোঁসাই”!!!
কতো বছর পর তোমার মুখে এ সম্বোধন
মনে আছে তাহলে?

অনিন্দ্য……….
কবিতার আড্ডাগুলোতে এখনো নিয়মিত যাও?
এখনো কি আলাপহীন পলকহীন তাকিয়ে থাকো চাঁদের চোখে?
নাকি চোখ বন্ধ করে ইরেজারে মুছতে থাকো সেই—-

হ্যা যাই, কতো পথ হাঁটি,
কতো মাঠ ছুটি
আগের তুলনায় বেড়েছে এসব আরো ।
সময় কোথা সময় নষ্ট কোরবার!
ঘুরে ঘুরে ক্লান্ত না হলে ঘুম আসে না যে ।

তোমার বউ এসব মেনে নেয়?
সংসার চলে কি করে?

হা…হা…হা!!! বউ,সেতো একগাদা বই আর ল্যাপটপ
ওদের কোনো কমপ্লেন নেই
বাবা যে একতলা বাড়িটি রেখে গিয়েছিলেন
দক্ষিণের জানালার সেই রুমটি
যেটি তোমার খুব প্রিয় ছিল………ওটিই সংসার ।
অন্য ক’টির ভাড়ায় চলে যায়।

আমায় এ ভাবে দেখে তোমার ভাল লাগেনি আমি জানি,
আমি তো আমি নেই–
অনেক বড় মাপের ব্যাবসায়ী আমার পুরুষ ।
কত শত পার্টি, বায়ার,দেশ বিদেশে
কত ক্ষুধার্ত শকুনের চোখ আমার শরীর ময়

কুন্তলা –এসব থাক

আহা–আমি কুন্তলা!
দেখো মাথা ভরা বুনো চুল তাও আবার রঙ বে রঙের,
কখোন কখোন প্রতিদিন পার্লারে যাই।

শাড়ি কি একেবারেই ছেড়ে দিয়েছ কুন্তলা?
চওড়াপাড় তাঁতের শাড়ি, হাত পেঁচিয়ে খোঁপা কি অপূর্ব লাগতো তোমায়!

এখন বুঝি খুব বাজে লাগছে?

না তা ঠিক না, মানে হয়েছে কি,
মানে বলছিলাম
হয়েছে, আর মানে মানে করতে হবেনা,
আজ এখানে আসার আগে তোমার দেয়া
সাদাকালো শাড়িটি পরেছিলাম,
আয়নায় দাঁড়িয়ে দেখলাম,আয়না বলে উঠলো, মিসেস চৌধুরীকে বেমানান লাগছে।
বাদ দাওতো
আজ কিন্ত আমি মিসেস অনিন্দ্যকে দেখবো বলেই এসছি —

ওহ,তা দেখা হোল?

অনি–কেমন মানুষ তুমি!
একটু ও ঘৃণা নেই কেন তোমার!!
বইটি উৎসর্গ করার আর কোন মানুষ খুঁজে পেলেনা,এই এতো বড় বিশাল পৃথিবীতে?
যে নারী কষ্টের সমুদ্রে সাঁতার কাটতে শিখিয়ে দিলো,
আজও এত প্রেম তার জন্য!!
আমায় মুক্তি দাও অনিন্দ্য —

বেহায়া মন,ক্লান্ত শরীর সাধ্যাতীত চেষ্টা করে চলছে,
অবাধ্য এ মনকে আর কোন অনুরোধ কোরনা কুন্তলা —-

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: