কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উত্তর শাকতলীতে মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ

৩ জুলাই ২০১৯, ৩:৪৩:১৭

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে শারমিন আক্তার (১৬) নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রবিবার (৩০ জুন) রাতে উপজেলার পেড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শাকতলী গ্রামে ঘটনাটি ঘটে।

নিহত শারমিন আক্তার পেড়িয়া মহিলা মাদ্রসার দশম শ্রেণির ছাত্রী এবং পেড়িয়া ইউনিয়নের উত্তর শাকতলী গ্রামের রিকশা চালক আমিনুল ইসলামের মেয়ে। অভিযুক্ত রাসেল হোসেন একই গ্রামের কামাল হোসেনের ছেলে।

নিহতের চাচী সুলতানা আক্তার নতুন কুমিল্লাকে বলেন, রবিবার (৩০ জুন) রাত প্রায় ১২টায় তার স্বামী মোস্তফা বাড়ি আসার পর শারমিনদের ঘরে কথা বলার আওয়াজ শুনা যায়। এসময় আমার স্বামী লম্পট রাসেলের বাবা কামাল হোসেনকে তাদের বাড়ি থেকে

শারমিনের বাড়িতে নিয়ে আসেন। কামাল হোসেন ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুকে রাসেল এবং শারমিনকে ঘরে দেখতে পান।

পরে কামাল হোসেন ও তার ছোট ছেলে ফয়সাল রাসেলকে তাদের ঘরে নিয়ে মারধর করেন। ঘটনার পর ওই দিন রাতে রাসেলের ফুফু পারভিন, আকলিমা, বোন কামরুন নাহার শারমিনকে টানাটানি করে তাদের ঘরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন। সোমবার সকালে শারমীনকে ঘরের ভুতুরের সাথে কাপড়ের রশি দিয়ে বাঁধা ঝুলন্ত অবস্থায় পাওয়া যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

শারমিনের বাবা আমির ইসলাম জানান, অনেকের সাহায্য নিয়ে এবং রিকশা চালিয়ে অনেক কষ্ট করে মেয়েটিকে পড়া লেখা করাচ্ছি। মেয়েটিকে নিয়ে অনেক স্বপ্ন ছিল। আমি আমার মেয়ের হত্যাকারীদের বিচার চাই।

স্থানীয় একজন সরদার জানান, উভয় পক্ষ চাইতেছে বিষয়টি স্থানীয় ভাবে মিমাংসা করার জন্য। মঙ্গলবার বিষয়টি নিয়ে সালিশ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল কিন্তু সালিশ হচ্ছে না। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত কামাল হোসেন, রাসেলসহ পরিবারের সবাই পলাতক রয়েছে।

এ বিষয়ে মঙ্গলবার নাঙ্গলকোট থানার পদির্শক (তদন্ত) আশ্রাফুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

তথ্যসূত্র :নতুন কুমিল্লা।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: