কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যার ২৯ দিন পর লাশ উত্তোলন | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

কুমিল্লা নাঙ্গলকোটে চাঞ্চল্যকর সুমন হত্যার ২৯ দিন পর লাশ উত্তোলন

26 May 2014, 3:16:20

somon

 

 

 

 

আমাদের নাঙ্গলকোট ডেস্ক:
কুমিল্লা নাঙ্গলকোট উপজেলার হেসিয়ারা গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে সুমন (১৯) কে রাতের আধাঁরে ঘুম থেকে ডেকে নিয়ে সহপাঠিরা নির্মম ভাবে হত্যা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে ।
ঘটনার পর থেকে স্থানী প্রভাবশালী মহল ধামা চাপা দেয়ার জন্য মিমাংশা করবে বলে ময়নাতদন্ত ছাড়া লাশ দাফন করায়। হত্যার ২৯ দিন পর বুধবার সকালে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম পিপিএম ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ সহ ময়নাতদন্তের জন্য লাশ উত্তোলন করে। এদিকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য নিহতের পিতা হারুন মিয়া কে হুমকি দিচ্ছে আসামীরা। মামলার বাদী হারুন মিয়া জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় বিভিন্ন স্থানে পালিয়ে বেড়াচ্ছে।
মামলার বিবরণ ও স্থানীয় সূত্রে জানাযায়, গত ২২ এপ্রিল গভীর রাতে একই গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে মাসুম মিয়া ও রবিউল মিয়ার ছেলে ফারুক সহ তার সহপাঠিরা মিলে সুমনকে নেশা জাতীয় মাদকদ্রব্য খাওয়াইয়া মাতাল করে এবং পাষবিক নির্যাতন চালায়। পরে সুমনকে ডুবার ভিতরে কচুরীপানার নিচে পুতে রাখে। ওইরাতে ছেলেকে ঘরে না পেয়ে সুমনের মা-বোন সুমনকে খোঁজাখুজি করতে থাকে। প্রায় আনুমানিক ২/৩ঘন্টার পর মামলার ২নং অভিযুক্ত আসামী আলী মিয়া নিহত সুমনের তার মা জাহেদা বেগমকে ডেকে বলে আপনার ছেলে সুমন বাড়ীর পাশে ডুবায় ভাসছে। এ খবর পেয়ে সুমনের মা স্থানীয়দের কে নিয়ে ডুবায় সুমনের লাশ খুজতে থাকে। এক পর্যায়ে পানির নিচে জাহেদা বেগমের পায়ের সাথে সুমনের লাশ আটকে যায়। পরে সকলের সহযোগিতায় ডুবায় থেকে সুমনের লাশ উদ্ধার করে। উদ্ধারের পর সুমনের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ক্ষত বিক্ষত আঘাতের চিহৃ পাওয়া যায়। ঘটনার পরের দিন সুমনের দাফন সম্পন্ন করে এলাকায় বিষয়টি ভিন্ন ভাবে প্রবাহিত করে ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার জন্য চেষ্টা করে। এতে স্থানীয় মেম্বারের কাছে নিহত সুমনের সঠিক বিচার চাইলে মেম্বার কোন উত্তর দিতে পারেননি। পরে মামলার বাদী নিহত সুমনের পিতা হারুন মিয়া কুমিল্লা বিজ্ঞ আদালতে ৭জন কে স্বাক্ষী করে ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত ৪ জন কে অভিযুক্ত করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন যার নং সি আর ৩১০/১৪। আদালত নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বরাবর মামলার তদন্তের জন্য ৮৭৪ স্বারকে প্রেরণ করলে নাঙ্গলকোট থানার কর্মকর্তা প্রাথমিক তদন্তে ঘটনার সত্যতা পেয়ে গত ৬ মে ১৪ ইং আদালতে রিপোর্ট দাখিল করেন। এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট থানার ওসি নজরুল ইসলাম জানান, নিহত সুমনের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে মামলায় অভিযুক্তদের আইনের আওতায় নিয়ে এসে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: