কুমিল্লা হোমনার তিতাস নদীতে চর পরে বিলিনের পথে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

কুমিল্লা হোমনার তিতাস নদীতে চর পরে বিলিনের পথে

7 February 2017, 10:42:24
আল্ আমিন শাহেদ
কুমিল্লা জেলার হোমনা ও ব্রাক্ষ্রনবাড়িয়া জেলার বান্ছারামপুর উপজেলার একাংশে মেঘনা নদী হতে উৎপত্তি তিতাস নদীর শাখা। যা হোমনার শ্রীমদ্ধী ও বান্ছারামপুরের কালিকাপুর হতে   শুরু হয়ে হোমনা, মুরাদনগর,তিতাস, বান্ছারামপুর, নবীনগর একাংশে অবস্হান করে। এই নদীর মাধ্যম্য নৌ পথে হাজার হাজার মানুষ ঢাকা,নরসিংদীও নারায়নগন্জ যাতায়ত করে এবং ইন্জিন চালিত নৌকা দিয়ে বিভিন্ন বাজারে মালমাল বহন করে থাকে।
এমন কি নিচু এলাকা হওয়ায় হোমনা, দুলালপুর, দৌলতপুর, রামকৃষ্ণ পুর, তালিমনগর, রহমতপুর, রামচন্দ্রপুর, বালুয়াকান্দি, ভুরভুরিয়া, চরলহনীয়া, ফরদাবাদ,পাচকিত্তা ও ওজানচর সহ সব এলাকায় বুট দিয়ে বালু এতে মাটি ভরাট করে থাকেন। নদীর জন্য হোমনা বান্ছারামপুর ও মুরাদনগরে উন্নতমানের ব্রীজ এমন কি এশিয়া বৃহত্তর সেতু  ওয়াই ব্রীজ নির্মান করা হয়। সব কিছুই করা হয় নদীর জন্য।  কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল সেই নদীটিই আজ বিলীন হওয়া পথে।
১৯৯১ সালে হোমনা হতে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত নদী খনন করা হয় এবং বিভিন্ন সময়য়ে রামকৃষ্ণ পুর হতে বিশাড়া, রামচন্দ্রপুর হতে পাচকিত্তা, ঘাগুটিয়া হতে বান্ছারামপুর পর্যন্ত খনন করা হয়। কিন্তু পরিতাপের বিষয় হল ঘাগুটিয়া হতে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত নদীতে গ্রীস্ম কালে পানি থাকে কম সেই জন্য কৃষকরা পানি দিয়ে ইরি জমি করতে সমস্যা হয়। পানির জন্য জমি করতে পারে না কৃষক। চলাচল করতে পারে না লঞ্চ,নৌকা। তাই ঘাগুটিয়া হতে রামচন্দ্রপুর পর্যন্ত যদি নদীটি খনন করা হয় তবে বান্ছারামপুর, হোমনা ও মুরাদনগরের সাধারন মানুষ উপকৃত হবে।
যদি নৌপরিবহন মন্ত্রনালয় এ ব্যাপারে এগিয়ে আসেন তাহলেই মৃত্যুর ধারপ্রান্ত হতে বেচে যাবে তিতাস নামের নদীর একটি শাখা। যা কয়েকটা উপজেলা নির্ধারনের সীমানা।
সাধারন জনগনের সাথে কথা বলে জানা যায় সরকার চাইলে সেই খনন কাজ বেশি কঠিন কাজ নয়।
পথে বসা লঞ্চঘাটের ইজারাধাররা বলেন এবিএম তাজুল ইসলাম এম.পি, আলহাজ্জ আমির হোসেন ভুইয়া এম.পি, ইউছুফ আব্দুল্লাহ্ হারুন এম.পি ও কুমিল্লা উত্তর জেলার সাধারন সম্পাদক মোঃজাহাঙ্গীর আলম সরকার ওনারা যদি চান তাহলে সরকার সেই নদীর পুরাতন ঐতিয্য ফিরিয়ে আনতে পারবে। এলাকাটি হবে পরিবেশ দুষন মুক্ত পরিবেশ বান্ধব এলাকা।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: