খুলনায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

খুলনায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয়

4 May 2017, 9:37:51

মুহম্মদ নাঈমুজ্জামান শরীফ,খুলনা সংবাদদাতা :

খুলনায় এ বছর এসএসসি পরীক্ষার ফলাফল বিপর্যয় হয়েছে। খুলনার অধিকাংশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে শতভাগ পাশ করেনি। ফলে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিশিক্ষা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিরাজ করছে চরম হতাশা। ফলাফল বিপর্যয় হওয়ায় অধিকাংশ শিক্ষার্থী এ বছর ভালো কলেজেগুলোতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হবে বলে একাধিক অভিভাবক এমনও মন্তব্য করেছেন।

গতকাল সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, এ বছর খুলনা জিলা স্কুল থেকে ৪৪০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ৪৩৪ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৭৮ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯৮ দশমিক ৬৪ ভাগ। সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে ২৯৫ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ২৮৮ জন পাশ করেছে। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১৫৩ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯৭ দশমিক ৬৩ ভাগ। খুলনা পাবলিক স্কুল এন্ড কলেজ থেকে ২১৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৯৯ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ। খুলনা গভঃ ল্যাবরেটরী স্কুল থেকে ১৬৩ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাশ করেছে ১৫৮ এর মধ্যে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫২ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে শতভাগ। সেন্ট যোসেফস উচ্চ বিদ্যালয় থেকে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে ২০০ জন। এর মধ্যে পাশ করেছে ১৯২ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫৩ জন। পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৯৬ ভাগ।

সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা লায়লা আরজুমান এ প্রতিবেদককে জানান, শিক্ষার্থীরা যাতে ঝরে পড়তে না পাওে সেজন্য এ বছর এসএসসি পরীক্ষার খাতাগুলো নিবিড়ভাবে দেখা হয়েছে, বিধায় এ বছর আশানুরুপ ফল হয়নি।

খুলনা জিলা স্কুল থেকে বিজ্ঞান শাখায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী নগরীর মুন্সি পাড়া এলাকার বাসিন্দা এসএম তানভিরুল ইসলাম জানায়, ভালো রেজাল্ট করায় খুবই গর্বিত। ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়। তার ভালো রেজাল্টের জন্য পিতা-মাতার ভূমিকা বেশি। একই প্রতিষ্ঠান থেকে বিজ্ঞান শাখায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী মিয়াপাড়া পাইপের মোড় এলাকার বাসিন্দা সাইফ নেওয়াজ জানায়, সে ভবিষ্যতে ডাক্তার হতে চায়। সে প্রতিদিন ৭/৮ ঘন্টা পড়ালেখা করতেন।

সরকারি করোনেশন মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি ছাত্রী সাউথ সেন্ট্রাল রোডস্থ এলাকার বাসিন্দা জারিন তাসরিন জানায়, তার ভালো রেজাল্টের জন্য শিক্ষক-শিক্ষিকার ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। একই ভাবে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি শিক্ষার্থী বড় মির্জাপুর এলাকার বাসিন্দা সাদিয়া নিগার জানায়, ভালো রেজালেন্টর জন্য তার মায়ের ভূমিকা বেশি। একইভাবে বিজ্ঞান শাখা থেকে জিপিএ-৫ প্রাপ্তি শিক্ষার্থী পশ্চিম বানিয়াখামার এলাকার আজিজা ইসলামের মেয়ে জানায়, ভবিষ্যতে সে ডাক্তার হতে চায়। সে প্রতিদিন ৭-৮ ঘন্টা পড়ালেখা করতো।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: