খুলনায় নাটকীয় অপহরন মামলার ভিকটিম ঝর্ণা উদ্ধার ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে বাদিনীর অপতৎপরতা অব্যাহত | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

খুলনায় নাটকীয় অপহরন মামলার ভিকটিম ঝর্ণা উদ্ধার ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে বাদিনীর অপতৎপরতা অব্যাহত

29 May 2017, 5:52:16

খুলনা ব্যুরো

সকল জল্পনা-কল্পানার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে খুলনা জেলার রূপসা থানার পুলিশ অপহৃত ঝর্ণা বেগমকে নাটকীয় ভাবে উদ্ধার করেছে। মামলার বাদিনী শিউলি বেগম ফেঁসে যাওয়ার ভয়ে নানা অপতৎপরতায় লিপ্ত রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় চরম চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে।
এলাকাবাসি সূত্রে জানা যায়, রূপসা থানার পূর্ব রূপসা এলাকার তালিমপুর গ্রামের ধুরন্ধর প্রকৃতির মামলা বাঁজ ধর্মান্তরিত মহিলা শিউলি বেগমের মেয়ে ঝর্ণার সঙ্গে বিয়ে হয় নগরীর লবনচরা থানার মৃত ইসাহাক শেখের পুত্র দেলোয়ার হোসেন বাচ্চুর। দীর্ঘ সাত বছরের সংসার জীবনে তাদের ঘরে একটি কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। যার নাম দোলা বয়স ৫ বছর। কিছু দিন পূর্বে মা শিউলি বেগম ও মেয়ে ঝর্ণা বেগমের অসামাজিক কার্য্যকলাপের প্রতিবাদ করায় বাচ্চুর সংসারে অশান্তি সৃষ্টি হয়। এরপর থেকে তারা বাচ্চুকে দেখিয়ে দেবে মর্মে হুমকি ধামকি দিতে থাকে। তার পরপরই আদালতে দায়ের করতে থাকে একের পর এক মিথ্যা মামলা । প্রথমে তারা বাচ্চুর নামে দায়ের করে যৌতুক আইনে একটি মামলা। যার নং-সি/আর-২৬৩/১৫। মামলাটি আদালতের হস্তক্ষেপে উভয় পক্ষ প্রতাহার করে নেয়। এর কিছু দিন যেতে না যেতে আবার ও যৌতুক আইনে আর একটি মামলা দয়ের করে। যার নং-সি/১৪৫/১৬। এর পরেও কয়েক দফা হামলা চালিয়ে বাচ্চুকে রক্তাত জখম করে। উপায়ান্তর না দেখে বাচ্চু গত ২৪/৮/১৬ তারিখে ঝর্ণাকে আইনসিদ্ধ ভাবে তালাক দেয়। এর পরেই শিউলি ও ঝর্ণা শুরু করে বাচ্চুর বিরুদ্ধে নতুন মামলার পরিকল্পনা গত ১/১১/১৬ তারিখে আদালতে দায়ের করে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে আর ও একটি মামলা । যার নং-৫৪৬/১৬। মামলাগুলি আদালতে বিচারাধীন থাকা সত্বেও গত ৭/৩/১৭ তারিখে বাচ্চুর বিরুদ্ধে দায়ের করে মিথ্যা অপহরন মামলা যার নং-৭৭/১৭ । ঐ মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাচ্চু অন্যান্ন আসামীদের সহ-যোগীতায় ঝর্ণাকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে বাসে করে যশোর নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাকে অজ্ঞান করে ভারতের কোন এক পতিতালয়ে বিক্রী করে দেয়। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য রূপসা থানা পুলিশকে নির্দেশ দেয়। পরিশেষে অপহৃত ঝর্ণা বেগমকে অতি সত্বর উদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেয়। এ অবস্থায় মামলাটির তদন্তভার ন্যাস্থ করা হয় এস আই মোক্তারের ওপর। দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তা অতি কৌশলী হয়ে মামলার বাদিনীকে ম্যানেজ করতে সক্ষম হন। এক পর্যায়ে এসআই মোক্তার ও বাদিনী শিউলি বেগম সম্প্রতি নাটকীয় ভাবে ভিকটিম ঝর্ণাকে অপ্সাত স্থান থেকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে। এ ঘটনায় শিউলি বেগম ফেঁসে যাওয়ার আশংকায় নিজের মাথা নিজে ফাঁটিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। এর পর আদালতে দায়ের করে আরো একটি মিথ্যা মামলা। এখন প্রশ্ন হল ঝর্ণাকে পাচার করা হলো অন্য-দেশের একটি পতিতালয়ে। অথচ পুলিশ তাকে উদ্ধার করলো দেশের ভেতর থেকে। ঘটনাটি বিজ্ঞ আদালতের বিবেচনায় কতখানি যৌতিক তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে এলাকার বিচার প্রত্যাশি মানুষ।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: