খুলনা-কলকাতা রুটে লোকসানে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

খুলনা-কলকাতা রুটে লোকসানে ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’

18 July 2018, 7:55:31

 

বি এম রাকিব হাসান, খুলনা ব্যুরো:
খুলনা-কলকাতা রুটে চলাচলকারী বন্ধন এক্সপ্রেসে (ট্রেন) যাত্রী বাড়ছে না বরং দিন দিন কমতে শুরু করেছে। ১০টি কোচের এই ট্রেনে ৪৫৬টি আসন থাকলেও যাতায়াত করছেন ১০০ থেকে ১২০ জন । অথচ বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে প্রতিদিন ৪-৫ হাজার পাসপোর্টযাত্রী ভারতসহ বিভিন্ন দেশে যাতায়াত করছেন। ফলে লোকসান গুণতে হচ্ছে বন্ধন কর্তৃপক্ষকে। কারণ হিসেবে জানা গেছে, দুদেশে ট্রেনটি সম্পর্কে তেমন কোনও প্রচার প্রচারণা নেই। দুদেশের নির্দিষ্ট দুটি স্টেশনে টিকিট বিক্রি করায় যাত্রীদের এর প্রতি অনিহা দেখা দিয়েছে। কলকাতা থেকে সপ্তাহের বৃহস্পতিবার সকাল ৭টায় ছেড়ে এসে সাড়ে ১২টায় খুলনায় পৌঁছে ট্রেনটি। আবার খুলনা থেকে ১টা ৩০ মিনিটে ছেড়ে সন্ধ্যা ৬টা ১০মিনিটে কলকাতা পৌঁছে।
রেল কর্তৃপক্ষের পদ্ধতিগত ভুলই যাত্রী স্বল্পতার অন্যতম কারণ বলে মনে করছেন এ রুটে যাতায়াতকারীরা। যশোর ও বেনাপোল রেলস্টেশনে টিকিট বিক্রি না করা, যশোর ও বেনাপোল রেলস্টেশনে এ অঞ্চলের মানুষের জন্য স্টপেজ না দেওয়া, অন্যদিকে সপ্তাহে মাত্র এক দিন এ রুটে ট্রেন চালু রাখা এমন সব কারণ সামনে আসছে যাত্রী কম হওয়ার পেছনে। এছাড়া ভাড়ার পরিমাণ বেশিও যাত্রী স্বল্পতার আর একটি বড় কারণ। মাত্র ১২০ কিলোমিটার রাস্তায় এসি সিটে ভাড়া নেওয়া হচ্ছে ভ্রমণকরসহ ২ হাজার টাকা ও এসি চেয়ারে নেওয়া হচ্ছে ভ্রমণকরসহ ১ হাজার ৫০০ টাকা। অথচ বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে একজন পাসপোর্ট যাত্রীর কলকাতা যেতে ভ্রমণকরসহ খরচ হয় মাত্র ৬০০ টাকা।
যশোর নাগরিক কমিটি যশোর রেলস্টেশনে টিকিট বিক্রি ও যাত্রী ওঠানো-নামানোর দাবিতে দীর্ঘ দিন ধরে আন্দোলন করে আসছেন। তাতেও তেমন একটা সাড়া মেলেনি রেল কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে। খুলনা-বেনাপোল-কলকাতা রুটে আন্তঃদেশীয় যাত্রীবাহী ট্রেন ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’এর বাণিজ্যিকভাবে যাত্রা শুরু হয় ২০১৭ সালের ১৭ নভেম্বর। গত ৮ মাসে ট্রেনের যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধি না পেয়ে দিন দিন কমতে শুরু করেছে। ফলে লোকসানের বোঝা টানতে হচ্ছে রেল কর্তৃপক্ষকে।
ভারতীয় একটি সূত্রে জানা গেছে, নিরাপত্তার স্বার্থে আপাতত খুলনা ও কলকাতা ছাড়া কোথাও স্টপেজ বা টিকিট বিক্রি করা যাচ্ছে না। বিভিন্ন রেল স্টেশনে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার হলে অন্যান্য স্টপেজে যাত্রী ওঠানামা ও টিকিট বিক্রির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।
এ রুটে চলাচলকারী বাংলাদেশি যাত্রী হাসান খান বলেন, ‘সম্প্রতি বাংলাদেশি পাসপোর্ট যাত্রীদের ভারতে গিয়ে কমপক্ষে দুই রাত অবস্থান বাধ্যতামূলক করায় এবং সপ্তাহে এক দিন ‘বন্ধন এক্সপ্রেস’ ট্রেন চালু থাকায় ট্রেনে করে কেউ আর যাতায়াত করতে চাচ্ছেন না। সপ্তাহে ২-৩ দিন ট্রেন চলাচল ও ভাড়ার পরিমাণ কমালে যাত্রীর সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আমি মনে করি।’

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x