খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় আউশ ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা

29 August 2016, 8:36:37
খূলনা সংবাদদাতা:

 

খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় আউশ ধান কাটা শুরু হয়েছে।এ অঞ্চলে ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। জেলাগুলা যশোর, নড়াইল, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, মেহেরপুর, খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্র জানায়, চলতি মৌসুমে খুলনা বিভাগের ১০ জেলায় ১ লাখ ৪৬ হাজার ৬৯৭ হেক্টর জমিতে ৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৫৯ টন আউশ ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে যশোর জেলায় ২১ হাজার ৬৪৭ হেক্টর জমিতে ৫৪ হাজার ৩৫১ টন, নড়াইলে ৬ হাজার ৪২১ হেক্টরে ১০ হাজার টন, ঝিনাইদহে ২৭ হাজার ১৭৫ হেক্টরে ৬৯ হাজার ২৩০ টন, মাগুরায় ৫ হাজার ৫৮৮ হেক্টরে ১২ হাজার ৮২০ টন, কুষ্টিয়ায় ৩১ হাজার ৫৬৬ হেক্টরে ৬৯ হাজার ৮৮০ টন, চুয়াডাঙ্গায় ২৯ হাজার ৫০২ হেক্টরে ৮১ হাজার ৪৩৪ টন, মেহেরপুরে ৯ হাজার ৬১৯ হেক্টরে ২৬ হাজার ৬৪২ টন, সাতক্ষীরায় ৬ হাজার ২২৮ হেক্টরে ১৫ হাজার ৮৭০ টন, বাগেরহাটে ৫ হাজার ৭৫৪ হেক্টরে ১৩ হাজার ৭৫১ টন এবং খুলনা জেলায় ৩ হাজার ১৯৭ হেক্টর জমিতে ৪ হাজার ৯৪১ টন আউশ ধান চাষ ও উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক শেখ আমিনুল হক বলেন, আউশ ধান একটি সহজলভ্য কৃষি ফসল। এ ধান চাষে কৃষকদের তেমন কোন খরচ নেই এবং কোন ধরনের ঝামেলাও পোহাতে হয়না। তাছাড়া সরকার আউশ ধান চাষের জন্য কৃষকদের বিনামূল্যে বীজ, সার এবং সেচ ও আগাছা নিড়ানোর জন্য নগদটাকা কৃষি প্রণোদনা দিয়েছে। যে কারণে এই ধান চাষে কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি হয়েছে। আউশের চাল পুষ্টি সম্মৃদ্ধ খাদ্যশস্য। যে কারণে প্রতিবছর এ অঞ্চলে আউশের চাষ বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকালে এ অঞ্চলে আউশের বাম্পার ফলন হবে বলে তিনি জানান। কালিয়া উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের কৃষক ইলিয়াস বিশ্বাস, দাউদ হোসেন ও লায়েক শেখ জানান, আউশ ধান উৎপাদনে কৃষকদের তেমন বেগ পেতে হয়না।জমির সামান্য পরিচর্যা করলেই ভালো ফলন পাওয়া যায়। তেমন কোনো ওষুধের প্রয়োজন পড়ে না। এবার তারা প্রত্যেকে ২-৩ একর জমিতে আউশের চাষ করেছেন বলে এ প্রতিনিধিকে জানান। নড়াইল সদর উপজেলার তুলারামপুর গ্রামের গৃহবধূ সুফিয়া বেগম জানান, আউশ ধানের মিষ্টি সুস্বাদু চাল দিয়ে তৈরি পায়েশ ও খিচুড়ি শিশুদের প্রিয় খাবার। এছাড়া এই চাল দিয়ে হরেক রকম পিঠাও তৈরি করা যায়।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: