চট্টগ্রামের মহেশখালের সেই বাঁধ ভাঙলেন মেয়র নাছির | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

চট্টগ্রামের মহেশখালের সেই বাঁধ ভাঙলেন মেয়র নাছির

13 June 2017, 11:48:01

কামরুল ইসলাম হৃদয়,চট্টগ্রাম অফিস:

চট্টগ্রাম নগরী থেকে বৃষ্টির পানি নামার অন্যতম বড় পথ মহেশখালের বন্দর রিপাবলিক ক্লাব সংলগ্ন অংশে দেওয়া বাঁধটি অপসারণের কাজ শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার বিকেল ৩টায় বাঁধে হাতুড়ির আঘাত করে অপসারণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন চট্টগ্রামের মেয়র আ জ ম নাছির উদ্দীন। এসময় বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল খালেদ ইকবাল, বন্দর সচিব ওমর ফারুক, চসিকের কাউন্সিলর মো. হাবিবুল হক, শৈবাল দাশ সুমন, শফিউল আলম, গোলাম মোহাম্মদ চৌধুরী, এইচ এম সোহেল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। চসিকের নির্বাহী প্রকৌশলী সুদীপ বসাক বলেন, অপসারণ কার্যক্রমের জন্য লংবুম স্ক্যাভেটার, স্কিট স্টিয়ার লোডার, ব্যাক হো লোডার, ডাম্প ট্রাক, ক্রেনসহ প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি-সরঞ্জাম ব্যবহার করা হচ্ছে। ৫০ জন শ্রমিক কাজ করছেন। বাঁধটি পুরোপুরি অপসারণে কয়েকদিন সময় লাগতে পারে। এদিকে মহেশখালের বাঁধ ভাঙার আয়োজন দেখতে মঙ্গলবার দুপুর থেকে ভিড় করতে থাকে কৌতূহলী মানুষ। চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে, বন্দরের নিরাপত্তা রক্ষী ও চসিকের কর্মকর্তাদের। প্রসঙ্গত ২০১৫ সালের অক্টোবরে চট্টগ্রামের নগর পরিকল্পনাবিদদের বিরোধিতা উপেক্ষা করেই মহেশখালে বাঁধটি নির্মাণ করে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ। এর ফলে বৃষ্টির পানি দ্রুত কর্নফুলী নদীতে নামতে না পারায় আশপাশের বড় একটি অংশের বাসিন্দাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বাঁধ নির্মাণের পর থেকেই এর বিরোধিতা করে আসছেন উজানের ২৭ নম্বর দক্ষিণ আগ্রাবাদ, ৩৬ নম্বর গোসাইলডাঙ্গা, ৩৭ নম্বর উত্তর মধ্যম হালিশহর এবং ৩৮ নম্বর দক্ষিণ মধ্যম হালিশহরের বাসিন্দারা। গত বছরের ২১ মে বাঁধ খুলে দিতে গেলে স্থানীয়দের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। গত ৩০ মে ঘূর্ণিঝড় মোরার প্রভাবে বৃষ্টিতে বাঁধের উজান ও ভাটির দুইপাশের মানুষই তিন দিন জলাবদ্ধ ছিল। সে সময় বাঁধ অপসারণের দাবি আরও জোরালো হলে ১ জুন নগর ভবনের এক বৈঠকে বাঁধটি অপসারণের ঘোষণা দেন মেয়র নাছির।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: