ছাত্র রাজনীতির অনন্য এক নক্ষত্রের নাম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

ছাত্র রাজনীতির অনন্য এক নক্ষত্রের নাম মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম

30 January 2017, 2:40:26

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস-

দেশেরে সব প্রগতিশীল গণতান্ত্রীক আন্দোলন-সংগ্রামে ছাত্র রাজনীতির গুরুত্বর্পূণ ভূমিকা ইতহিাসে র্স্বণাক্ষরে লিখা আছে।
’৫২-এর ভাষা আন্দোলন, ’৬২-এর শিক্ষা আন্দোলন, ’৬৬-এর ৬ দফা ও ১১ দফার আন্দোলন, ’৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ’৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, র্সবােপুরি ’৯০-এর স্বরৈাচারবিরোধী আন্দোলনে ছাত্র সমাজরে অনন্য ভূমিকা জাতি শ্রদ্ধা ভরেই স্মরণ করে।
স্বাধীনতা লাভের পরও এ দেশের ছাত্র রাজনীতি ছিলো মধ্যনির্ভর। প্রতিটি ছাত্র সংগঠনই স্ব-স্ব আদর্শের উপর ভিত্তি করেই ছাত্র রাজনীতিকে বিকাশিত করেছে। ছাত্র রাজনীতিতে মতবিরোধ থাকলেও আদর্শিকভাবে একে অপরকে ডিঙ্গিয়ে নিজেদের নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সুস্থ প্রতিযোগিতা অব্যাহত রখেছেনে।
দুর্ভাগ্য হলেও সত্য, সুস্থধারার ছাত্র রাজনীতি এখন অনেকটাই নির্বাসিত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগ বাংলাদেশের একটি প্রধান রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠন। এটি ভারত বিভক্তিক্রমে পূর্ব পাকিস্তানের উদ্ভবের কিছুকাল পর গঠিত হয়।
এটি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানিক অঙ্গ সংগঠন হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ইতিহাস গৌরব, ঐতিহ্য, সংগ্রাম ও সাফল্যে মন্ডিত।
“১৯৪৮ সাল থেকে শুরু করে বর্তমান পর্যন্ত দেশ ও জনগণের স্বার্থরক্ষার্থে প্রত্যেকটি আন্দোলনে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ প্রধান ভূমিকা রেখেছে।

তিনি সকলের ভাইঃ-সাইফুল ইসলাম (জন্মঃ ২৮/১২/১৯৮৭) বর্তমান বাংলাদেশ ছাত্রলীগ নাঙ্গলকোট উপজেলা শাখা’র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, তাঁর অন্যান্য পরিচয়ের মধ্যে রয়েছে তিনি একজন সমাজকর্মী এবং সংগঠক।

“১৯৮৭-এর ২৮ ডিসেম্বর, কুমিল্লা জেলার নাঙ্গলকোট থানাধীন দৌলখাঁড় পশ্চিম সৌন্দাইল গ্রামে জন্ম নেয়এক অনন্যমনা শিশু। যার নামকরণ করা হয় মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম। বাবা মৃত মোহাম্মদ আব্দুল জলিল, মা মরিয়ম বেগম,।

তিনি স্কুল জীবন থেকে ছাত্র রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। ২০০২ সালে ছাত্রদের পক্ষে আন্দোলন করে সৌন্দাইল স্কুলে আলোড়ন সৃষ্টি করেন। অসহায় ও গবীর শিক্ষার্থীদের শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করার লক্ষে দুর্বার আন্দোলন গড়ে তুলেন।
জানান দেন অধিকার চাই, না হয় আদায় করে নিবো এই স্লোগানে। এর পরও থেমে থাকেননি তিনি, সৌন্দাইল ইয়ং পাওয়ার স্পোর্টিং ক্লাব গঠনের মাধ্যমে যুবসমাজকে নিয়ে সমাজ সেবামূলক কাজ, বৃক্ষরোপণ, খেলাধুলা, সহ গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের যাবতীয় শিক্ষা উপকরণের ব্যবস্থা করে যাচ্ছেন প্রতি নিয়ত।
এই স্লোগানে মুখরিত পুরো সৌন্দাইল, আমাদের গ্রাম আমরাও গড়বো, সাজাবো নতুন আঙ্গিকে। তিনি যেখানেই থেকেছেন, যত দূরেই গিয়েছেন অসহায়দের পাশে দাঁড়িয়েছেন সর্বদা।

তিনি দীর্ঘদিন ধরে সমাজকর্মী হয়ে সমাজ বির্নিমানের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন, নাঙ্গলকোট সমাজকল্যান এসোসিয়েশনের অন্যতম একজন সদস্য। সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক- বাংলাদেশ ছাত্রলীগ চট্টগ্রাম কলেজ শাখার, আহবায়ক দৌলখাঁড় বঙ্গবন্ধু ছাত্র পরিষদ, ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ৮নং শুলকবহর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ (চট্টগ্রাম), সিনিয়র সহ-সভাপতি দৌলখাঁড় ছাত্রলীগ।

তিনি বর্তমানে প্রভাষক বি,এস,এস (অনার্স), এম,এস,এস (অর্থনীতি) চট্রগ্রাম কলেজ। হোমনাবাদ আদর্শ ডিগ্রী কলেজ, ঢালুয়া, নাঙ্গলকোট, কুমিল্লা।

তার নিজ এলাকা নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগের হাতকে শক্তিশালী করার লক্ষে মাননীয় পরিকল্পনামন্ত্রী আ,হ,ম মোস্তফা কামাল (লোটাস) এমপি ভাইয়ের নেতৃত্বে প্রতিনিয়ত ঘুরে বেড়ান গ্রামের পর গ্রাম।
নাঙ্গলকোট ছাত্রলীগের সম্মানিত সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক সুমনের একান্ত ব্যক্তি, সাধারণ সম্পাদক ওমর ফারুক মামুন সহ কাজ করে যাচ্ছেন ছাত্রলীগের প্রসারে। এরই মধ্যে জয় করে নিলেন অসংখ্য ছাত্র নেতৃত্ব। সবার মনে ভালোবাসার জায়গায় নিজেকে সমাসীন করেছেন। তিনি স্বপ্ন দেখেন সুস্থ ছাত্ররাজনীতির, তারই ধারাবাহিকতা বজায় রাখছে নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগ। হিংসার রাজনীতি যেমন নাঙ্গলকোট বাসী পছন্দ করে না তার প্রমান নাঙ্গলকোট উপজেলা ছাত্রলীগ। দলমতের উর্ধ্বে থেকে সকল ছাত্রকে ছাত্রলীগের পতাকা তলে আনার জন্য দিন রাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

আমার ধারনা এমন ব্যক্তিত্ব বর্তমান সময়ে বিরল। সমাজ সংস্কারমূলক কাজে তার অবদান অনস্বীকার্য। আমরা নাঙ্গলকোট বাসী তার সুস্থ ও নিরাপদ জীবন কামনা করছি, তার এগিয়ে যাওয়ার পথে সকল প্রকার প্রতিবন্ধকতা দূর হয়ে দলমতের উর্ধে দেখতে চাই তাকে। তার হৃদয়ের স্পন্দন, প্রাণের চেয়ে প্রিয় সংগঠন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের জয় হোক।
জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু, বাংলাদেশ দীর্ঘজীবী হোক।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: