জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো তৈরি করে দিলেন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ ‘করোনা প্রতিরোধে ছাত্রলীগ নয়, সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছাত্রদল এগিয়ে’ ◈ সকালে বাবার মৃত্যু, বিকেলে ছেলের ◈ নাঙ্গলকোট সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ◈ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে গৃহীত তেরখাদায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ◈ মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ◈ সুন্দরবন থেকে হরিণের মাংস,মাথা,ও পা উদ্ধার ◈ করোনার চাইতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ধর্ষণ ◈ মরচেপড়া মানুষ ____ মোঃ মাহমুদুল হাসান কিরণ ◈ ধর্ষণ মামলার মাস হতে চললেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি আসামি ◈ বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিল গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে নিজস্ব অর্থায়নে সাঁকো তৈরি করে দিলেন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা

23 June 2020, 12:56:31
হালিম সৈকত,  

কুমিল্লার তিতাস উপজেলার  ভিটিকান্দি ইউনিয়নের ভিটিকান্দি গ্রাম আর পোড়াকান্দি গ্রামের মাঝ দিয়ে বয়ে গেছে একটি খাল।

দুই গ্রামের  সংযোগস্থল সেই খালের উপর  নেই কোনও ব্রিজ। তাই দুই গ্রামের প্রায় কয়েক হাজার মানুষের কষ্টের সীমা নেই। তাদের দীর্ঘদিনের দাবি গ্রাম দুটির সংযোগস্থলে একটি ব্রিজ। কিন্তু সরকারি বরাদ্দ না আসায় তৈরি করা সম্ভব হয়নি ব্রিজটি।  এতে সমস্যা হচ্ছে সাধারণ মানুষের। স্কুল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের যাতায়তে সমস্যা হচ্ছে, কৃষকের  উৎপাদিত ফসল পরিবহনে সমস্যা হচ্ছে।  রোগী পরিবহনেও হচ্ছে নানাবিধ সমস্যা। মোট কথা দুই গ্রামের জনগণের দুর্ভোগের আর সীমা নাই। তাই
পোড়াকান্দি টু ভিটিকান্দির জনগনের যাতায়াত সমস্যা দূর করতে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের দুই দুই বারের সফল চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবুল হোসেন মোল্লার নিজস্ব অর্থায়নে বাঁশের সাঁকু নির্মাণ করে দিয়ে মানবতার নজির স্থাপন করলেন তিনি।
বাঁশের সাঁকোটি নির্মাণ করতে খরচ হয়েছে প্রায় ২০ হাজার টাকা।
গ্রামবাসীরা বলেন, যখনই ভিটিকান্দি ইউনিয়নে কোন সমস্যা দেখা দেয় তখনই এগিয়ে আসেন চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মোল্লা। সরকারি বরাদ্দ না থাকলেও নিজস্ব অর্থায়নে কাজ করে দেন। কখনোই কোন সমস্যার জন্য খালি হাতে ফিরতে হয় নি সাধারণ জনগণকে ।
এই বিষয়ে ভিটিকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের জনপ্রিয়  চেয়ারম্যান    মোঃ আবুল হোসেন মোল্লা বলেন, সাধারণ জনগণের কষ্ট ও অসুবিধার কথা ভেবেই বাঁশের সাঁকোটি আমার অর্থ দিয়ে তৈরি করে দিয়েছি। সরকারি বরাদ্দ কখন আসে তার কোন ঠিকঠিকানা নাই।
বর্ষাকালে দুই গ্রামের লোকজনের চলাচলের সুবিধার জন্যই আমার এই উদ্যোগ। আমি যতদিন বেঁচে থাকবো ইউনিয়নবাসীর সেবা করেই যাবো।  আমি সকলের নিকট দোয়া চাই যাতে, মৃত্যুর আগ পর্যন্ত আমার ইউনিয়নবাসীর সেবা করে মরতে পারি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: