জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেনাঙ্গলকোটের লক্ষ্মীপদুয়া গ্রামের মিয়াজী পরিবারের সদস্যরা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেনাঙ্গলকোটের লক্ষ্মীপদুয়া গ্রামের মিয়াজী পরিবারের সদস্যরা

18 March 2019, 3:29:50

 

নিজস্ব প্রতিনিধি ॥ নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছে নাঙ্গলকোট উপজেলার লক্ষ্মীপদুয়া গ্রামের মিয়াজী বাড়ীর ছেরাজুল হক মিয়াজীর পরিবারের সদস্যরা। একই বাড়ীর মনোয়ারা বেগম ও মৃত আলী আক্কাসের ছেলে স্বপন গংদের মিথ্যা মামলা, হামলা, অত্যাচার ও প্রাণ নাশের হুমকির ভয়ে বর্তমানে এ পরিবারটি গ্রাম ছাড়া। জানা গেছে, জায়গা-জমি সংক্রান্ত বিরোধের সূত্র ধরে গত ১৭ই জানুয়ারী ৩০/৪০ জনের একটি সশস্ত্র দল স্বপনের নেতৃত্বে গভীর রাতে ঘুমন্ত অবস্থায় ছেরাজুল হক মিয়াজীর পরিবারের সদস্যদের উপর সশস্ত্র হামলা চালায়। এতে বসত ঘর ভাংচুর, নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার লুটপাট ও জরুরী কাগজপত্র নিয়ে যায়। এ সময় তারা নারী-পুরুষসহ ৫ জনকে মারাত্মকভাবে আহত করে। আহত পেয়ারা বেগমের অবস্থা আশংকাজনক। এ ঘটনায় নাঙ্গলকোট থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, সৃষ্ট ঘটনাকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য স্বপন ঘটনার দিন ভোর ৫টায় মুখে রং মেখে কুমিল্ল­া সরকারী হাসপাতালে ভর্তি হয়। ভর্তির একদিন পর ছাড়পত্র নিয়ে বাড়ীতে চলে আসে এবং ছেরাজুল হক মিয়াজী পরিবারের বিরুদ্ধে একটি কাউন্টার মামলা দায়ের করে।
উল্লেখ্য, ১৯৩৪ সালে মনোয়ারা গংদের সকল স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি (১৮১ একর) নিলাম হয়। কুমিল্ল­ার চতুর্থ মুন্সেফ কোর্ট থেকে ছেরাজুল হক মিয়াজীর পূর্ব পুরুষেরা তখন ৫ একর সম্পত্তি নিলামে খরিদ করে ভোগ দখল করে আসছে। বাকি সম্পত্তি এলাকার অন্যান্য লোকজন একই পন্থায় মালিক হয়ে ভোগ দখল করছে। যার প্রেক্ষিতে নিলাম খরিদকৃত ব্যক্তিদের নামে আরএস ও বিএস খতিয়ান হয়।
বর্তমানে মনোয়ারা গংরা সিএস খতিয়ান সংগ্রহ করে মিয়াজী পরিবারের নিকট জমি পাবে বলে দাবী জানাচ্ছে। উপরন্তু পুকুরে মাছ চাষ, জমিতে ধান চাষ এবং ভোগ দখল করতে বিভিন্নভাবে বাধা দিচ্ছে। এ ব্যাপারে থানায় ও গ্রামে বহু দেনদরবার হয়েছে। তারা মিয়াজী পরিবারের নিকট কোনো জায়গা পাবেনা বরং মিয়াজী পরিবার ৮ ডিং সম্পত্তি পায়না থাকে।
উশৃঙ্খল মনোয়ারা গংরা কোন গ্রাম্য সালিশ, আইন-আদালত কিছুই মানে না। গায়ের জোরে বিশৃংখলা সৃষ্টি করে সবকিছু দখল করতে চায়। এছাড়া, উদ্দেশ্য প্রনোদিতভাবে মনোয়ারা বাদী হয়ে ছেরাজুল হক মিয়াজী পরিবারের বিরুদ্ধে ৪টি (জবর দখল, লুটপাট, নারী নির্যাতন, চুরি ও ডাকাতি) অভিযোগে মামলা দায়ের করে। উক্ত মামলাগুলোতেও কোন সুফল পায়নি। তাই বর্তমানে পেশী শক্তি খাটিয়ে জমি জবর দখলের চেষ্টাসহ বাড়ীতে আসলে জানে মেরে ফেলার হুমকি, ধমকি অব্যাহত রেখেছে। জীবন বাঁচানোর তাগিদে মিয়াজী পরিবারের সবাই এখন গ্রাম ছাড়া। এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার স্বার্থে বিষয়টি সমাধানে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সমাজের বিজ্ঞজন, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জরুরী হস্তক্ষেপ একান্ত আবশ্যক।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x