ঝিনাইদহের লুৎফর গোলাপ চাষে স্বাবলম্বী | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

ঝিনাইদহের লুৎফর গোলাপ চাষে স্বাবলম্বী

12 July 2017, 6:05:05

জাহিদুর রহমান তারিক,ঝিনাইদহ সংবাদদাতাঃ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জের বিভিন্ন অঞ্চলে দিন দিন ফুলের চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। অন্যান্য চাষের তুলনায় অধিক মুনাফা পাওয়া যায় বলে চাষীরা ফুল চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছে। কালীগঞ্জের ৬নং ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নে উপজেলার মধ্যে সব থেকে বেশি ফুলের চাষ হয়। উপজেলা কৃষি অফিস স্ূত্রে জানা যায় উপজেলায় ৮০হেক্টর জমিতে ফুলচাষ হচ্ছে এর মধ্যে অধিকাংশ  জমিতে গাধা ফুল, অল্প পরিমান জমিতে রজনীগন্ধা ও গোলাপ   ফুলের চাষ হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের ফুল চাষী লুৎফর রহমান জানান, তার ২ একর জমিতে ফুলের চাষ আছে। এর মধ্যে ২ বিঘা জমিতে গোলাপ  ফুলের চাষ । ফুল চাষী লুৎফর রহমান জানান সাধারণত বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ্য  মাসে গোলাপের চারা রোপন করতে হয়। গাছে ফুল আসতে প্রায় ৬মাস সময় লাগে। ফুল আসার পর থেকে ৮ বছর যাবৎ একাধারে ফুল পাওয়া যায়। এ অঞ্চলে আমেরিকার হ্যারী জাতের গোলাপ ফুলের চাষ বেশি হয় বলে তিনি জানান। এক বিঘা জমিতে প্রায় ৪ হাজার গোলাপের চারা লাগানো যায়। এতে বিঘাপ্রতি প্রায় ৪০ হাজার টাকা ব্যয় হয়। তিনি আরো জানান, দেড় বিঘা জমিতে গোলাপ চাষ করে তিনি বছরে খরচ বাদে ৮০হাজার টাকা নিট মুনাফা পান। শীত কালে গোলাপের বেশ চাহিদা থাকায় এ সময় ভালো মুনাফা পেলেও বর্ষা মৌসুমে ফুল একেবারেই বিক্রি হয়না। এসময় অনেক ফুল নষ্ট হয়ে যায়। তিনি অভিযোগ করে বলেন ফুল ব্যবসার উপর সরকারী কোন নীতিমালা না থাকায় ভারত থেকে  বৈধ ও অবৈধ পথে ফুল আসায় দেশীয় ফুল চাষীরা বেশ ক্ষতিগ্রস্থ্য হচ্ছেন। ভারত থেকে ফুল আসা বন্ধ করা গেলে ফুল চাষ থেকে চাষীরা যথেষ্ট লাভবান হতে পারবেন। তিনি জানান সিমলা-রোকনপুর ও ত্রিলোচনপুর ইউনিয়নের প্রায় ৩হাজার পরিবার কোন না কোন ভাবে ফুল চাষের সাথে সম্পৃক্ত। মহিলারা ফুল তুলে মালা গাথে, গাঁট বাঁধে। এক জন মহিলা দিনে কমপক্ষে ১’শ ৫০ টাকা থেকে ২’শ টাকা আয় করতে পারে। লুৎফর রহমান মনে করেন উপযুক্ত পরামর্শ ও ভারত থেকে ফুল আসা বন্ধ হলে চাষী বাঁচবে এবং এর সাথে জড়িত পরিবারগুলো বাড়তি আয়ের মাধ্যমে সংসারে সচ্ছলতা ধরে রাখতে পারবে।

উপজেলার ফুলচাষীরা বর্ষা মৌসুমে ফুল সংরক্ষণের জন্য সরকারীভাবে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের দাবী জানান। পাশাপাশি বিভিন্ন এনজিও ও উপজেলা কৃষি অফিসের সহয়াতায় ফুলচাষীদের বিভিন্ন প্রশিক্ষণেরও দাবী জানান।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: