ঝিনাইদহে মহেশপুর মানুষের ভোগান্তি | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

ঝিনাইদহে মহেশপুর মানুষের ভোগান্তি

3 October 2016, 2:11:23

সাবিবর হোসেন,ঝিনাইদহ অফিস :
দেশের বিভিন্ন জেলায় সড়কগুলো বেহাল হয়ে পড়েছে। কোথাও কোথাও নির্মাণের অল্প দিনের মধ্যেই পিচ–খোয়া উঠে গেছে। সৃষ্টি হয়েছে গর্তের। কোথাও সড়ক ধসে পড়েছে। এসব সড়ক নিয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন
সংস্কার না করায় ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার খালিশপুর-মহেশপুর-জিন্নানগর সড়কটির পিচ ও খোয়া উঠে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন স্থানে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। বৃষ্টি হলে এসব গর্তে জমে পানি। এ কারণে রাস্তাটি দিয়ে চলাচলে ভোগান্তিতে পড়েছে উপজেলার অর্ধেক মানুষ।
সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, ৪২ কিলোমিটার দীর্ঘ সড়কটি সম্প্রতি বৃষ্টির কারণে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এটি আপাতত চলাচলের উপযোগী করে তোলার চেষ্টা করা হচ্ছে। তা ছাড়া নতুন করে মেরামতের প্রকল্পও হাতে নেওয়া হয়েছে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু হবে।
এলাকাবাসী জানান, ভারত সীমান্তঘেঁষা মহেশপুরের ১২টি ইউনিয়নের মধ্যে ৬টিতে মানুষের চলাচলের একমাত্র সড়ক খালিশপুর-মহেশপুর-জিন্নানগর সড়ক। উপজেলার এসবিকে, পান্তাপাড়া, স্বরূপপুর, শ্যামকুড়, নেপা, কাজীরবেড় ইউনিয়নসহ ফতেপুর ও বাঁশবাড়িয়া ইউনিয়নেরও অনেক মানুষ সড়কটি দিয়ে চলাচল করে। এর সঙ্গে রয়েছে মহেশপুর পৌরসভার লোকজন। কিন্তু বর্তমানে সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে।
ওই সড়কের পাশের গুড়দা বাজারের বাসিন্দা দবির হোসেন বলেন, একটি উপজেলার অর্ধেকের বেশি মানুষ যে সড়ক দিয়ে চলাচল করে, সেই সড়কের এমন দুরবস্থা ভাবাই যায় না। সড়কটি সওজ বিভাগের আওতাভুক্ত। ২০০০ সালে তাঁদের এলাকায় বন্যা হয়েছিল। সেই বন্যায় সড়কটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। পরে সওজ নতুন করে সড়কটি তৈরি করে। এরপর কিছুদিন ভালোই ছিল। কিন্তু অল্পদিনেই সড়কটির কিছু কিছু স্থান ভেঙে গেলে ২০০৭ সালে তা মেরামত করা হয়। সেটি আবারও ভেঙেচুরে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। সড়কটিতে বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। অনেক স্থানে গর্ত এত বড় যে প্রায়ই চলাচলকারী যানবাহন উল্টে দুর্ঘটনায় পড়ছে।
কালীগঞ্জ মোটর মালিক সমিতির সদস্য আবদুল ওয়াহেদ বিশ্বাস বলেন, সড়কটি দিয়ে ভারী যানবাহনের পাশাপাশি আধঘণ্টা পরপর কালীগঞ্জ-জিন্নানগর পথে বাস চলাচল করে। তা ছাড়া প্রতিদিন এখান থেকে সড়কটি দিয়ে ঢাকায় সাতটি বাস যাতায়াত করে। সড়কটি বেহালের কারণে প্রায়ই গাড়ি চলাচল বন্ধ থাকছে। এতে যাত্রীরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। অনুরোধ করে বুঝিয়ে রাস্তায় গাড়ি পাঠানো হলেও ফিরে এসে চালকেরা আর যেতে চান না।
স্বরূপপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রশিদ বলেন, সড়কটি নিয়ে তাঁরা প্রতিনিয়ত সাধারণ মানুষের কাছ থেকে গালমন্দ শুনছেন। এরপরও কিছু করতে পারছেন না। সওজের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁরা এ বিষয়ে অনেকবার যোগাযোগ করেছেন। তাঁরাও আশ্বস্ত করতে পারেননি।
ঝিনাইদহ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, সড়কটি মেরামতের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সেটি অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। তা ছাড়া আপাতত চলাচলের জন্য তাঁরা ইট-বালু ফেলে গর্ত ভরাট করছেন। বৃষ্টিতে অনেক মহাসড়কও নষ্ট হয়ে গেছে। সেগুলো সংস্কারে বেশি প্রাধান্য দিতে হচ্ছে। তারপরও উপজেলা সড়কগুলো দিয়ে যাতে মানুষ ভালোভাবে চলাচল করতে পারে, সে চেষ্টাও তাঁরা করে যাচ্ছেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: