টুর্নামেন্টে ২৬ গোল করে ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের মেয়েরা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

টুর্নামেন্টে ২৬ গোল করে ভবিষ্যতের পথে বাংলাদেশের মেয়েরা

5 September 2016, 2:42:31

৪৮ ঘণ্টার ব্যবধানে আরও একটি ম্যাচ, তার ওপর প্রাণ ওষ্ঠাগত গরম। এর সঙ্গে হাঁটাই যায় না এমন ভারী মাঠ তো আছেই। মাঠের খেলাই বলে দিচ্ছিল কতটা কঠিন পরিস্থিতিতে খেলছে বাংলাদেশের মেয়েরা। কিন্তু এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ ফুটবল প্রতিযোগিতায় অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশের কিশোরীদের কাছে কোনো বাধাই যে বাধা নয়, সেটা খুব ভালো মতোই বুঝতে পারল সংযুক্ত আরব আমিরাত। চীনা তাইপেকে হারিয়ে আগের ম্যাচেই চূড়ান্ত পর্ব নিশ্চিত করেছিল বাংলাদেশ। আজ আমিরাতকে ৪-০ গোলে হারিয়ে জয়োৎসব করল বাংলাদেশের মেয়েরা। আজও জোড়া গোল করেছে আলাদা করে নজর কাড়া কৃষ্ণা। সব মিলিয়ে টুর্নামেন্টে ৫ ম্যাচে ২৬ গোল করল বাংলাদেশের মেয়েরা।

ম্যাচের শুরুতেই অধিনায়ক কৃষ্ণা রানী সরকারের গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। ম্যাচের ঘড়িতে তখনো তিন মিনিটই হয়নি। আগের ম্যাচগুলোর মতো এ ম্যাচেও মাঠের আধিপত্য ছিল বাংলাদেশের মেয়েদেরই। কৃষ্ণা, সানজিদা, মারিয়া, মৌসুমীরা একের পর এক আক্রমণ চালিয়ে গেছে আমিরাতের গোল সীমানায়। শুরুতেই গোল, মনে হচ্ছিল এবারও গোলবন্যাতেই ভাসবে প্রতিপক্ষ।

তবে তা চারটির বেশি হলো না। বৃষ্টির কারণে মাঠ এত ভারী হয়ে না গেলে গোলের সংখ্যা আরও বাড়ত। বাংলাদেশ একটি পেনাল্টিও মিস করেছে। আরেকটি শট ক্রসবারে লেগে বেরিয়ে গেছে বাইরে।

সানজিদা, কৃষ্ণারা যতবারই বল নিয়ে প্রতিপক্ষের সীমানায় গিয়েছে, ততবারই আমিরাতের রক্ষণভাগের খেলোয়াড়েরা যতটা না সমস্যা সৃষ্টি করেছে, তার চেয়েও সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছিল ভারী মাঠ। ম্যাচের ৩৬ মিনিটে কৃষ্ণা একটি পেনাল্টি আদায় করে নিলেও তা থেকে গোল করতে পারেনি আগের ম্যাচে পেনাল্টি থেকে দুই গোল করা শামসুন্নাহার।

দ্বিতীয়ার্ধের ৫১ মিনিটে ২-০ গোলে এগিয়ে যায় বাংলাদেশ। আবারও গোল করেন কৃষ্ণা। ৫৫ মিনিটে দারুণ এক থ্রু থেকে আনুচিংয়ের সুযোগসন্ধানী গোল বাংলাদেশকে এগিয়ে দেয় ৩-০ গোলে। ৮৬ মিনিটে মনিকার দারুণ এক ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে গোল করে দলকে ৪-০ গোলে এগিয়ে দেন বদলি খেলোয়াড় তহুরা। ম্যাচের বাকি সময়টা আক্রমণেই ছিল বাংলাদেশ। এই সময় আরও দু–একটি গোল পেয়ে যাওয়াটাও অস্বাভাবিক কিছু ছিল না।

আমিরাতকে হারিয়েই জয়োৎসবের লক্ষ্য ছিল দলের। সেটা খুব ভালোমতোই হলো ক্যারিবীয় ক্রিকেটার ড্যারেন ব্রাভোর সেই বিখ্যাত ‌‌‘চ্যাম্পিয়ন চ্যাম্পিয়ন’ গানটির সঙ্গে।

উৎসব মেয়েদেরই মানায়। তারা যে এখন কেবল নিজেদের গ্রুপের চ্যাম্পিয়নই নয়, অনূর্ধ্ব–১৬ পর্যায়ে এশিয়ায় মেয়েদের শীর্ষ আটটি দলের একটি। এখন পরের ধাপে যাওয়ার পালা। আত্মবিশ্বাস তুঙ্গে নিয়েই যাবে বাংলাদেশের মেয়েরা। শুধু এখন তাদের প্রয়োজন ঠিকঠাক যত্নের।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: