ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় চিনিযুক্ত কোমলপানীয়। | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায় চিনিযুক্ত কোমলপানীয়।

22 April 2014, 4:39:07

drivatiks

আমাদের নাঙ্গলকোট ডট কম ডেস্ক:

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস।
চিনিযুক্ত কোমলপানীয় (সোডা ড্রিংক) গ্রহণে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি মাসে ৩৫০ মিলিলিটারের এক ক্যান চিনিযুক্ত কোমলপানীয় খেলে এ ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় ২২ শতাংশ বাড়ে। ইউরোপে পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গত বুধবার এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।
গবেষণাটি পরিচালনায় ইউরোপের আটটি দেশের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান ও লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষক ডোরা রোমাগুয়েরা বলেন, ‘ইউরোপে মিষ্টি কোমলপানীয় গ্রহণের হার বাড়ছে। এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবই পড়ছে।’ গবেষক দলটি ১২ ফ্লুইড আউন্সের কোকাকোলা, পেপসি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের কোমলপানীয় গ্রহণকারীদের ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি  প্রস্তুত করেন।
একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত গবেষণায়ও। সেখানে পরিচালিত কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিষ্টিযুক্ত কোমলপানীয় গ্রহণকারীরা কম সময়েই স্থূলকায় হয়ে পড়েন। চূড়ান্তভাবে তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো মানুষের রক্তে এরকম মাত্রার সুগারের উপস্থিতি থাকলে ইনসুলিন ব্যবহার অনিবার্য হয়ে পড়ে। শুধু ব্রিটেনেই এরকম মানুষের সংখ্যা ২৯ লাখ। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী ৩১ কোটিরও বেশি।
রমাগুয়েরার গবেষক দল ইউরোপের মানুষের ডায়াবেটিস ঝুঁকি নিরূপণে চিনিযুক্ত কোমলপানীয়র সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজতে গবেষণাটি পরিচালনা করে। তারা ব্রিটেন, জার্মানি, ডেনমার্ক, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করেন। তবে  ফলের রস খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিসের  কোনো সম্পর্ক নেই।
 

বণিক বার্তা ডেস্ক

চিনিযুক্ত কোমলপানীয় (সোডা ড্রিংক) গ্রহণে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি মাসে ৩৫০ মিলিলিটারের এক ক্যান চিনিযুক্ত কোমলপানীয় খেলে এ ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় ২২ শতাংশ বাড়ে। ইউরোপে পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গত বুধবার এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।
গবেষণাটি পরিচালনায় ইউরোপের আটটি দেশের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান ও লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষক ডোরা রোমাগুয়েরা বলেন, ‘ইউরোপে মিষ্টি কোমলপানীয় গ্রহণের হার বাড়ছে। এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবই পড়ছে।’ গবেষক দলটি ১২ ফ্লুইড আউন্সের কোকাকোলা, পেপসি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের কোমলপানীয় গ্রহণকারীদের ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি               প্রস্তুত করেন।
একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত গবেষণায়ও। সেখানে পরিচালিত কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিষ্টিযুক্ত কোমলপানীয় গ্রহণকারীরা কম সময়েই স্থূলকায় হয়ে পড়েন। চূড়ান্তভাবে তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো মানুষের রক্তে এরকম মাত্রার সুগারের উপস্থিতি থাকলে ইনসুলিন ব্যবহার অনিবার্য হয়ে পড়ে। শুধু ব্রিটেনেই এরকম মানুষের সংখ্যা ২৯ লাখ। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী ৩১ কোটিরও বেশি।
রমাগুয়েরার গবেষক দল ইউরোপের মানুষের ডায়াবেটিস ঝুঁকি নিরূপণে চিনিযুক্ত কোমলপানীয়র সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজতে গবেষণাটি পরিচালনা করে। তারা ব্রিটেন, জার্মানি, ডেনমার্ক, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করেন। তবে  ফলের রস খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিসের  কোনো সম্পর্ক নেই।

– See more at: http://www.bonikbarta.com//archive/index.php?archiev=yes&arch_date=26-04-2013&view=details&menu_id=1&pub_no=303&news_id=40238#sthash.AMOghIrF.dpuf

বণিক বার্তা ডেস্ক

চিনিযুক্ত কোমলপানীয় (সোডা ড্রিংক) গ্রহণে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি মাসে ৩৫০ মিলিলিটারের এক ক্যান চিনিযুক্ত কোমলপানীয় খেলে এ ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় ২২ শতাংশ বাড়ে। ইউরোপে পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গত বুধবার এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।
গবেষণাটি পরিচালনায় ইউরোপের আটটি দেশের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান ও লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষক ডোরা রোমাগুয়েরা বলেন, ‘ইউরোপে মিষ্টি কোমলপানীয় গ্রহণের হার বাড়ছে। এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবই পড়ছে।’ গবেষক দলটি ১২ ফ্লুইড আউন্সের কোকাকোলা, পেপসি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের কোমলপানীয় গ্রহণকারীদের ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি               প্রস্তুত করেন।
একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত গবেষণায়ও। সেখানে পরিচালিত কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিষ্টিযুক্ত কোমলপানীয় গ্রহণকারীরা কম সময়েই স্থূলকায় হয়ে পড়েন। চূড়ান্তভাবে তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো মানুষের রক্তে এরকম মাত্রার সুগারের উপস্থিতি থাকলে ইনসুলিন ব্যবহার অনিবার্য হয়ে পড়ে। শুধু ব্রিটেনেই এরকম মানুষের সংখ্যা ২৯ লাখ। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী ৩১ কোটিরও বেশি।
রমাগুয়েরার গবেষক দল ইউরোপের মানুষের ডায়াবেটিস ঝুঁকি নিরূপণে চিনিযুক্ত কোমলপানীয়র সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজতে গবেষণাটি পরিচালনা করে। তারা ব্রিটেন, জার্মানি, ডেনমার্ক, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করেন। তবে  ফলের রস খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিসের  কোনো সম্পর্ক নেই।

– See more at: http://www.bonikbarta.com//archive/index.php?archiev=yes&arch_date=26-04-2013&view=details&menu_id=1&pub_no=303&news_id=40238#sthash.AMOghIrF.dpuf

বণিক বার্তা ডেস্ক

চিনিযুক্ত কোমলপানীয় (সোডা ড্রিংক) গ্রহণে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ে। প্রতি মাসে ৩৫০ মিলিলিটারের এক ক্যান চিনিযুক্ত কোমলপানীয় খেলে এ ঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় ২২ শতাংশ বাড়ে। ইউরোপে পরিচালিত এক গবেষণায় এমন তথ্য পাওয়া গেছে। গত বুধবার এ-সংক্রান্ত গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। খবর রয়টার্সের।
গবেষণাটি পরিচালনায় ইউরোপের আটটি দেশের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর জরিপ চালানো হয়। এ বিষয়ে গবেষণা দলের প্রধান ও লন্ডন ইমপেরিয়াল কলেজের গবেষক ডোরা রোমাগুয়েরা বলেন, ‘ইউরোপে মিষ্টি কোমলপানীয় গ্রহণের হার বাড়ছে। এর মাধ্যমে চূড়ান্তভাবে মানুষের স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাবই পড়ছে।’ গবেষক দলটি ১২ ফ্লুইড আউন্সের কোকাকোলা, পেপসি ও অন্যান্য ব্র্যান্ডের কোমলপানীয় গ্রহণকারীদের ওপর জরিপ চালিয়ে প্রতিবেদনটি               প্রস্তুত করেন।
একই ধরনের ফল পাওয়া গেছে যুক্তরাষ্ট্রে পরিচালিত গবেষণায়ও। সেখানে পরিচালিত কয়েকটি সমীক্ষায় দেখা গেছে, মিষ্টিযুক্ত কোমলপানীয় গ্রহণকারীরা কম সময়েই স্থূলকায় হয়ে পড়েন। চূড়ান্তভাবে তারা টাইপ-২ ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হন। দীর্ঘদিন ধরে কোনো মানুষের রক্তে এরকম মাত্রার সুগারের উপস্থিতি থাকলে ইনসুলিন ব্যবহার অনিবার্য হয়ে পড়ে। শুধু ব্রিটেনেই এরকম মানুষের সংখ্যা ২৯ লাখ। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) হিসাব অনুযায়ী, বিশ্বব্যাপী টাইপ-২ ডায়াবেটিসের রোগী ৩১ কোটিরও বেশি।
রমাগুয়েরার গবেষক দল ইউরোপের মানুষের ডায়াবেটিস ঝুঁকি নিরূপণে চিনিযুক্ত কোমলপানীয়র সঙ্গে যোগসূত্র খুঁজতে গবেষণাটি পরিচালনা করে। তারা ব্রিটেন, জার্মানি, ডেনমার্ক, ইতালি, স্পেন, সুইডেন, ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের সাড়ে ৩ লাখ মানুষের ওপর সমীক্ষাটি পরিচালনা করেন। তবে  ফলের রস খাওয়ার সঙ্গে ডায়াবেটিসের  কোনো সম্পর্ক নেই।

– See more at: http://www.bonikbarta.com//archive/index.php?archiev=yes&arch_date=26-04-2013&view=details&menu_id=1&pub_no=303&news_id=40238#sthash.AMOghIrF.dpuf

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: