শিরোনাম
◈ ক্ষমতার পতন ও অপেক্ষার মিষ্টি ফল-মহসীন ভূঁইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তাকে খাল বানিয়ে নিরুদ্দেশ ঠিকাদার! ◈ নাঙ্গলকোটের তিনটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের টিম ◈ নাঙ্গলকোটে শত বছরের পানি চলাচলের ড্রেন বন্ধ ,বাড়িঘর ভেঙ্গে ২’শ গাছ নষ্টের আশংকা ◈ পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে খরচ বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা ◈ অরুণাচল সীমান্তে বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান! চীন-ভারত সংঘাতের আশঙ্কা ◈ কুমিল্লার বিশ্বরোডে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ইউলুপ- লোটাস কামাল ◈ দুই মামলায়খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি আজ ◈ মাদকবিরোধী অভিযানএক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১ ◈ নাঙ্গলকোটে চলবে ৩ দিন ব্যাপী মাটি পরীক্ষা

ঢাকার রাজপথে দিনে দুপুরে বেদে মেয়েদের প্রকাশ্যে চাঁদাবাজি

১৩ মে ২০১৮, ১১:১৩:০৭

মোঃমাছুম উদ্দিন (রাজন),স্টাফ রিপোর্টারঃ

একটা সময়ে শিংগা লাগিয়ে অথবা তাবিজ কবজ বিক্রি করে সংসার চালাতো বেদে সম্প্রদায়ের নারীরা। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তির যুগে মানুষ সতেচন হওয়ায় এইসব শিংগা তাবিজ কেউ বিশ্বাস না করাতে জীবন চালানোর তাগিতে পেশা বদল করে শহরের ফুটপাতে পথচারীদের কাছ থেকে টাকা আদায় তথাকথিত হাত পাতছে এই সম্প্রদায়ের মানুষগুলো। বেদে সম্প্রদায়ের একজন নারীর সাথে আলাপচারিতায় জানা যায় যেহেতু শহরে মানুষের আনাগোনা বেশি তাই এই সম্প্রদায়ের সবাই এখন শহরমুখী।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই নারী জানান-ঢাকার আশেপাশে নদীতে ভাসমান নৌকায় ও সরকারী পরিত্যক্ত জায়গায় তাদের বসবাস। সর্দারের  নির্দেশ অনুযায়ী ছোট ছোট দলে তারা বিভক্ত হয়ে ফকিরাপুল,পল্টন,যাত্রাবাড়ী,কমলাপুর,মতিঝিল এলাকা সহ ঢাকা শহরের সব জায়গায় সাধারন পথচারীদেরকে তাদের সাথে থাকা সাপের ভয় দেখিয়ে অর্থ আদায় করছে এই সম্প্রদায়ের নারীরা। যারা এদের দ্বারা আক্রান্ত হয়েছেন,অনেকেই বলেন এটা এক ধরণের চাঁদাবাজি, কেননা ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা আদায় করাটা অন্যায়। অনেক সময় অনেকের পকেটে টাকা না থাকলেও তারা এদেরকে অনেক খারাপ কথা বলে বিভ্রান্তির মধ্যে ফেলে দেয়। সরকারী পৃষ্টপোষকতায় তাদের পূর্বাসন ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা না গেলে এর কোন সমাধান মিলবে না বলে মনে করছেন সতেচন নাগরিকরা।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: