তিতাসে ভাইয়ের ৭দিনের সাজায় বোনের বাল্য বিয়ে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা

তিতাসে ভাইয়ের ৭দিনের সাজায় বোনের বাল্য বিয়ে

2 November 2016, 11:19:48

নিজস্ব প্রতিনিধিÑতিতাস
কুমিল্লার তিতাসে ভাইয়ের ৭ দিনের সাজার বিনিময়ে বোনের বাল্য বিয়ে সম্পন্ন করা হয়েছে। ঘটনা ঘটে গত সোমবার রাতে উপজেলার কড়িকান্দি ইউনিয়নের বন্দরামপুর গ্রামের পূর্বপাড়ায়। সাজাপ্রাপ্ত আনোয়ার হোসেন ওই গ্রামের মো. মনু মিয়ার ছেলে।
এলাকাবাসী ও প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বন্দরামপুর পূর্বপাড়ার মনু মিয়ার মেয়ে ও গাজীপুর আজিজিয়া সিনিয়র মাদ্রাসার ৯ম শ্রেণীর ছাত্রী লিজা আক্তারকে (১৫) বাল্য বিয়ে দিচ্ছে একই উপজেলার শোলাকান্দি গ্রামের প্রবাসী মেহেদী হাসানের সাথে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশকে সাথে নিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকিমা বেগম ও উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম অভিযান চালায় এবং বিয়ের আয়োজন করায় কনের ভাই আনোয়ার হোসেনকে আটক করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পড়ে আনোয়ার হোসেনকে ভ্রাম্যমান আদালতের মাধ্যমে ৭দিনের সাজা দেয়া হয়।
এদিকে ভাইকে সাজা দেয়া হলেও বন্ধ হয়নি লিজার বাল্য বিয়ে এমন তথ্য জানায় এলাকাবাসী। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ম্যানেজ করে রাতেই বিয়ের কাজ সম্পন্ন করা হয়। একইভাবে কিছুদিন পূর্বেও উপজেলার চেঙ্গাতলী গ্রামের প্রবাসী জুলহাস মিয়ার মেয়ে ও ড. খন্দকার মোশারফ হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়ের ৮ম শ্রেণীর ছাত্রী ফেরদৌসী আক্তারকে দাউদকান্দি উপজেলার গোফচর গ্রামের মনু মিয়ার ছেলে রিপনের সাথে বিয়ে সম্পন্ন করে। প্রশাসন দায় এড়াতে বর ও কনের পরিবার পলাতক উল্লেখ করে বিয়ে পড়ানোর দায়ে কাজী অহিদুর রহমানকে ৭দিনের সাজা দেয়া হয়। এরপর কনের বাবাকে একাধিকবার থানায় ডাকা হলেও রহস্যজনক ভাবেই কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এলাকাবাসী জানায়, যেখানে প্রশাসন বাবা ও ভাইকে নিয়ে যায়। আবার ভাইকে সাজাও দেয়। সেখানে কিভাবে বাল্য বিয়ে শেষ করে। নিশ্চই কারো না কারো ইন্দন রয়েছে। এবিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকিমা বেগম বলেন, আমি এ্যাসিল্যান্ড সাহেব গিয়েছিলাম। কনের ভাইকে নিয়ে এসেছি। তাকে সাজাও দিয়েছি। এরপর সাংবাদিকের একটি মন্তব্যের আলোকে লিখিত অভিযোগ দিতে বলেন এবং এরপর কোন কথা থাকলে সরাসরি বলতে বলেই লাইনটি কেটে দেন।
বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ ছিলো কি না জানতে চাইলে, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) তৌহিদুল ইসলাম অফিসে কথা বলবেন বলে ফোনটি কেটে দেন।
বিষয়টি জেলা ডিসি মহোদয়ের নিকট জানানো হলে তিনি সাংবাদিককে বিষয়টি নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশের জন্য বলেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: