তৃণমূলে যাচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

তৃণমূলে যাচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা

22 October 2016, 9:24:30

মামুন স্ট্যালিন

যেসব জেলায় কমিটি গঠনে প্রতিবন্ধকতা রয়েছে, তা দূর করে নতুন কমিটি গঠনের ল্য এবং সাংগঠনিক কর্মকা-ের গতি বাড়াতে তৃণমূলে যাচ্ছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারা। জানা গেছে, এ লক্ষ্যে ১৪ জনের একটি সাংগঠনিক টিম করা হয়েছে। অবশ্য এর আগেও এ ধরনের টিম বানিয়ে একাধিকবার সফর করে তৃণমূলে সাংগঠনিক গতি বাড়াতে পারেনি বিএনপি। তৃণমূল নেতাকর্মীদের মতে, এক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় বাধা কেন্দ্রীয় আবার জেলা কমিটিতে আছেন এমন নেতাদের অসহযোগিতা। দলীয়সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার রাতে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এসব টিম অনুমোদন দেন। সাংগঠনিক টিমে আছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, আবদুল আউয়াল মিন্টু, ব্যারিস্টার আমিনুল হক, শামসুজ্জামান দুদু, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুবউদ্দিন খোকন, মজিবর রহমান সরোয়ার, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, খায়রুল কবির খোকন, হারুন অর রশীদ ও রংপুর বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আসাদুল হাবিব দুলু।

সম্প্রতি নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলের সাংগঠনিক ও সহ-সাংগঠনিক সম্পাদকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মির্জা ফখরুল। ওই বৈঠকে তিনি আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে মেয়াদোত্তীর্ণ সব জেলা ও মহানগর কমিটি গঠনের তাগিদ দেন। সে অনুযায়ী কাজ করতে নতুন করে টিমও গঠন করা হয়। জানা গেছে, ৭৫টি সাংগঠনিক জেলার মধ্যে গত দেড় বছরে মাত্র ১৩ জেলায় নতুন কমিটি গঠন করতে পেরেছে বিএনপি। তাই এবার আটঘাট বেঁধে নামতে চায় দলটির হাইকমান্ড। এর আগে তৃণমূলে কমিটি করতে যেসব নেতা বাধা সৃষ্টি করেছেন, তাদের ব্যাপারে কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে চান বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া।

বিএনপির একাধিকসূত্র জানায়, যেসব নেতা এখনো কেন্দ্র ও জেলার পদ আঁকড়ে আছেন, তাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন খালেদা জিয়া। এর পরও তারা ‘এক নেতা এক পদ’ নীতি না মানলে তিনি নিজেই এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। গত মার্চে অনুষ্ঠিত বিএনপির ষষ্ঠ জাতীয় সম্মেলনে ‘এক নেতার এক পদ’ নীতি বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এদিকে প্রশাসনের অসহযোগিতা, অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব-কোন্দলসহ বিভিন্ন কারণে স্থানীয়ভাবে বড়পরিসরে সম্মেলন করতে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে বলে অভিযোগ করে আসছেন বিএনপি নেতারা। এ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে ক্ষুদ্রপরিসরে সম্মেলন বা কর্মিসভা করে পরে ঢাকায় বসে কমিটি ঘোষণার চিন্তা করা হচ্ছে।

২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি নির্বাচন প্রতিরোধ ও পরবর্তী সময়ে সরকারবিরোধী আন্দোলনকালে বিএনপির কেন্দ্রীয় ও জেলা-মহানগর, উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের অধিকাংশ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা হয়। এসব মামলায় গ্রেপ্তার এড়াতে তারা অনেকেই পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। এ ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে সভা-সমাবেশে সরকারের বাধার অভিযোগ করে আসছে দলটি। এ কারণে সম্প্রতি এমন কয়েকটি জেলার নেতাদের সঙ্গে ঢাকায় বৈঠক করেন তৃণমূল পুনর্গঠনে সমন্বয়কের দায়িত্বে থাকা বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান। এ ছাড়া ঢাকা বিভাগের বাকি জেলার নেতাদেরও ঢাকায় ডেকে বৈঠক করার কথা রয়েছে। এসব বৈঠকে সংশ্লিষ্ট জেলার সিনিয়র ৫ নেতা, থানা বা উপজেলার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক, বিএনপি-সমর্থিত পৌর মেয়র ও উপজেলা চেয়ারম্যানরা থাকবেন।

এ বিষয়ে মো. শাহজাহান বলেন, জেলা, মহানগরসহ মেয়াদোত্তীর্ণ সব জায়গায় কমিটি করার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে এসব জায়গায় কমিটি করার কাজ চলছে। শিগগির কেন্দ্রীয় নেতাদের নিয়ে গঠিত সাংগঠনিক টিমের নেতারা সংশ্লিষ্ট এলাকায় যাবেন। নেতাকর্মীদের কাছে যাদের গ্রহণযোগ্যতা আছে, তারাই তৃণমূলের নতুন নেতৃত্বে আসবেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: