তেরখাদায় পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিঃ নাজাহেল উপজেলাবাসী | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / সারাদেশ / বিস্তারিত

তেরখাদায় পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোডশেডিঃ নাজাহেল উপজেলাবাসী

1 April 2018, 4:45:31

রাসেল আহমেদ, বিশেষ প্রতিবেদকা ঃ
পল্লী বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে চরম বেষ্যম্যের স্বীকার হচ্ছেন তেরখাদা উপজেলাবাসী। যখন খুশি বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করা হচ্ছে, আর যখন ইচ্ছা তখন বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হচ্ছে। পল্লী বিদ্যুতের স্থানীয় দায়িত্বশীলদের গাফিলতি আর খামখেয়ালিপনার কারনে উপজেলাবাসীর সাথে তারা যেন তামাশা শুরু করেছে বলে গ্রাহকদের এ অভিযোগ। চৈত্রের প্রখর রৌদ্র আর প্রচন্ড গরমে দাবাদাহে প্রাণিকুল অতিষ্ট, তার উপর বিদ্যুতের খামখেয়ালিপানার শিকার হয়ে মারাত্মক নাজাহাল হয়ে পড়েছেন খুলনা সেনেরবাজার পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির অধিনস্থ তেরখাদা উপজেলা জোনাল অফিসের আওতাধীন প্রায় ১৬-১৭ হাজার গ্রাহক। উপজেলার ইখড়ি এলাকাতে ১০ মেগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন বিদ্যুতের উপকেন্দ্র চালু থাকলেও প্রতিদিন সকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যার আগ পর্যন্ত ১০/১২ বার বিদ্যুৎ আসা যাওয়া করছে। সম্প্রতি সকাল ভোররাত্রি থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ২/৩ মিনিট পর পর ১৬/১৭ বার পল্লী বিদ্যুতের ঘন ঘন লোড শেডিং দেখা দেয়। সামান্য বৃষ্টির পানি পড়ার সাথে সাথে বিদ্যুৎ চলে যায় আর যে কখন আসে তা বলার কোন অবকাশ নেই। বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগেরও কোন উপায় নেই। অভিযোগ নম্বরে অভিযোগ করে ফোন দিলে তা অধিক সময় ব্যস্ত দেখায়। বিদ্যুৎ বিভাগের এ উদাসীনতার কারনে উপজেলাবাসীর অসহ্যনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। এদিকে বিদ্যুতের এ অবস্থায় ব্যবসা বানিজ্য যেমন ধ্বস নেমেছে, তেমনি শুরু হওয়া এইচ এস সি পরীক্ষার্থীদের সহ শিক্ষার্থীদের লেখাপড়াতো শিকেই উঠেছে। দিনের অর্ধেকের বেশী সময় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হলে অন্য সময় যেমন বিকেল, সন্ধ্যা বা রাতেও লোড শেডিং এর হাত থেকে রেহায় পাওয়া যাচ্ছে না। পল্লী বিদ্যুতের স্থানীয় গ্রাহকদের অভিযোগ, বরাবরই বিদ্যুৎ প্রাপ্তিতে বৈশম্যের শিকার তেরখাদা উপজেলাবাসী। স্কুল , কলেজ ও মাদরাসার শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ায় মারাত্মক বিঘœ ঘটছে লোড শেডিং এর কারনে। ফলে অভিভাবক মহল দুশ্চিন্তাগ্রস্থ হয়ে পড়েছেন ছেলেমেয়েদের লেখাপড়া নিয়ে। অফিসপাড়ার কর্মকর্তা কর্মচারীদের জরুরী কর্মকান্ড করতে গিয়ে সময়ক্ষেপন হচ্ছে সাংবাদিকদের সংবাদ প্রেরণে দারুন ভাবে বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। অবহেলিত এই জনপদে বিদ্যুতের লোড শেডিংএর কারনে জনজীবন থমকে দাড়িয়েছে। উন্নয়ন ও উৎপাদনে সংশ্লষ্টদের বিড়ম্বনা পোহাতে হচ্ছে। বিদ্যুৎ গ্রাহকরা অনেকেই জানান একটু জোরে বাতাশ হলে বা একটু জোরে বৃষ্টি হলেই তেরখাদা থেকে বিদ্যুৎ সার্ভিস বন্ধ করে দেয়া হয়। এ নিয়ম চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। তেরখাদা থেকে বিদ্যুতের লোড শেডিং কমিয়ে আনা দরকার। অন্যথায় অবহেলিত ও উন্নয়ন বঞ্চিত তেরখাদা উপজলার মানুষ আধুনিকতার এই যুগে আরও এক ধাপ পিছিয়ে যাবে, এমই হতাশা তেরখাদা উপজেলার বিদ্যুৎ গ্রাহক ও সচেতন মহলের। এদিকে সারা বছর প্রায়ই মেইন লাইন সহ বিভিন্ন কাজের রক্ষনাবেক্ষনের অযুহাতে দিনভর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখা হয়। সব মিলিয়ে তেরখাদা উপজেলাতে পল্লী বিদ্যুৎ আর্শিবাদ না হয়ে অভিশাপ হয়ে দেখা দিয়েছে। পল্লী বিদ্যুৎ তেরখাদা জোনাল অফিসের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার মাসুদ আলমের সাথে বার বার যোগাযোগ করে পাওয়া যায় নি। অনেক সময় ফোনে পাওয়া গেলেও সঠিক তথ্য পাওয়া যায় না তার কাছ থেকে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x