নতুন ভোরের অপেক্ষায় কসোভো | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!
প্রচ্ছদ / খেলাধুলা / বিস্তারিত

নতুন ভোরের অপেক্ষায় কসোভো

5 September 2016, 8:45:36

ডেস্ক রিপোর্ট

এ মুহূর্তটির জন্য তাদের অপেক্ষা সিকি শতাব্দীর। এর মধ্যে মুক্তি-মন্দিরের সিঁড়িতে ঝরেছে কত প্রাণ, কত রক্ত। অবশেষে আজ ফিফার সদস্য হিসেবে বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব খেলতে যাচ্ছে কসোভো। কিন্তু শেষ মুহূর্তেও নানা জটিলতায় প্রশ্ন উঠছে, ফিনল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচে ১১ জন খেলোয়াড় পাবে তো দেশটি?
যুগোস্লাভিয়া থেকে আলাদা হওয়ার জন্য দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে সংগ্রাম করছে কসোভো। এরই মধ্যে যুগোস্লাভিয়া ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেছে, ২০০৮ সালে সার্বিয়া থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে স্বাধীনতা ঘোষণা করেছে কসোভো। সার্বিয়া, রাশিয়াসহ অনেক দেশের স্বীকৃতি এখনো মেলেনি। সার্বিয়ার প্রবল বিরোধিতার মুখে গত মে মাসে ফিফার ২১০তম সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছে কসোভো। আন্তর্জাতিক প্রীতি ম্যাচও খেলেছে এর মধ্যে। কিন্তু আজ ফিনল্যান্ডের সঙ্গে ঐতিহাসিক ম্যাচের আগে প্রথম একাদশ গড়তে পারা নিয়েই তুমুল সংশয়। ছাড়পত্র-সংক্রান্ত জটিলতায় অনেকের খেলা যে এখনো অনিশ্চিত।
ফিফার নিয়ম অনুযায়ী, কোনো দেশের হয়ে খেলে ফেললে আরেকটি দেশের হয়ে খেলার জন্য বিশেষ অনুমতি লাগে। কিন্তু কসোভোর অনেক ফুটবলার সেই অনুমতি এখনো পাননি। এ মুহূর্তে কসোভান বংশোদ্ভূত ২৪ জন ফুটবলার ইউরোপেরই অন্য ছয় দেশের হয়ে খেলছেন। বেশির ভাগই খেলেছেন আলবেনিয়ার হয়ে, এঁদের চারজন আবার কসোভোর হয়ে খেলার জন্য আবেদন করেছেন। মিডফিল্ডার আলবান মুয়া যেমন একটি নাম। মুয়া নিজের ফেসবুক পেজে লিখেছেন, ‘মনে হচ্ছে আমাদের স্বপ্ন সত্যি হতে চলেছে।’
কিন্তু মুয়া এখনো জানেন না, আজ মাঠে নামা হবে কি না। মাত্রই ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ছেড়ে যাওয়া বেলজিয়ান উইঙ্গার আদনান ইয়ানুজাই, ফিনল্যান্ডের পেরপারিম হেতেমাই, সুইডেনের আরবের জেনেলিরাও খেলতে চান জন্মভূমির হয়ে। নরওয়ের ভেলন বেরিশা যেমন অনেক দ্বিধায় বেছে নিয়েছেন কসোভোকেই, ‘আমি নরওয়েতে জন্মেছি। আমি যা পেয়েছি সবকিছুর জন্য নরওয়েকে ধন্যবাদ। তিন-চার সপ্তাহ বুঝতে পারিনি কী করব। শেষ পর্যন্ত আমি কসোভোতেই খেলছি।’ এ রকম আরও অনেক কসোভান যুদ্ধের বিভীষিকার মধ্যে অন্য দেশে থিতু হয়েছেন। তাঁরাও আছেন নতুন ভোরের অপেক্ষায়।
কসোভার কোচ আলবার্ট বুনজাকি যেন অসহায়। ২৫ জন স্কোয়াডের ১১ জনেরই অনুমতিপত্র এখনো আসেনি। পরশু পর্যন্ত মাত্র ১১ জনকে নিয়েই অনুশীলন করতে হয়েছে। এত কিছুর পরও বুনজাকি মনোবল হারাচ্ছেন না, ‘পরের ইউরোর জন্য ভালো একটা দল গড়ার প্রক্রিয়া আমরা শুরু করেছি।’
অথচ এখনো নিজেদের আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন স্টেডিয়াম নেই কসোভোর। ঘরের মাঠের ম্যাচ খেলতে যেতে হবে আলবেনিয়ান শহর শকোদ্রায়। রাজধানী প্রিস্টিনায় অবশ্য নতুন স্টেডিয়ামের কাজ শুরু হয়ে গেছে, সামনের বছর সেটি শেষ হওয়ার কথা।
তবে আপাতত ওগুলো কসোভানদের মাথাতেই নেই। অনেকেই অনিশ্চিত থাকুক, শেষ পর্যন্ত মাঠে নিশ্চয়ই নামবে। কসোভান ডিফেন্ডার বাজরাম জাশানিকাকে ছুঁয়ে যাচ্ছে আবেগ, ‘আমরা ভীষণ আবেগতাড়িত। তবে এ অবস্থা কাটিয়ে ভালো একটা ফল পেতে হবে। আমরা সেটার জন্য তৈরি।’
শুধু তো একটা ম্যাচ নয়, কসোভোর জন্য আজ যে একটা যুদ্ধ জয়ের উপলক্ষও। এএফপি, মেইল অনলাইন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: