নবাব সিরাজদৌলার ২৬০তম শাহাদাত বার্ষিকী ৩ জুলাই | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

নবাব সিরাজদৌলার ২৬০তম শাহাদাত বার্ষিকী ৩ জুলাই

2 July 2017, 5:32:37

 

মাহমুদ ইউসুফ

 

নবাব মির্জা মুহাম্মাদ সিরাজদৌলা জন্মগ্রহণ করেন ১৭৩২ সালে। তিনি ছিলেন বাংলা বিহার উড়িষ্যার শেষ নবাব। পলাশির যুদ্ধে তাঁর পরাজয়ের পরই ভারতবর্ষে ১৯০ বছরের বৃটিশ শাসনের সূচনা হয়। ১৭৫৭ সালের ০৩ জুলাই দেশপ্রেমের অপরাধে তাঁকে ফাঁসি দেয়া হয়। আজ নবাব সিরাজদৌলার ২৬০তম শাহাদাত বার্ষিকী।
বাংলাদেশের স্বাধীনতা দুবার লুণ্ঠিত হয়। প্রথমবার ১৫৭৬ সালে আর দ্বিতীয়বার চূড়ান্তভাবে ১৭৫৭ সালে। ১৫৭৬ সালের ১২ জুলাই সংঘটিত হয় রাজমহলের যুদ্ধ। এ সমরে মুঘল সেনাপতি ছিলেন খানই জাহান হোসেন কুলি বেগ। আর বাঙলার স্বাধীনতার স্বপক্ষ শক্তির নেতৃত্বে ছিলেন দাউদ খান কররানি। এ লড়াইয়ে বিজয়ী হয় মুঘল বাহিনী। পালাতে গিয়ে দাউদ খান কররানির ঘোড়ার পা কাদায় আটকে যায়। বন্দি হন দাউদ খান কররানি। মুঘল আমিরদের দাবি অনুসারে হত্যা করা হয় দাউদ খান কররানিকে এবং তাঁর ছিন্ন মু- আকবরের নিকট প্রেরিত হয়। একই সঙ্গে লুপ্ত হয় বাঙলার স্বাধীন সালতানাত। তদানীন্তন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ মহানগর সোনারগাঁও তলিয়ে যায় অন্ধকারে। বাঙলা বরণ করে ভারতের অধীনতা। দিল্লির বেদীমূলের আশ্রয়ে যায় বাঙলা। বাঙালিদের কপালে জুটে পরাধীনতার তিলক। সোনার বাংলা হয় লুটপাট ক্ষেত্র। দিল্লির চাটার দলেরা এদেশের সহায় সম্পদ খুবড়ে খেতে থাকে। বাঙলার সম্পদ লুট হয়ে দিল্লি সমৃদ্ধ হতে থাকে। সেই ধারা আজও অব্যাহত।
অন্যদিকে ২৩ জুন ১৭৫৭ পলাশির ময়দানে সিরাজদৌলার পরাজয়ের পর বাংলাদেশ চলে যায় লন্ডলের আশ্রিতরাজ্যে। তাই দেখা যায়, ২৩ জুন শোকাবহ ঘটনা, একটি বড় ট্রাজেডি। জগৎশেঠ ভ্রাতৃদ্বয়, মানিকচাঁদ, নন্দকুমার, রায়দুর্লভ, মিরজাফর, ইয়ার লতিফ, উমিচাদ, গোবিন্দ্র মিত্রদের বিশ^াসঘাতকতায় আশাহত হয় বাঙলার আম জনতা। করুন রোদন ও আহাজারির দিবস পলাশি। আমাদের স্বাতন্ত্রতা ও স্বকীয়তা হারানোর দিন। পরাধীনতা শৃঙ্খলে, আগ্রাসনের কবলে, ইউরোপের পিঞ্জরে আত্মাহুতির দিবস। ঐতিহাসিক শোক দিবস এটাই। আর ৩রা জুলাই নবাব সিরাজদৌলার শাহাদাত দিবস।

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: