শিরোনাম
◈ ক্ষমতার পতন ও অপেক্ষার মিষ্টি ফল-মহসীন ভূঁইয়া ◈ নাঙ্গলকোটে দুই গ্রামের মানুষের চলাচলের প্রধান রাস্তাকে খাল বানিয়ে নিরুদ্দেশ ঠিকাদার! ◈ নাঙ্গলকোটের তিনটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের টিম ◈ নাঙ্গলকোটে শত বছরের পানি চলাচলের ড্রেন বন্ধ ,বাড়িঘর ভেঙ্গে ২’শ গাছ নষ্টের আশংকা ◈ পদ্মা সেতুর রেল সংযোগে খরচ বাড়লো ৪ হাজার কোটি টাকা ◈ অরুণাচল সীমান্তে বিশাল স্বর্ণখনির সন্ধান! চীন-ভারত সংঘাতের আশঙ্কা ◈ কুমিল্লার বিশ্বরোডে হচ্ছে দৃষ্টিনন্দন ইউলুপ- লোটাস কামাল ◈ দুই মামলায়খালেদার জামিন আবেদনের শুনানি আজ ◈ মাদকবিরোধী অভিযানএক রাতে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত ১১ ◈ নাঙ্গলকোটে চলবে ৩ দিন ব্যাপী মাটি পরীক্ষা

নাঙ্গলকোট’র এস এ কিরণ’র গান চুরি করে বিপাকে বেলাল খান, হতাশ মিডিয়া!

২২ জানুয়ারি ২০১৭, ১:৩৪:০৯
বাপ্পি মজুমদার ইউনুস-
কুমিল্লা’র নাঙ্গলকোট উপজেলার উদীয়মান শিল্পী এস এ কিরণ ২০১০ সালে সর্বপ্রথম ‘পাগল তোর জন্যরে’ শিরোনামে একটি মিউজিক ভিডিও এ্যালবাম বিউটি কর্ণারের (বি সি প্রকাশনী) ব্যানারে বাজারে আনেন। এ্যালবামটির জনপ্রিয় গান ছিল পাগল তোর জন্যরে শিরোনামের গানটি। সূর দিয়েছিলেন বেলাল খান।
দৈনিক আমাদের নাঙ্গলকোটকে দীর্ঘ সাক্ষাৎকারে এস এ কিরণ জানান, আমি পাগল তোর জন্যরে এ্যালবামটি বাজারজাত করার পরেও সুরকার বেলাল খান তার সেই সুর ও স্বত্ত্ব এবং গানের প্রথম দুই লাইন নিয়ে মঈন বিশ্বাসের ‘পাগল তোর জন্যরে’ ছবিতে ব্যবহার করেন। এ সুরের ওপর নতুন কথা লিখে দেন গীতিকার জুলফিকার রাসেল। তারপর এতে কণ্ঠ দেন ন্যান্সি ও বেলাল খান। আর শিল্পী এস এ কিরণের সাথে প্রতারণা করে এই গান গেয়েই আজ নন্দিত শিল্পী বেলাল খাঁন।
এদিকে সম্প্রতি আরটিভির সরাসরি সম্প্রচারিত একটি সংগীতানুষ্ঠানে এই গান পরিবেশন করেন ন্যান্সি। এসময় তিনি প্রকৃত গীতিকার ও সংগীত পরিচালকের নাম উল্লেখ না করলেও কিরণ নামে একজন শিল্পীর গান বলে উল্লেখ করেন।যার ফলে গানটির প্রকৃত শিল্পী কে এই নিয়ে সৃষ্টি হয়েছে জটিলতা। একজন শিল্পী অন্য শিল্পীকে সম্মান প্রদর্শন করবে এটাই স্বাবাভিক কিন্তু তিনি জানালেন কিরণ নামে একজন শিল্পী। আর এস এ কিরণ সারাদেশ সহ বিভিন্ন দেশে জনপ্রিয় হয়ে উঠলেন পাগল তোর জন্যরে এ্যালবামটির মাধ্যমে।

https://www.youtube.com/watch?v=CYTosDUoO4k

 এস এ কিরণের পাগল তোর জন্যরে গানটি শুনতে চাইলে উপরে ক্লিক করুন।
এ ঘটনার প্রতিবাদে বেলাল খান ফেসবুকে দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে মন্তব্যের ঝড় বইছে।
এস এ কিরণ দাবি করেছেন মিউজিক ভিডিও এ্যলবাম হিসেবে বিউটি কর্নারের ব্যানারে এ্যালবামটি বাজার জাত হয় ২০১০ সালে। যার মৌলিক শিল্পী আমি, বেলাল খান গানটির সুরকার ছিলেন, গীতিকার ছিলেন মেহেদি হাসান মনির।
এই দিকে শিল্পী এস এ কিরণের দাবির সত্যতা পাওয়া গেছে। ২০১০ সালেই পাগল তোর জন্যরে গানটি গ্রামীনফোন,বাংলালিংক ও রবিসহ প্রায় সবকয়টি মোবাইল অপারেটর কোম্পানী আমার টিউন, মাই টিউন হিসেবে সেট করার জন্য কোড প্রকাশ করে। যেখানে গানটির শিল্পী হিসেবে এস এ কিরণের নাম রয়েছে। সংগীতাঙ্গনের অনেকেই বিষয়টি নিয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছেন।
এস  এ কিরণ বলেন,“পাগল তোর জন্যে” গানটি আমি ২০১০ সালে বাজারে আনার অল্প সময়ের মধ্যেই গানটির সুনাম সারা দেশে ও দেশের বাহিরে ছড়িয়ে পড়ে। এই গানটি জনপ্রিয় হওয়ায়  ২০১০সালে আমার “পাগল তোর জন্য ” এলবামটি শ্রোতারা ক্রয় করেছেন আর মানুষের ভালোলাগাতে আমি দেশের বাহিরেও স্টেজ শোতে অংশ গ্রহন করে গানটি বিভিন্ন শোতে পরিবেশন করেছি। এমনকি বাংলাদেশ টেলিভিশন এবং দেশের বিভিন্ন বেসরকারী টিভি চ্যানেল বিশেষ করে চ্যানেল আই, চ্যানেল নাইন, মাই টিভিসহ অসংখ্য চ্যানেলে গানটি সম্প্রচার হয়েছে।
এস এ কিরণ আরো বলেন, আমি Bengali Community of Singapore এর আমন্ত্রনে ২০১১ এর শেষের দিকে সিংগাপুরে চলে যাই একটি কন্সার্টে অংশগ্রহন করতে। এর আগে বেলাল ভাই আমাকে বলেন, কিরন তোমাকে পাগল তোর জন্য গানটি একটা ছবিতে গাইতে হতে পারে, আমি বললাম ঠিক আছে কিন্তু কো আর্টিস্ট কে? উনি বলেন ন্যান্সি, আমিতো খুশিতে আত্নহারা!  আমি বললাম ঠিক আছে। আমি সিংগাপুর থেকে শোটা শেষ করে আসি।
ঈদুল আযহার কিছুদিন আগের ঘটনা। বেলাল ভাই আমাকে কোন কিছু জিজ্ঞেস না করেই আমার সাইন নকল করে আমার এ্যালবামের প্রকাশনা কোম্পানি বিউটি কর্নারের মালিক নুরুল্লা মিলু ভাইকে ভুল বুঝিয়ে একটি অনুমতি পেপারস নিয়ে ন্যান্সির সাথে গানটি গেয়ে ফেলেন।তবে এই বিষয়টি আমি পরে জেনেছি।
এস এ কিরণ এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
আর এই বিষয়টি যখন মিডিয়া পাড়ায় আলোড়িত তখন মিডিয়া কর্মীরা বেলাল খানের এই আচরণে হতাশা দেখছেন। আর এই নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো তে চলছে তোলপাড়। বেলাল খাঁনের এই ন্যায় বিরোধী কাজে সবাই জগাড় এটাই প্রমান হচ্ছে যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে। বেলাল খাঁনের সাথে যোগাযোগ করতে চাইলে উনার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
এস এ কিরণ নাঙ্গলকোট’র কৃত্বি সন্তান হওয়া পুরো জেলা জুড়ে চলছে প্রতিবাদের জোড়।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: