নাঙ্গলকোটের দুর্ধর্ষ চোর ইসমাইলকে গ্রেফতার করায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্থি

18 November 2019, 10:02:59

নিজস্ব প্রতিবেদক।
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার পানকরা গ্রামের দু’র্ধর্ষ চো’র ইসমাইল হোসেন এক সহযোগীসহ পুলিশের হাতে গ্রে’ফতার হওয়ায় এলাকাবাসীর মাঝে স্বস্থি ফিরেছে। পানকরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি ল্যাপটপ চু’রির ঘটনায় তাকে গ্রে’ফতার করে সোমবার বিকেলে কুমিল্লার আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আ’টককৃতরা হলেন- পানকরা গ্রামের আবুল খায়েরের ছেলে মো. ইসমাইল হোসেন ও একই গ্রামের মৃ’ত নুরুল ইসলামের ছেলে হারুনুর রশিদ কালা। গ্রে’ফতারের সময় তাদের কাছ থেকে ৫০ পিচ ই’য়াবা উ’দ্ধার করেছে পুলিশ।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, গত ৪ মাস ধরে পানকরা গ্রামে প্রায় ২০টি চু’রির ঘটনা ঘটেছে। এরমধ্যে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দু’টি ল্যাপটপ চু’রির ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা হেদায়েতুন নাহার বাদী হয়ে থানায় প্রথমে জিডি ও পরে মা’মলা দায়ের করেন। ওই মা’মলার সূত্র ধরে দু’র্ধর্ষ চো’র ইসমাইলকে তার সহযোগী হারুনুর রশিদকে ৫০ পিচ ই’য়াবা বড়ি সহ আ’টক করে আদালতে সোপর্দ করে পুলিশ। তবে এসব সংঘবদ্ধ চু’রির সাথে জড়িত অন্যান্যদের খুব দ্রুুত গ্রে’ফতারের দাবী জানিয়েছে গ্রামবাসী।


জানাগেছে, ওই গ্রামের মনমোহন চন্দ্র দাসের ৪টি গরু, আবুল বাশার বাবুলের ২টি গরু, শাহাদাত হোসেন ভেন্ডারের ২টি ও আজাদ হোসেন তিতুর ১টি গরু চু’রি হয়। এ ছাড়াও পানকরা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২টি ল্যাপটপ, পানকরা উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কম্পিউটার, টনিভাঙ্গার মোতাহের হোসেন বাবলুর ১টি কম্পিউটার, পানকরা বিবর্তন কাবাব হাউজের একটি এলইডি টিভি, ল্যাপটপ ও সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম, আবুল হাশেমের দোকানের মালামাল, আলা উদ্দিনের দোকানের মালামাল ও ইয়াছিনের দোকানের মালামাল চু’রি সহ গত ৪ মাসে প্রায় ২০টি চু’রির ঘটনা ঘটায় এই ইসমাইল চো’র। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে ইসমাইল এ সব চু’রির সাথে এলাকার এক মাতব্বর সহ আরো ৩/৪ জন জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছে। এ ছাড়াও সে নিয়মিত মা’দক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার কথাও স্বীকার করে।


ওই গ্রামের স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. শাহ আলম, নজরুল ইসলাম, বদিউল আলম রাজুুুুুুু, আবুল বাশার বাবুল, হুমায়ূন কবির, প্রভাষক ওমর ফারুক ও আলা উদ্দিন সহ শতাধিক গ্রামবাসী থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে ইসমাইলের বিভিন্ন চু’রির ঘটনার বর্ণনা দেন।
এ সময় তারা সাংবাদিকদের জানান, এক ইসমাইল চোরের যন্ত্রনায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে তারা। সবসময় জানমালের নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তার বি’রুদ্ধে অনেকগুলো চু’রির ঘটনার অ’ভিযোগ থাকলেও সাহস করে থানায় মা’মলা করেনি। তাকে গ্রে’ফতার করায় থানা পুলিশকে ধন্যবাদ জানিয়ে সকল চু’রির ঘটনাগুলো সঠিক তদন্ত করে জড়িদেও বি’রুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে অনুরোধ জানান গ্রামবাসী।


এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানার ওসি মামুন অর রশিদ জানান, ইসমাইল হোসেন দীর্ঘদিন ধরে গ্রামের বিভিন্ন চু’রির সাথে জড়িত ছিল। এ ছাড়াও সে ই’য়াবা ব্যবসার সাথে জড়িত রয়েছে। তার বি’রুদ্ধে চু’রি ও মা’দক আইনে দুইটি মা’মলা দায়ের করা হয়েছে। ওইসব মা’মলায় তাকে গ্রে’ফতারের পর কা’রাগারে পাঠানো হয়েছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: