নাঙ্গলকোটের প্রধান সড়কের বেহাল দশা! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটের প্রধান সড়কের বেহাল দশা!

22 April 2014, 8:52:52

nkot road

২২ এপ্রিল ২০১৪ (আমাদের নাঙ্গলকোট ডট কম )

ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত আর খানাখন্দে বেহাল দশায় পরিণত হয়েছে নাঙ্গলকোট লাকসাম প্রধান সড়কটি। অনেক স্থানে সামান্য ছোট বড় গর্তের সৃষ্টি হয়। ওইসব জায়গায় পরে পরিণত হয় মরন কুয়ায় । বছরের পর বছর সড়কটির এমন বেহাল দশা- অথচ দেখার কেউ নেই। দিন দিন যানবাহন চলাচলের জন্য সড়কটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ সড়কের কিছু অংশে উন্নয়ন ও সংস্কার করা হলেও সিংহভাগ অংশের অবস্থা নাজুক। যে কারণে প্রায় সময় ঘটছে ছোট-বড় দুর্ঘটনা। ফলে সড়ক জুড়ে যানজটের পাশাপাশি প্রতিনিয়তই চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন যাত্রীরা। সরেজমিনে দেখা গেছে, নাঙ্গলকোট থানা সংলগ্ন  বাজার পর্যন্ত কোন যানবাহন চলা চল করতে পারে না। প্রতি নিয়ত হচ্ছে টেম্পু,মটর সাইকেল,ভ্যান ও রিকশা দূর্ঘটনা।

নাঙ্গলকোট উপজেলার টেক হতে পার্শবর্তী লাকসাম উপজেলার প্রধান সড়কটি দিয়ে কোনো ধরনে বাস কিংবা প্রাইভেট কার যেতে পারে না।এতে বিশাল জ্যামে এ পরিনত হয়।এটি নাঙ্গলকোট আর লাকসামের সংযোগ স্থল রোড় বা প্রধান সড়ক। কিন্তু আজ পযর্ন্ত এই রাস্তার কাজ ভালোভাবে হয়েছে কিনা বলা বাহুল্য।

 

সম্পাদনা: বাপ্পি মজুমদার ইউনুস।

আমাদের নাঙ্গলকোট ডট কম।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: