নাঙ্গলকোটের প্রবাসী সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটের প্রবাসী সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত

26 May 2014, 2:43:53

road

 

মোঃ আলাউদ্দিন, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) ঃ 26 মে 2014
সৌদি আরবের জেদ্দায় রোববার সকালে মর্মান্তিক সড়ক দুর্ঘটনায় তিন বাংলাদেশীর সাথে কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের গোমকোট বানিয়াচৌ গ্রামের মৃত হাবিবুল্লার ছেলে নিহত হোন। আমান উল্লাহ আমানের (৪০) গ্রামের বাড়িতে ও তার শ্বশুরবাড়ি মকিমপুরে শোকের মাতম বইছে। আমান উল্লা স্ত্রী খালেদা আক্তার স্বামীর শোকে পাগল প্রায়। আমান উল্লা সড়ক দুর্ঘটনায় পতিত হওয়ার পূর্বে গত রোববার বাংলাদেশ সময় দুপুর ২টায় স্ত্রী খালেদা আক্তারের সাথে শেষ কথা হয়। খালেদা আক্তার আমাদের নাঙ্গলকোট ডটকম কে জানান, তার স্বামী আমান উল্লা সৌদি আরবের আল-কমহুদা শহরে ক্রীড়া সামগ্রীর দোকান করে। দোকানের মাল সামগ্রী ক্রয়ের জন্য জেদ্দা শহরে যান। দুপুর ২টায় আমান উল্লা জানান, মাল ক্রয় প্রায় শেষ হয়ে গেছে। আমি একটু পরে জেদ্দার উদ্দেশ্যে প্রাইভেট কারে করে রওয়ানা হবো। কিন্তু বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার পর থেকে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়। পরে রোববার দিবাগত রাত ১টায় আমান উল্লার আগের মালিক শামছুল হকের মাধ্যমে আমান উল্লা সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হওয়ার খবর জানতে পারি।

আমান উল্লা শ্বশুর বাড়ি মকিমপুরে সরেজমিনে খালেদা আক্তারের সাথে কথা হয়। খালেদা আক্তার জানান, গত এক সপ্তাহ পূর্বে আমান উল্লা মোবাইল ফোনে জানান, আমি স্বপ্নে ভালো দেখি নাই। আমি স্বপ্নে কবর দেখছি। তখন আমার স্বামী বলছে, আল্লাহ যা করার তাই হবে। ভালো মানুষ বেশি দিন টিকেনা। তখন আমি বলছি, আমাকে অকুল সাগরে ভাসিয়ে দিয়ে তুমি চলে যাবে। তখন সে বলছে, আল্লাহ তোমাকে দেখবে। কিন্তু এক সপ্তাহের মধ্যেই সে মারা গেল বলে কেঁদে উঠেন। আমান উল্লাহ গত ২০০০সালে মৌকরা ইউপির গোমকোট গ্রামের নুরুল হকের মাধ্যমে সৌদি আরব যান। দীর্ঘদিন চাকুরি করে কিছু করতে না পেরে গত ২বছর পূর্বে আল-কমপুদা এলাকায় ক্রীড়া সামগ্রীর দোকান খুলে বসেন। ভালো আয় হচ্ছিল। আগামী কোরবানির ঈদে হজ্জ করে দেশে এসে গ্রামের বাড়িতে নতুন বাড়ি তৈরীর কথাও রয়েছে। আমান উল্লার অবুঝ দুই সন্তান ফয়সাল (১০) এখনো বুঝে উঠতে পারলেও বাবার মৃত্যুর সংবাদে ফ্যাল-ফ্যাল করে সবার দিকে তাকিয়ে আছেন। ছোট মেয়ে সুমাইয়াও (৫) মায়ের কান্নায় মুখের দিকে তাকিয়ে থাকা ছাড়া যেন তার কোন ভাষা নেই। ফয়সাল স্থানীয় আল হেরা হোসাইন বিন সালেহ বিদ্যালয়ে ৩য় শ্রেণীতে এবং মেয়ে সুমাইয়া এস আর বি মডেল একাডেমীতে লেখাপড়া করছে।  

খালেদার ভাই জাকির হোসেন আমাদের নাঙ্গলকোট ডটকম কে জানান, রাষ্ট্রীয়ভাবে আমান উল্লার লাশ দেশে আনার দাবী জানায়।

 

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: