নাঙ্গলকোটে অভিযোগের পরও বাল্য বিয়ে সম্পন্ন | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

নাঙ্গলকোটে অভিযোগের পরও বাল্য বিয়ে সম্পন্ন

2 September 2014, 3:16:58

নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) প্রতিনিধি ঃ
কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান বিয়ের বিষয়টি সম্পর্কে জানলেও সদ্য এসএসসি পাশ করা এক কলেজ ছাত্রীর বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার আদ্রা ইউপির গোরকাটা গ্রামে। জানা যায়, গত ২২ আগস্ট শুক্রবার রাতে উপজেলার আদ্রা ইউপির গোরকাটা গ্রামের প্রবাসী মোঃ বাবুলের কিশোরী কণ্যা জুলেখা আক্তার (১৬) কে বিয়ে দেওয়া হয় একই ইউপির আদ্রা গ্রামে। এ বয়সে বাংলাদেশের প্রচলিত আইনে বিয়ে দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ। জুলেখা আক্তার বর্তমানে ভোলাইন বাজার উচ্চ বিদ্যালয় এন্ড কলেজের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। এ ব্যাপারে কিশোরী কণের মামা উপজেলার দায়েমছাতি উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক কামরুজ্জামান  বলেন, আমার ভাগ্নিকে আমরা বিয়ে দিচ্ছি, তাতে আপনাদের কি? আপনাদের কি খেয়েদেয়ে কোনো কাজ নেই? আমার ভাগ্নির বিয়ের বয়স হয়ে গেছে। এলাকার সচেতন ব্যক্তিদের তথ্যমতে এটিএন বাংলা, এটিএন নিউজ ও দৈনিক বর্তমানের কুমিল্লা জেলা প্রতিনিধি খায়রুল আহসান মানিক এবং দৈনিক বর্তমানের লাকসাম প্রতিনিধি আবদুর রহিম নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মুহাম্মদ সাইদুল আরিফকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি স্থানীয় আদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান দোলন খাঁনকে বাল্য বিয়ে বন্ধের নির্দেশ দেন। পরে ওই সাংবাদিকরাও বিষয়টি ওই চেয়ারম্যানকে বিষয়টি অবহিত করে। পরে চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান বিয়ে বাড়িতে গিয়ে দায়সারা ভাবে বিয়ে বন্ধ করার নির্দেশ দিয়ে কোনো অঙ্গিকারনামা না নিয়েই চলে যায়। পরে জানা যায়, যার সাথে ওই মেয়ের বিয়ের কথা ছিল ওই যুবক চেয়ারম্যান আশিকুর রহমানের প্রতিবেশী এবং আত্মীয়।


এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান আশিকুর রহমান দোলন খাঁন বলেন, তার মামা একজন শিক এবং সচেতন ব্যক্তি। তিনি ১৮ বছর হওয়ার পূর্বে তার ভাগ্নির বিয়ে দিবেনা বলে অঙ্গিকার করেছেন। তাই লিখিত অঙ্গিকারনামার নেয়নি।
আদ্রা ইউপি নিকাহ রেজিষ্টার কাজী মাওঃ আবু তাহের বলেন, বয়সের প্রমাণপত্র ছাড়া আমরা বিয়ে পড়াই না। সঠিক কাগজপত্র না থাকায় আমি ওই বিয়ে রেজিট্রি করিনি। কিন্তু পরে শুনতে পারি ওই দিন রাতেই স্থানীয় মসজিদের ইমামকে ডেকে এনে তারা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে। তবে এ বিয়েতে কোনো কাবিন হয়নি।


অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মুহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, বাল্য বিয়ের খবর পেয়ে ব্যস্ত থাকায় আমি স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানকে বিয়ে বন্ধে ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছে। তিনি আমাকে জানিয়েছেন মেয়ের বয়স ঠিক আছে। তাই আমি আর ঘটনাস্থলে যাইনি।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: