নাঙ্গলকোটে কাজীর বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ
প্রচ্ছদ / নাঙ্গলকোট / বিস্তারিত

নাঙ্গলকোটে কাজীর বিরুদ্ধে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ!

6 July 2014, 2:30:00

মোঃ আলাউদ্দিন, নাঙ্গলকোট (কুমিল্লা) ঃ কুমিল্লার নাঙ্গলকোটের মক্রবপুর ইউপির নিকাহ রেজিষ্ট্রার কাজী আবদুল হকের বিরুদ্ধে ব্যাপক মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রিকরণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।


জানা যায়, কাজী আবদুল হক দীর্ঘদিন থেকে মোটা অংকের অংকের উৎকোচের বিনিময়ে সনদ জালিয়াতির মাধ্যমে বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করে আসছে। তার এ অপকর্মের ফলে ওই এলাকায় বাল্য বিয়ের প্রবণতা ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। গত ২৬ জুন বৃহস্পতিবার তার অবৈধ সহযোগিতায় উপজেলার সাহেদাপুর গ্রামে আরও একটি বাল্য বিয়ে সম্পন্ন হয়েছে। বাল্য বিয়ের শিকার ওই স্কুল ছাত্রীর নাম মোসাঃ তাসলিমা আক্তার (১৫)। সে সাহেদাপুর গ্রামের আবুল হাসেমের মেয়ে এবং সাবিত্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের ৯ম শ্রেণির মেধাবী ছাত্রী। গত ২৬ জুন উপজেলার একই ইউপির শ্রীফলিয়া গ্রামের আবদুল মতিনের ছেলে প্রবাসী আবদুল মোতালেবের সাথে ওই স্কুল ছাত্রীর বিয়ে হয়। সবকিছু জেনেশুনেও আইন অমান্য করে কাজী আবদুল হক ভূয়া জন্ম সনদ বানিয়ে মোটা অংকের উৎকোচের বিনিময়ে এ বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রি করেন।
উল্লেখ্য, এ ঘটনার পূর্বেও একাধিকবার কাজী আবদুল হকের বিরুদ্ধে নারী কেলেঙ্কারি, জন্ম সনদ জালিয়াতি ও বাল্য বিয়ে রেজিষ্ট্রির অভিযোগ উঠেছে।


এ ব্যাপারে সাবিত্রা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক মোঃ শাহজাহান বলেন- বিয়ের বিষয়টি আমি জানিনা। তবে, ৯ম শ্রেণির কোনো শিার্থীর বয়স ১৮ বছর হবেনা। ঘটনাটি সত্য হলে আমি উপজেলা নির্বাহির কাছে অভিযোগ করব।
এ বিষয়ে জানার জন্য কাজী আবদুল হকের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি বিষয়টি এড়িয়ে যান।
নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইদুল আরিফ জানান, এ ব্যাপারে আমি কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x