নাঙ্গলকোটে ফসলি জমি রক্ষার দাবীতে কৃষকদের মানববন্ধন | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটে ফসলি জমি রক্ষার দাবীতে কৃষকদের মানববন্ধন

31 March 2019, 12:29:17

কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা ও বেকামলিয়া গ্রামের ফসলি জমি রক্ষার দাবীতে মানববন্ধন করেছে ওই এলাকার কৃষকরা। শনিবার পিপড্ডা গ্রামের ফসলি জমির মাঠে এ মানববন্ধন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলার বান্নঘর থেকে সরকারি গাগৈর খাল বাসন্ডা হয়ে পূর্ববামপাড়া গ্রামের সীমানা দিয়ে ডাকাতিয়া নদীতে সংযুক্ত হয়। এই খালটি চলতি বছর খননের উদ্যোগ নেয় জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড। পানি উন্নয়ন বোর্ড খালটি নির্দিষ্ট  খালের জায়গায় খনন না করে পিপড্ডা, বেকামলিয়া গ্রামের কৃষকদের নিজস্ব ইরি ফসলি জমি নষ্ট করে খাল খনন করছে। গত বছর ১৯ ও ২৪ নভেম্বর ফসলি জমিতে খাল খনন বন্ধের দাবিতে ওই এলাকাবাসীর পক্ষে কৃষক আবদুস ছাত্তার কুমিল্লা জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী ও নাঙ্গলকোট উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট লিখিত আবেদন দাখিল দেন।

কৃষকদের আবেদনের পরও খাল খনন অব্যাহত থাকায় গত এক সপ্তাহ থেকে কৃষকরা খাল খনন কর্মসূচি বন্ধ করে দেয় এবং জমির সীমানায় লাল পতাকা টাঙ্গিয়ে দেয়।

মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন, আব্দুর ছাত্তার, হাফেজ এনামুল হক, সিরাজ, ইফতেখার আহাম্মদ, মীর হোসেন সওদাগর,আব্দুর রশীদ ভান্ডারী, মাস্টার মজিবুল হক, সফিকসহ প্রায় শতাধিক কৃষক ।

মানববন্ধনে সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে কৃষকরা বলেন, সি এস এবং বি এস নক্সা জরিপের রেকর্ড অনুযায়ী গাগৈর খাল উপজেলার বান্নাঘর গ্রাম থেকে মালিপাড়া, মনতলী ও বাসন্ডা হয়ে বেকামলিয়া সীমান্ত ঝিকুটিয়া গ্রামের উপর দিয়ে পূর্ব বামপাড়া গ্রামের উত্তর পাশ দিয়ে ডাকাতিয়া নদীতে পড়ে। উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার কর্মকর্তা ও প্রকল্প কর্মকর্তা ঝিকটিয়া ২নং মৌজার খাস খতিয়ানভুক্ত গাগৈর খাল খনন প্রকল্প হিসেবে না দেখিয়ে রায়কোট উত্তর ইউনিয়নের পিপড্ডা গ্রামের চাঁন্দেরবাগ মৌজার গজারিয়া মলিয়ার পিপড্ডা ও বেকামলিয়া গ্রামের কৃষি জমির উপর দিয়ে গাগৈর খাল খনন প্রকল্পের নকশা করেন। কিন্তু চাঁন্দেরবাগ মৌজায় কখনো গাগৈর খাল ছিল না।

তারা আরো জানান, যেখানে খালের জায়গা আছে, ওই খানে খাল খনন করুক, এতে আমাদের কোন আপত্তি নেই। এটা আমাদের নিজস্ব খতিয়ান ভুক্ত ধানি জমি। বছরে একবার ফসল হয়। এফসলের ধান দিয়ে সারা বছর আমাদের সংসার চলে। আমাদের জমির উপর সরকার খাল খনন করলে, সরকার আমাদের জমি অধিগ্রহণ করুক, আমাদের ক্ষতিপূরণ দিক। আমরা জীবন দেব। তারপরও আমাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির উপর খাল খনন করতে দেব না।

এ বিষয়ে নাঙ্গলকোট উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সোহেল রানা বলেন, আমি বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখবো, তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়া হবে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য:

x