নাঙ্গলকোটে মন্ত্রীর সংবর্ধনার নামে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা থেকে টাকা কর্তন কমান্ডের সত্যতা স্বীকার; আদালতে পুলিশের মিথ্যা | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা

নাঙ্গলকোটে মন্ত্রীর সংবর্ধনার নামে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা থেকে টাকা কর্তন কমান্ডের সত্যতা স্বীকার; আদালতে পুলিশের মিথ্যা

15 May 2014, 2:36:24

oniom

নিজস্ব প্রতিবেদক ১৫ মে ২০১৪ ঃ সত্য কখনো চাপা থাকে না। এটি একটি চিরন্তন সত্য প্রবাদ বাক্য। যার প্রমান মিলল আবারও। কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে ৪ মে রবিবার পরিকল্পনা মন্ত্রী, উপজেলা চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা দিতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসহাক মিয়াসহ কয়েকজন নের্তৃবৃন্দের বিরুদ্ধে মুক্তিযোদ্ধাদের ভাতা থেকে ৭শ টাকা হারে চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠে। এ ঘটনা বিভিন্ন গণমাধ্যমে মাধ্যমে প্রকাশিত হলে পরিকল্পনা মন্ত্রীর নির্দেশে নাঙ্গলকোট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নজরুল ইসলাম পিপিএম  ৫মে সোমবার ৫৪ ধারায় জিজ্ঞাসাবাদ করতে উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসহাক মিয়াকে আটক করে। ওই মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারকে ৬ মে মঙ্গলবার আদালতে প্রেরণ করলে আদালত তাকে জেলহাজতে প্রেরণ করে এবং ৮ মে’র মধ্যে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে ওসি নজরুল ইসলাম পিপিএমকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু অভিযোগ উঠেছে ওসি নজরুল ইসলাম বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত না করে টাকা আদায়ের ঘটনাটি সত্য নয় বলে এবং ৮মে আদালতে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করে। ওই দিন আসামি পক্ষে জামিন আবেদন করলে ঘটনাটি মিথ্যে হওয়ায় আদালত জামিন মঞ্জুর করে।

কিন্তু ৭ মে বুধবার উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসহাক মিয়ার গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে মুক্তি দাবি করে। ওই প্রেস বিজ্ঞপ্তিটি ১২ মে সোমবার লাকসাম থেকে প্রকাশিত সাপ্তাহিক সময়ের দর্পন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়। ওই প্রতিবাদ লিপিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে,  উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ভবন নির্মাণের কাজ দ্রুত শুরুর লক্ষে স্থানীয় সাংসদ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আ,হ,ম মোস্তফা কামাল (লোটাস কামাল), উপজেলা চেয়ারম্যান সামছুউদ্দিন কালুসহ ভাইস-চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যানকে সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানের অর্থ যোগান দেওয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের ৬ মাসের সম্মানি ভাতা থেকে ৫’শ টাকা, ব্যাংক খরচ বাবত ১’শ টাকা এবং আনুসাঙ্গিক খরচ ১’শ টাকা হারে সর্বমোট ৭’শ টাকা হারে নির্ধারণ করে ৪ মে থেকে সহযোগি মুক্তিযোদ্ধাদের নিয়ে কমান্ডার ইসহাক মিয়া টাকা আদায় শুরু করে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ভুক্তভোগী মুক্তিযোদ্ধা আমাদের নাঙ্গলকোট কে বলেন- টাকা আদায়ের ঘটনা এই প্রথম নয়। প্রতিবারই মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ভাতা উত্তোলনকালে বিভিন্ন অজুহাতে আমাদের কাছ টাকা আদায় করে। কমান্ডারকে গ্রেফতার করার পর ভেবে ছিলাম এবার সঠিক বিচার হবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। পুলিশ কেন এরকম একটি সত্য ঘটনাকে মিথ্যা বলে আদালতে রিপোর্ট দিল? তা বুঝতে পারছি না। বিষয়টি ভালোভাবে তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধীদেরকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান করা হোক।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: