নাঙ্গলকোটে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দূর্নীতি!! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ ◈ অনুকূল পরিবেশ হলে এইচএসসি পরীক্ষা ◈ কুমিল্লায় বিপুল ইয়াবাসহ দম্পতি আটক!

নাঙ্গলকোটে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডারের দূর্নীতি!!

7 May 2014, 2:22:13

Dorniti

০৭-০৫-২০১৪

একই মুক্তিবার্তা নাম্বারে ভাতা নেয় ২জন

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ  নাঙ্গলকোটে একই মুক্তিবার্তা নাম্বারে ভাতা নেয় ২জন করে ২টি মুক্তিবার্তা নাম্বারে ৪জনে ভাতা উত্তোলন করার অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা যায়, উপজেলার সোন্দাইল গ্রামের মৃত তাজুল ইসলামের ছেলে মোহাম্মদ হোসেন ০২০৪০৬১১১ মুক্তিবার্তা নাম্বারে মুক্তিযোদ্ধার সম্মানী ভাতা উত্তোলন

করেন। তার গেজেট নং-২১৭১, সনদ নং ম-১৮৩৯৯ (২৫/০২/০৩ইং) এবং ভাতা বই নং- ১৬২।

এদিকে ঠিক একই (০২০৪০৬১১১) মুক্তিবার্তা নাম্বারে ভাতা উত্তোলন করে উপজেলার বাসুদাই গ্রামের মৃত মোকছেদুর রহমান চৌধুরীর ছেলে মোঃ হোসেন চৌধুরী। তারবিশেষ গেজেট নং- ৬৭২১, সদন নং- ম-১২৮৭৬৬ (৩০/০৪/০৯ইং) এবং ভাতা বই নং- ৩৯৩।

এদিকে জানা যায়, মোঃ হোসেন চৌধুরী প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা নয়। ২০০৪ইং সালের ৬ অক্টোবর নাঙ্গলকোটে মুক্তিযোদ্ধার যাচাই-বাছাইয়ে ঘুষের বিনিময়ে উপজেলা

মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ইসহাক মিয়া তাকে মুক্তিযোদ্ধার তালিকায় অর্ন্তভুক্ত করে। অথচ তিনি প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সদন গ্রহন করেন ১৯৯৯ সালের ১০ আগস্ট। প্রধানমন্ত্রী

সদন নং- ১৬৭০১। উল্লেখ্য, তিনি ২০০৩ সালে মুক্তিযোদ্ধা সদনের জন্য আবেদন করলেও তিনি তখন সদন পায়নি। সনদ পায় প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ হোসেন।

 

অপরদিকে, উপজেলার পূর্ব বামপাড়া গ্রামের মৃত খিদর আলীর ছেলে অবঃ পুলিশ হাজী মোঃ আবদুল বারী মজুমদার ০২০৪০৬০৩০৭ মুক্তিবার্তা নাম্বারে ভাতা উত্তোলন করেন। তার গেজেট নং-২০৬৬, সনদ নং- ম-৮৩০৪৬ (১৩/০৪/০৫ইং)। কিন্তু ঠিকানা পরিবর্তন করে ঠিক একই (০২০৪০৬০৩০৭) মুক্তিবার্তা নাম্বারে ভাতা উত্তোলন করেন তার স্ত্রী ফিরোজা বেগম।

কিন্তু দীর্ঘদিন থেকে একই মুক্তিবার্তা নাম্বারে ২জন করে ২ মুক্তিবার্তায় ৪জন ভাতা উত্তোলন করলেও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কোন ব্যবস্থা গ্রহন করেনি। তাই নাম

প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক মুক্তিযোদ্ধার অভিযোগ- সয়ং মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার এ দূর্নীতির সাথে জড়িত। তাই তারা এঘটনার সাথে জড়িত সকলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে

মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রনালয় ও স্থানীয় সাংসদ, পরিকল্পনা মন্ত্রী আ,হ,ম মোস্তফা কামালের দৃষ্টি আকর্ষন করেছেন।

 

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহি কর্মকর্তা মুহাম্মদ সাইদুল আরিফের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যায়নি।

অন্যদিকে মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার জেল হাজতে থাকায় এ ব্যাপারে তার বক্তব্য নেয়াও সম্ভব হয়নি।

 

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: