নাঙ্গলকোটে যৌতুকের কবলে শত শত পরিবার! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটে যৌতুকের কবলে শত শত পরিবার!

4 June 2014, 11:32:10

lip togader rap

 

বাপ্পি মজুমদার ইউনুস:যৌতুক শুধু সামাজিক ও দন্ডবিধি অপরাধ নয় বরং একটি অভিশাপ। সমাজের প্রায় সকলেরই এ কথাটি জানা রয়েছে। যৌতুকে সারাদেশের ন্যায় সর্বশ্বান্ত হচ্ছে নাঙ্গলকোটের শত শত পরিবার। বর্তমান সমাজে যৌতুক একটি রীতিতে পরিণত হয়েছে। ফলে একটি ছেলে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে ১-৫ লাখ টাকা আয় এবং মেয়ে সন্তান জন্মগ্রহণ করলে ১-৫ লাখ টাকা খরচ বেড়েছে বলে অনেক অভিভাবক ধারণা করেন। তবে সমাজে পাল্টে গেছে যৌতুক নেয়ার কৌশল। যেমন ছেলের পিতা মেয়ের পিতাকে বলে- আপনার মেয়ের জামাই অফিসে যাতায়াত করতে একটি মোটর সাইকেল, মেয়ে থাকার জন্য খাট পালংকসহ যাবতীয় আসবাবপত্র, ছেলে চাকুরীতে বেতন কম পায় আগামী বছর বিদেশ যাবে তাই দুই লাখ টাকা, আর ৪/৫ ভরি স্বর্ণালংকার তো আপনার মেয়ের জন্যই দিবেন।

এসব মতের বিরোধী হলে মেয়ের বিয়ে হওয়ার সম্ভাবনা নাই বলে আশংকা করছেন অনেক অভিভাবক। কোন কোন ক্ষেত্রে ওয়াদা করে মেয়ের বিয়ে হয়। এতেও আবার সময় মতো যৌতুক দিতে দেরী হলে মেয়ের উপর চলে অমানষিক নির্যাতন। কেউ কেউ নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যা করছে। আবার কেউ নির্যাতন সহ্য করে থাকতে চাইলে তার বিরুদ্ধে বসে নানা শালিশ বৈঠক। ফলে সংসারে বাঁধে নানা ধরনের কলহ। অনেক অভিভাবক তাই মেয়ের সুখ-শান্তির কথা বিবেচনা করে বিয়েতে ছেলেদের সকল চাওয়া পরিশোধ করেন। সমাজে অনেক শিক্ষিত লোক আছেন, যারা বলেন যৌতুক দেওয়া এবং নেওয়া সমান অপরাধ। তারা অন্যের বেলায় কথাটি পালন করলেও নিজের বেলায় যৌতুকের হারটি আরও একটু বাড়িয়ে নেন। এ ব্যাপারে সমাজে একটি প্রচলিত প্রবাদ আছে- ‘যারা দূর্নীতি দমন করে তারা নিজেরাই দূর্নীতি করে’।

 

এক অনুসন্ধানে

জানা গেছে, শুধুমাত্র যৌতুকের কারণে পারিবারিক বিরোধে গত এক বছরে নাঙ্গলকোটে ৪টি হত্যা ও ৫টি আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে।

অভিযোগে জানা গেছে- যৌতুক বন্ধে কেউ উদ্যোগ নিচ্ছে না। যার ফলে পুরো উপজেলায় হত্যা-আত্মহত্যা বেড়ে যাচ্ছে। সচেতন মহলের কয়েকজন জানায়- সরকার যদি কাজীদেরকে নির্দেশ দেয়- ‘যে বিয়েতে যৌতুকের লেনদেন হয় সে বিয়ের কাবিন না করে’, তাহলে একমাত্র যৌতুক বন্ধ হবে বলে আশা করছেন সাধারণ জনগণ। অনেকে মনে করেন- সরকার জনসচেতনতামূলক পদক্ষেপ নিলেও এর দন্ডবিধির কার্যকারিতা না থাকায় যৌতুক প্রথা বেড়ে গেছে। সর্বোপরি এ ব্যাপারে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ নজর দেবেন বলে সাধারণ জনগণ মনে করেন।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: