নাঙ্গলকোটে সাহেনা আক্তারকে হত্যার দায়ে মীর হোসেনের মৃত্যুদন্ড বহাল হাইকোর্টে | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটে সাহেনা আক্তারকে হত্যার দায়ে মীর হোসেনের মৃত্যুদন্ড বহাল হাইকোর্টে

30 January 2017, 10:50:20

বিশেষ প্রতিনিধি-
নাঙ্গলকোটে কিশোরী সাহেনা আক্তারকে হত্যার দায়ে বখাটে মীর হোসেন ওরফে বেঁচু মিয়ার মৃত্যুদণ্ড বহাল রেখেছে হাইকোর্ট। আসামির আপিল খারিজ করে দিয়ে এ রায় দেন বিচারপতি আবু বকর সিদ্দিকী ও বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলামের ডিভিশন বেঞ্চ। বেঁচু মিয়া হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পলাতক রয়েছেন।

সাজা পরোয়ানা থাকার পরেও আজ পর্যন্ত তাকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

১৯৯৮ সালের ৫ সেপ্টেম্বর নাঙ্গলকোটের কাঠালিয়ার বাতুপাড়ার নিজ বাড়িতে রাতে খুন হন কিশোরী সাহেনা আক্তার (১৫)। চাইনিজ কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে এ হত্যার ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সাহেনার পিতা রিকশাচালক আব্দুল খালেক টুকু মিয়া মামলা দায়ের করেন। মামলার এজাহারে বলা হয়, সাহেনাকে বার বার প্রেম নিবেদন ও বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হয়ে বেঁচু মিয়া ও তার সহযোগীরা তাকে হত্যা করেন। পুলিশ তদন্ত করে বেঁচুসহ চারজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোপত্র দাখিল করেন। এ মামলায় ২০১১ সালে ৮ মার্চ কুমিল্লার বিশেষ জজ আদালত বেঁচু মিয়াকে মৃত্যুদণ্ড এবং আব্দুল ওয়াহাব মজুমদারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। তবে জসিম উদ্দিন এবং খুরশিদ আলম খোকনকে খালাস দেয় আদালত।

ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শেষে হাইকোর্ট মঙ্গলবার বেঁচু মিয়ার ফাঁসি বহাল রাখে। খালাস দেয় ওয়াহাব মজুমদারকে। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মো. মনিরুজ্জামান রুবেল, সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী বজলুল রশিদ ও দেলোয়ারা বেগম বেলা। মীর হোসেনের পক্ষে ছিলেন রাষ্ট্র নিযুক্ত আইনজীবী আশরাফুল ইসলাম।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: