নাঙ্গলকোটে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে খুনের রহস্য উন্মোচিত; চাচার সেফটি ট্যাংকি থেকে লাশ উদ্ধার! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ ‘করোনা প্রতিরোধে ছাত্রলীগ নয়, সাংগঠনিক কার্যক্রমে ছাত্রদল এগিয়ে’ ◈ সকালে বাবার মৃত্যু, বিকেলে ছেলের ◈ নাঙ্গলকোট সাংবাদিক সমিতির বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত ◈ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় হতে গৃহীত তেরখাদায় ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠী শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষা উপকরণ বিতরণ ◈ মানবতার ফেরিওয়ালা এমপি আব্দুস সালাম মুর্শেদী ◈ সুন্দরবন থেকে হরিণের মাংস,মাথা,ও পা উদ্ধার ◈ করোনার চাইতেও ভয়াবহ রূপ নিয়েছে ধর্ষণ ◈ মরচেপড়া মানুষ ____ মোঃ মাহমুদুল হাসান কিরণ ◈ ধর্ষণ মামলার মাস হতে চললেও এখনো গ্রেপ্তার হয়নি আসামি ◈ বাংলাদেশে করোনার ভ্যাকসিন আবিষ্কারের ঘোষণা দিল গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড।

নাঙ্গলকোটে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে খুনের রহস্য উন্মোচিত; চাচার সেফটি ট্যাংকি থেকে লাশ উদ্ধার!

31 May 2020, 9:29:57

স্টাফ রিপোর্টার, নাঙ্গলকোট:

কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে স্ত্রীর পরকিয়া নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্বে লোমহর্ষক খুনের রহস্য উন্মোচিত হয়েছে। খবর পেয়ে চাচার পরিত্যক্ত বাথরুমের ট্যাংকি থেকে হাত-পা বাঁধা অবস্থায় ভাতিজার বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

ঘটনার বিবরণ ও এলাকাবাসীর তথ্য মতে জানা যায়, গত ২৭ মে বুধবার রাত থেকে উপজেলার আদ্রা উত্তর ইউনিয়নের শাকতলী আবদুল হক মুন্সী বাড়ির হুমায়ন কবিরের ছেলে জিয়াউল হক (৩২) নিখোঁজ হয়। কয়েকদিন এলাকায় ও আত্বীয়স্বজনদের বাড়ি খোঁজ করে কোন হদিস না পেয়ে পরিবারের লোকজন ২৯ মে শনিবার নাঙ্গলকোট থানায় একটি সাধারণ ডায়রি লিপিবদ্ধ করে। এদিকে পরকীয়া নিয়ে তার চাচা বাছির হোসেন ও চাচী মুর্সিদা বেগমের মধ্যে দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হলে ৩০ মে শনিবার সন্ধ্যায় চাচা বাছির হোসেন এক প্রতেবেশীর কাছে মুঠোফোনে ভাতিজা জিয়াউল হক (৩২) কে খুন করে বাথরুমের সেফটি ট্যাংকিতে লাশ গুম করার কথা স্বীকার করে পালিয়ে যায়। ওই প্রতিবেশী সাথে সাথেই অন্য প্রতিবেশী ও স্থানীয় ইউপি সদস্যকে বিষয়টি অবহিত করে। এরপর ইউপি সদস্য হানিফ পাটোয়ারি স্থানীয় যুবকদের নিয়ে বাড়ির পরিত্যক্ত বাথরুমের সেফটি ট্যাংকিতে নিখোঁজ জিয়াউল হকের বস্তাবন্দী লাশ খুঁজে পায়। এদিকে এঘটনার জানাজানি হলে স্থানীয়রা বাছির হোসেনের স্ত্রী মুর্সিদা বেগম (৩০) কে আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

পুলিশ এসে রাত ৯টায় নিহতের লাশ উদ্ধার করে এবং ঘাতক মুর্সিদা বেগম (৩০) কে আটক করে জবানবন্দি নেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুর্সিদা বেগম ভাতিজা জিয়াউল হককে খুন করার কথা স্বীকার করে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য হানিফ পাটোয়ারি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন।

নাঙ্গলকোট থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) বখতিয়ার উদ্দিন চৌধুরী জানান, নিখোঁজের ২দিন পর ২৯ মে শুক্রবার জিয়াউল হকের পরিবারের সদস্যরা এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি রেজিস্টার করে। এর সূত্র ধরে আমরা তদন্ত কার্যক্রম শুরু করি। সন্দেহভাজন হিসেবে তার চাচী মুর্সিদা বেগমকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে সে ভাতিজাকে খুনের কথা স্বীকার করে। এরপর তার দেয়া তথ্য মোতাবেক আমরা তার ঘরের পেছনের পরিত্যক্ত বাথরুমের সেফটি ট্যাংকি থেকে নিহতের বস্তাবন্দী লাশ উদ্ধার করি। আজ (রবিবার) সকালে ময়নাতদন্তের জন্য লাশ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। পরকীয়া সংক্রান্ত কারণে এ ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: