নাঙ্গলকোটে হতদরিদ্রদের ১০ বস্তা চাল জব্ধ! | আমাদের নাঙ্গলকোট
সর্বশেষ সংবাদ
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ বিশ্ব পর্যটন দিবস ও আমাদের সম্ভাবনা ◈ মোল্লা নিয়ে আলোচনা -সমালোচনা- এ,কে,এম মনিরুল হক ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

নাঙ্গলকোটে হতদরিদ্রদের ১০ বস্তা চাল জব্ধ!

25 April 2017, 10:19:47

স্টাফ রির্পোটার:
কুমিল্লার নাঙ্গলকোট উপজেলার বক্সগঞ্জ ইউনিয়নের ইউনিয়ন ডিলার ইয়াছিন মোল্লা ও হাসান কর্তৃক ১০ বস্তা চাল বিক্রি করার সময় জব্ধ করা হয়েছে। এলাকাবাসী ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বক্সগঞ্জ বাজার ইউরো বাংলা মুদি দোকানের মালিক আলী আককাছ পিতা ইসমাঈল হোসেনের কাছে অবৈধভাবে গরীব অসহায় ও দুস্থদের সরকারি ন্যায্যমূল্যের চাউল ১০ বস্তা বিক্রি করার সময় সচেতন মহলের নিকট হাতে নাতে আটক হয়। গ্রামবাসী সিরিয়ালে (লাইনে) দাড়িয়ে চাউল সংগ্রহ করা কালে বিক্রি করা সময় প্রতিবাদ করে বেশ কয়েকজন। কিছু লোক উত্তেজিত হয়ে প্রতিবাদ করে অন্যদিকে কেউ কেউ মুঠোফোনে ও ফেইসবুকে ব্যাপারটি থানা,জেলা ও পরিকল্পনা মন্ত্রীর দপ্তর পর্যন্ত পৌছে যায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌছেন ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অহিদুর রহমান ও ওর্য়াড মেম্বার জসিম উদ্দিন। তারা জনতাকে শান্তনা দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ও ১০ বস্তা চাউল যে অন্যায়ভাবে চুরি করে কিনেছে তার গোডাউনেই রেখে দিয়েছে। এদিকে ঘটনার পর টানা ২দিন শুক্রবার ও শনিবার সরকারি বন্ধ হওয়ায় প্রশাসন তেমন একটা ব্যবস্থা নেয়নি। পরবর্তীতে ১৬/০৪/২০১৭ রবিবার খাদ্যকর্মকর্তা মনেন্দ্র চন্দ্র সাহাসহ ৪ জন তদন্ত করেন। তারা ঘটনাস্থল পরির্দশন করেন এবং থানা লেভেলে প্রতিবেদন জমা দেন। এব্যাপারে তদন্ত ও মামলা বিষয়ে জানতে চাইলে ওর্য়াড মেম্বার জসিম উদ্দিন বলেন- ডিলার ইয়াছিন মোল্লা সোমবার নাঙ্গলকোট খাদ্যগুদামে গেলে থানা পুলিশ গ্রেফতার করে।
ইউপি চেয়ারম্যান বীরমুক্তিযোদ্ধা অহিদুর রহমান জানান- জনতা আটকের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনি। প্রশাসন ইয়াছিন ও হাছানের ডিলারশীপ বাতিল করছে কিনা জানি না। তবে সেদিন ( গত রবিবার) খাদ্যকর্মকর্তা এসে তদন্ত করে গেছেন। তিনি তদন্ত করতে এসে জানিয়েছেন ব্যাপারটি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সামছুদ্দিন কালু ও নিবার্হী অফিসার মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ স্যারকে নিয়ে মীমাংসা করে দিবেন।’ খাদ্যগুদাম কর্মকর্তা মনেন্দ্র চন্দ্র সাহা জানান- আপনি পত্রিকার সকল সাংবাদিক নিয়ে আগামী যে কোন ( মঙ্গলবারের পর) দিন আমার অফিসে আসেন। আমি এখন ব্যস্থ।’ ডিলার গ্রেফতার বিষয়ে জানতে চাইলে মনেন্দ্র সাহা মুঠোফোন বন্ধ করে দেন। নাঙ্গলকোট থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ আইয়ুব জানান- হতদরিদ্রদের চাউলকে কেন্দ্র করে ঘটনার অভিযুক্ত ইয়াছিন মোল্লাকে থানায় এনে জিজ্ঞাসাবাদ করছি ( সোমবার রাত ৮ টা ১০ মিনিট)। বিস্তারিত জেনে জানাবো।’ এ ব্যাপারে নাঙ্গলকোট থানা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান- প্রথম অবস্থায় ইয়াছিন মোল্লা ও হাসানের ডিলারশীপ বাতিল করা হয়েছে। সরকারী ভাবে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে’।

Amader Nangalkot'র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।  আমাদের নাঙ্গলকোট পত্রিকা তথ্য মন্ত্রনালয়ের তালিকাভক্তি নং- ১০৫।

পাঠকের মন্তব্য: