নাঙ্গলকোট উপজেলা সমবায় অফিস শুধু নামেই! | Amader Nangalkot
শিরোনাম...
◈ বঙ্গবন্ধুর মানবিক গুনাবলী ও ধর্মীয় চেনতা-মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ ◈ সুপ্রিম কোর্টের অবকাশকালীন সব ছুটি বাতিল! ◈ সংবিধান থেকে রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম বাদ দেয়া সেই লিগ্যাল নোটিশ প্রত্যাহার ◈ জমকালো আয়োজনে বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র ওমান শাখার কমিটি গঠন ◈ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কুমিল্লা দক্ষিণ জেলার কমিটিতে ভোলাকোটের দুই রতন ◈ বাইয়ারা প্রবাসী কল্যাণ ইউনিট’র বাহারাইন শাখা কমিটি গঠন ◈ পাই যে কৃপার ভাগ – মোঃ জহিরুল ইসলাম। ◈ কুমিল্লায় শিশু ধর্ষণের অভিযোগে জুতা পেটা খাওয়া ছাত্রলীগ নেতাকে দল থেকে বহিষ্কার ◈ সামাজিক সংগঠন ”খাজুরিয়া সমাজ কল্যাণ সংস্থার” ১৫ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি গঠন ◈ দৌলখাঁড় উচ্চ বিদ্যালয়ের নতুন প্রধান শিক্ষক শাহ আলম মজুমদার ◈ শিক্ষকদের মূল্যায়ন কতক্ষণ করবে- জহিরুল ইসলাম ◈ শুধু ভুলে যাই- গাজী ফরহাদ

For Advertisement

নাঙ্গলকোট উপজেলা সমবায় অফিস শুধু নামেই!

21 July 2014, 4:51:26

নাঙ্গলকোট উপজেলা সমবায় অফিস শুধু নামে কামে নয়। এ অফিসের কর্মকর্তা- কর্মচারীরা অধিকাংশ সময় অফিসে থাকেন অনুপস্থিত। ফলে সমবায়ের মাধ্যমে সরকারের বাস্তবায়িত কর্মকান্ড এখানে ভেস্তে যাচ্ছে।

জানা যায়, উপজেলা সমবায় কর্মকর্তা মোঃ কেফায়েত উল্লাহ মেয়ের বিয়ে, বউয়ের চাকুরী, বিভাগীয় মামলার তদবীর, সন্তানদের লেখা পড়ার কাজ সহ বিভিন্ন অজুহাতে অধিকাংশ সময় কর্মস্থলে থাকেন অনুপস্থিত। অফিসে গিয়ে তার খোজ নিলে স্যার বাহিরে আছে, ছুটিতে আছে, মাঠে আছেন বলে একদিন এক ধরণের বুলি শুনা যায়। কর্মকর্তা অফিসে অনুপস্থিত থাকার কারণে কর্মচারীদের মাঝেও থাকে গা ছাড় ভাব। তারাও তাদের মন মত অফিসে আসা যাওয়া করে দিন কাটিয়ে যাচ্ছেন।

সূত্রে জানা যায়, সমবায় অফিসার মাঝে মধ্যে অফিসে এসে কিছু টুপিস কামিয়ে আবার চলে যায়। সমবায় অফিসার মোঃ কেফায়েত উল্লাহর কাছ থেকে টাকা ছাড়া কোন কাজ করা খুব কঠিন। আবার টাকা হলে সব ধরণের অবৈধ ও অনিয়তান্ত্রিক কাজ তার দ্ধারা করানো খুব সহজ। সমিতি রেজিষ্ট্রেশন, অডিট, কমিটি অনুমোদনসহ যাবতীয় কাজে তার চাহিদা মতে সন্তুষ্টি করতে পারলে অফিসে বসেই সব সমাধান করে দিতে পানে তিনি।

এ জন্য সরে জমিনে তদন্ত কিংবা রেকর্ড পত্র দেখাতে হয়না। তার অত্যাচারে এ অফিস সংশ্লিষ্টরা অতিষ্ঠ হলেও ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পায়না। সমবায় অফিসার কেফায়েত উল্লাহর বিভিন্ন কর্মস্থলে অনিয়ম ও দুর্নীর কারণে তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি বিভাগীয় মামলা হয়েছে। মামলায় তিনি জেলও খেটেছেন। তার পরও থেমে নেই তার অবৈধ ও অনিয়মতান্ত্রিকভাবে টাকা কামানোর প্রন্থা।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে এ অফিসে কর্মরত সহকারি পরিদর্শক আবদুল আউয়ালের বাড়ী নাঙ্গলকোট উপজেলায় হওয়ায় তার প্রভাব প্রতিপত্তিতো স্বাভাবিক একটু বেশি। তিনি অফিসের ফাঁকে নিজের কাজ কর্ম নিয়ে থাকেন সর্বদায় ব্যাস্ত। ফলে ভেস্তে যাচ্ছে সমবায় অফিসের মাধ্যমে মানুষের জন্য সরকারের কল্যান মূলক কাজের অগ্রগতি। এ সুযোগে এক শ্রেণীর প্রতারক চক্র ইতিপুর্বে মাল্টিপারপাস কেম্পানী করে উপজেরার গ্রাম গঞ্জের সহজ সরল মানূষদের অধিক মুনাফার লোভ দেখিয়ে হাতিয়ে নিয়েছে কোটি কোটি টাকা। এখনো তাদের অনুসরণ করে বিভিন্ন ভাবে সমবায় সমিতির নতুন নতুন নাম দিয়ে সাধারণ মানুষকে প্রতারণা করে এপিএস, ডিপিএস, এফডিআরসহ বিভিন্ন নামে টাকা হাতিয়ে নেয়ার কলাকৌশলে থেমে নেই।

অফিসে অনুপস্থিত থাকার বিষয়ে উপজেলা সমবায় অফিসার মোঃ কেফায়েত উল্লাহ বলেন, আমার ব্যাক্তিগত কাজকর্মতো থাকতে পাারে। তাই আমি অফিসে না থাকলেও অন্য লোকজনতো থাকে।

For Advertisement

Unauthorized use of news, image, information, etc published by Amader Nangalkot is punishable by copyright law. Appropriate legal steps will be taken by the management against any person or body that infringes those laws.

Comments: